
অমর একুশে বইমেলায় বইমেলা নির্বাসিত লেখক তসলিমা নাসরিনের গল্পগন্থ ‘চুম্বন’ বিক্রির অভিযোগ তোলে একদল লোক সব্যসাচী প্রকাশনীর স্টলে গিয়ে হট্টগোল তৈরি করে। প্রকাশকের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ব্যাপক উত্তেজনার মধ্যে সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয় স্টলটি।
সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একদল লোক সব্যসাচীর স্টলে ভিড় করে তসলিমা নাসরিনের বই কেন বিক্রি করছেন কৈফিয়ত চাইলে প্রকাশক ও কণ্ঠ শিল্পী ভব শতাব্দী সঙ্গে তাদের বাগবিতণ্ডা তৈরি হয়। এক পর্যায়ে আক্রমনকারীরা উত্তেজিত হয়ে ‘নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবার’, ‘আওয়ামী লীগের আস্তানা, জ্বালিয়ে দাও পুড়িয়ে দাও’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকে। এ সময় ভব শতাব্দীও প্লাল্টা স্লোগান দেন- ‘মৌলবাদ নিপাত যাক, জয় বাংলা মুক্তিপাক’, ‘মৌলবাদের আস্তানা, জ্বালিয়ে দাও পুড়িয়ে দাও’, ‘জয়বাংলা’। উত্তেজনার মধ্যে পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খায়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা ভব শতাব্দীকে আওয়ামী লীগের দালাল, ফ্যাসীবাদের দোষর আখ্যা দিয়ে স্লোগান দিতে থাকে। এক পর্যায়ে তাকে হাতজোড় করে মাফ চাইতে বাধ্য করে। পরে তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশের রমনা জোনের ডিসি মাসুদ আলম সংবাদ মাধ্যমকে জানান, “সব্যসাচী স্টল থেকে আমরা যাকে হেফাজতে নিয়েছি, তাকে আটক করা হয় নি। তবে বইয়ের স্টলটি আপাতত বন্ধ আছে। তিনি নিষিদ্ধ বই বিক্রি করছিলেন এমন অভিযোগেই আমরা তাকে হেফাজতে নিয়েছি”।
সব্যসাচী প্রকাশনীর প্রকাশক মেহরান সানজানা জানান, স্টলে তসলিমা নাসরিনের বই রাখার কারণে তাদেরকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এ বিষয়ে ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি লেখেন, বাংলা একাডেমির মেলার মাঠের দায়িত্বে যিনি আছেন আমাকে কল দিয়ে বললেন, তসলিমা নাসরিনের বই সরিয়ে ফেলতে। শাহবাগ থানার ওসিও একই কথা বললেন। বাধ্য হয়ে সরাতে হচ্ছে তসলিমা নাসরিনের ‘চুম্বন’ বইটি।
তবে বই নিষিদ্ধের কোনো তথ্য জানা যায়নি। অনলাইনে বইটি বিক্রি হচ্ছে।
কখনও বৃদ্ধ হবেন না ! বৃদ্ধাশ্রম । বাবা-মা । মানবিক জীবন। সময় ও জীবন । Care Home।। 52ʙᴀɴɢʟᴀᴛᴠ
https://youtu.be/qf1ODkPrRzw