অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আব্দুর রব আর নেই। গতকাল রোববার ২রা মার্চ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে বাংলাদেশের স্হানীয় সময় বিকেল ৫:২০ মিনিটে তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মরহুম মোহাম্মদ আব্দুর রব মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার মসুরিয়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্তশালী মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। ষাটের দশকে তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে তিনি কমিশন প্রাপ্ত হন।
১৯৭১ সালের মার্চে সেনাবাহীনিতে ক্যাপ্টেন থাকা অস্হায় উনি ছুটিতে বাংলাদেশে আসার পর, মুক্তিযুদ্ধ ঘোষণা হলে উনি পাকিস্তানে তার কর্মস্থলে না গিয়ে ভারতে চলে যান এবং ৪ নম্বর সেক্টরে সাব সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ক্যপটেন মোহাম্মদ আব্দুর রব ।
১৯৯৬ সালে মেজর জেনারেল হিসাবে চাকরি থেকে অবসর নেন তিনি । বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে জাহানাবাদ ক্যন্টনমেনট, খুলনার কমানডেনট, ডাইরেক্টর অব ডিজিএফআই, সুপ্রিম কমান্ড হেড কোয়ার্টারস, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যান ট্রাস্ট এর চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের চেয়ারম্যান, জীবন বীমা কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান, ডাইরেক্টর অব বাংলাদেশ ওরডিনেন্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ।
অবসর নিয়ে তার মাতার নামে “আয়েশা মেমোরিয়াল হসপিটাল “ মহাখালী ঢাকা নির্মাণ করেন। এছাড়াও টঙ্গীতে ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ অফ বাংলাদেশ এবং ইন্টারন্যাশনাল নার্সিং কলেজ অফ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেন ।
মরহুম মোহাম্মদ আব্দুর রব তিন ছেলে সন্তানের জনক । ২ ছেলে আমেরিকা থেকে আসার পর আগামী বুধবার মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা উনার প্রতিস্টিত ইন্ন্টারন্যাশন্যাল মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গনে ও দ্বীতিয় জানাজা বাংলাদেশ আর্মী হেড কোয়াটার মসজিদে বাদ জোহর অনুষ্ঠিত হবে।
-
দিল্লি বিমানবন্দরের অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুললেন ডা. জাহেদ উর রহমান
-
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার দিল্লিতে প্রবেশে বাধা: কী পদক্ষেপ নেবে বাংলাদেশ
-
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন
-
রামিসা ধর্ষণ-হত্যার ১৯ দিনের মাথায় সোহেল-স্বপ্না দম্পতির ফাঁসির রায়
-
হামে প্রতিদিন গড়ে ৭ শিশুর প্রাণহানি : রাজশাহী থেকে যেভাবে দেশজুড়ে ছড়াল
আরও পড়ুন: