
অমর একুশে বইমেলায় বইমেলা নির্বাসিত লেখক তসলিমা নাসরিনের গল্পগন্থ ‘চুম্বর’ বিক্রিকে কেন্দ্র করে একদল লোক সব্যসাচী প্রকাশনীর স্টলে হামলার চেষ্টা চালায়। এ সময় মো. মিরাজ নামের এক লেখক তাদের দ্বারা আক্রান্ত হন। তাকে পুলিশের সাহায্যে মেলা থেকে বের করে নেওয়া হয় তাকে। এর পরপরই সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয় স্টলটি।
সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একদল লোক সব্যসাচীর স্টলে ভিড় করে তসলিমা নাসরিনের বই কেন বিক্রি করছেন প্রশ্ন করতে থাকলে মিরাজের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে লোকজন ‘নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবার’ স্লোগান দিয়ে তাকে মারতে যায়। এ সময় সে তিনি প্লাল্টা স্লোগান দেন- ‘মৌলবাদীদের আস্তানা জালিয়ে দাও-পুড়িয়ে দাও’। এ সময় তাকে কানে ধরে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও ওঠে। এক পর্যায়ে এই লেখক হাতজোড় করেন এবং পুলিশ তাকে নিয়ে চলে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী ইমরান নাজির বলেন, ‘লোকজন ওই লেখককে মারতে গেলে পুলিশ বাধা দেয় এবং তাকে নিয়ে বই মেলার বাইরে চলে যায়। এ সময় মিরাজ উত্তেজিতদের কাছে ক্ষমা চান।’
সব্যসাচী প্রকাশনীর প্রকাশক মেহরান সানজানা জানান, স্টলে তসলিমা নাসরিনের বই রাখার কারণে সব্যসাচী প্রকাশনীকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এ বিষয়ে ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি লেখেন, বাংলা একাডেমির মেলার মাঠের দায়িত্বে যিনি আছেন আমাকে কল দিয়ে বললেন, তসলিমা নাসরিনের বই সরিয়ে ফেলতে। শাহবাগ থানার ওসিও একই কথা বললেন। বাধ্য হয়ে সরাতে হচ্ছে তসলিমা নাসরিনের ‘চুম্বন’ বইটি।’
আলোকিত স্বজন মো: ফারুক উদ্দিন ।। গবেষক ও শিক্ষাবিদ ।। 52ʙᴀɴɢʟᴀᴛᴠ
https://youtu.be/HtUYbpgNKN8