ইন্দোনেশিয়ার এয়ার ফোরস্ থেকে জানানো হয় তারা এবার এ ব্যাতিক্রমী উদ্যোগের দ্বারা দেশের এই ট্রেডিশনে যোগদান করবে।
যুক্তিমূলক অনেকগুলো বিষয় মাথায় রেখে এ সিদ্ধান্ত নেয় সেদেশের এয়ার ফোরস্। মেডিক্যাল এক্সপার্টসদের মতে, রমজানে ভোর সময়টাও ফাইটার পাইলটদের প্লেন চালনার জন্য উপযুক্ত সময়। কেননা রোযা অবস্থায় লো ব্লাড সুগার লেভেল পাইলটদের যাত্রার জন্য অনেক ঝুঁকিপূর্ণ।
এয়ার ফোর্সের বরাত দিয়ে কর্নেল সুস এম য়ুরিস জানান, ‘এটি একটি সংযুক্ত মিশন যেটির মাধ্যমে জনগনকে সেহরিতে জাগিয়ে দেওয়ার সাথে সাথে আমাদের পাইলটদের ট্রেনিং পিরিওড সম্পাদন করা হবে।
সেহরির সময়, পাইলটরা শহরের আকাশজুড়ে আফটার বার্নার ব্যবহার করে উড্ডয়ন করবে যার দরুন অনেক শব্দের সৃষ্টি হবে।’
উল্লেখ্য, কয়েক বছর আগেও একই ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল সেদেশে। সেসময় এয়ারক্রাফট হিসেবে ব্যাবহার হয়েছিল লো ফ্লাইং ফাইটার এয়ারক্রাফট এফ-১৬ এবং টি-৫০আই জেট।
টুইটারের মাধ্যমে সেদেশের এয়ার ফোরস্ @_TNIAU জানায়, ‘সেহরির সাথে আমাদের প্রধান উদ্দেশ্যে হচ্ছে আমাদের কমব্যাট পাইলটদের প্রফেশনালিজম যেন বজায় থাকে যাতে তারা যেকোন সময় বহিঃশত্রুর আক্রমন মোকাবিলা করতে পারে।’
ব্যাতিক্রমি এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে সেদেশের জনগণ।
সূত্র: দি জাকার্তাপোষ্ট-
বিএনপির কাউন্সিল : দলপ্রধানের পদ ছাড়ছেন তারেক রহমান?
-
জিয়ার হাতে ধানের শীষ তুলে দেন ভাসানী, তারেক রহমানের বক্তব্য নিয়ে মাঠ গরম করছে কারা?
-
বিতর্কের মধ্যেও ‘মঙ্গল’ থাকছে—বর্ষবরণের নানা আয়োজনে
-
কুষ্টিয়ায় দরবারে হামলা চালিয়ে পীরকে কুপিয়ে হত্যা, কী হয়েছিল সেখানে?
-
'আওয়ামী লীগ বাঁচাতে' শীর্ষ নেতাদের দেশে ফিরতে বলছে তৃণমূল
