ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

স্পেনের বার্সেলোনায় ১৫শতাধিক প্রবাসীদের কন্স্যুলার সেবা প্রদান

প্রকাশিত: ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৫:১৬ এএম

স্পেনের বার্সেলোনায় ১৫শতাধিক প্রবাসীদের কন্স্যুলার সেবা প্রদান
বাংলাদেশ দূতাবাস মাদ্রিদ টীম পূর্ব ঘোষনা অনুযায়ী ২১ ও ২২ নভেম্বর শনিবার ও রবিবার  বার্সেলোনা শহরের একটি হলরুমে প্রায় ১৫শত প্রবাসীদের মধ্যে কন্স্যুলার সেবা প্রদান করেছে। সকাল ৯টা থেকে কাতালোনীয়া রাজ্যের বিভিন্ন স্থান থেকে পূর্ব নির্ধারিত সিরিয়াল অনুযায়ী সেবা নিতে আসেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। স্পেনে কোভিড-১৯ দ্বিতীয় ধাপে বৃদ্ধি পাওয়াতে স্পেন সরকার কর্তৃক করোনা পেনডামিক বিধি-নিষেধ অনুসরণ করে দূতাবাস নির্ধারিত- ‘প্রতি মাসের বার্সেলোনায় সেবা কার্যক্রম ‘চালু রাখা সম্ভব হয়ে ওঠেনি বলে ৫২বাংলাকে জানিয়েছেন- স্পেন বাংলাদেশ দূতাবাসের মিনিস্টার ও মিশন উপ-প্রধান এম হারুন আল রশিদ। মিশন উপ-প্রধান এম হারুন আল রশিদ জানিয়েছেন, প্রবাসীদের সেবা প্রদানেরর লক্ষ্যে  কোভিড পরিস্থিতির মাঝেও দূতাবাসের সেবা কার্যক্রম সুনিদৃষ্ট দিন ও সময়ে দেয়া হবে। এজন্য সেবা গ্রহীতাদেরকে দূতাবাসের নোটিশ দেখে, সেবার বিষয় জেনে, নিদৃষ্ট তারিখে এপয়েন্টম্যান্ট করার অনুরোধ করা হয়েছে। কোভিড ১৯ সংকট সময়ে সকলের জন্য সেবা নিশ্চিতকরণে বার্সেলোনা কমিউনিটির সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দের আন্তরিক সহযোগিতার আহ্ববান জানিয়েছে দূতাবাস। বাংলাদেশ দূতাবাসের  মিনিস্টার ও মিশন উপ-প্রধান এম হারুন আল রশিদ এর নেতৃত্বে দু-দিনের সেবা দিতে বার্সেলোনা আসেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা(হিসাব)মো.জাহাঙ্গীর আলম,মো.সাইফুল ইসলাম,ব্যক্তিগত কর্মকর্তা এএসএম রেজাশাহ পাহলভী,অফিস সহকারী মো.শফিক ইসলাম,কম্পিউটার অপারেটর অর্ণব হোসেন। দূতাবাসের সেবাসমূহের মধ্যে ছিল ছঁয় শতাধিক প্রবাসীদের মধ্যে এমআরপি নতুন পাসপোর্ট বিতরণ,তিন শতাধিক  প্রবাসীর পাসপোর্ট রি-ইস্যু আবেদন গ্রহণ। এছাড়াও দুই শতাধিকা প্রবাসীদের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কাগজপত্র সত্যায়ন এবং একশত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের আবেদন গ্রহণ ইত্যাদি। প্রসঙ্গত  মাদ্রিদ দূতাবাস এক ঘোষনায় জানিয়েছে,  তাদের সেবা কার্যক্রমের ব্যবহৃত কম্পিউটার সার্ভারে যান্ত্রিক ত্রুটি থাকায়  অনেক  কাজ যথাসময়ে প্রদান  করা সম্ভব হচ্ছে না । তারা জানিয়েছে, দূতাবাস যান্ত্রিক ক্রুটি দ্রুত  নিরসনে সর্বাত্নক  চেষ্টা চালাচ্ছে । এদিকে পর্যবেক্ষকরা আশঙ্কা করছেন,  দ্রুত সময়ের মধ্যে দূতাবাসের টেকনিক্যাল সমস্যার সমাধান না হলে প্রবাসীদের সেবা কার্যক্রম আরও ধীর  এবং  বড় ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে পারেন প্রবাসীরা ।