জামায়াত জোট ছাড়লো ইসলামী আন্দোলন, পাতানো নির্বাচনের শঙ্কা
- আপডেট সময় : ০২:০১:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
- / 127
জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট থেকে সরে আসার পেছনে আদর্শগত ও রাজনৈতিক—উভয় কারণই দেখাল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে জামায়াতে ইসলামের বর্তমান নীতি শরিকদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না, তা পর্যালোচনা করতে দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে চরমোনাই পীরের দল।
আর জামায়াত দৃশ্যত প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সঙ্গে বৈঠক করার পর জাতীয় সরকার গঠনের কথা বলায় নির্বাচন পাতানো হবে কি না তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকালে পুরানা পল্টনের নোয়াখালী টাওয়ারে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
দলের মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান বলেন, “এখানে (জোটে) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটা বড় শক্তি ছিল—অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তাদের শক্তি-সামর্থ্য অনেক বেশি—ঠিক আছে। কিন্তু আমরা আদর্শিকভাবে নৈতিকভাবে আমরা কারোর চেয়ে দুর্বল নই।
“আজকে আমাদের দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, আমরা অবাক বিস্ময়ের সঙ্গে দেখলাম—জামায়াতে ইসলামী সম্মানিত আমির জনার জনাব ডাক্তার শফিকুর রহমান তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, তারা ক্ষমতায় গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন।
“এবং তিনি যে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলছিলেন; সেই খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের একজন সম্মানিত নারী তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, ‘আমরা আশ্বস্ত হয়েছি যে জামায়াতের আমির শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠা করবেন না- এই ওয়াদা তিনি করেছেন, এজন্য আমরা আশ্বস্ত হয়েছি’।”
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব আতাউর বলেন, “এই বিষয়টা যখন আমরা জানতে পারলাম, তখন আমরা স্পষ্ট হয়ে গেলাম—আমরা যে লক্ষ্য নিয়ে চলছি, সেই লক্ষ্য অর্জিত হবে না। কারণ আজকে যখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাওয়ার মতো একটা পরিবেশ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে; এখন যারা প্রধান শক্তি তারাই যদি ইসলামের সুমহান আদর্শ থেকে ভিন্ন দিকে চলে যায়, যদি ইসলামি আইনের প্রতি তাদের আস্থা না থাকে—তাহলে আমরা যে কর্মী-সমর্থক নিয়ে সারা দেশে ইসলামের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছি; এই স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে।
“আজকে আমরা অবাক বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করছি, জামায়াতে ইসলামীর বাংলাদেশে সারা দেশে লক্ষ লক্ষ কর্মী-সমর্থক আছেন; আমরা জানি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের জন্মের পর থেকে একটা মৌলিক স্লোগান ছিল যে, ‘আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই’।
“এখন যখন ক্ষমতায় যাওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হয়েছে, তখন তারা আল্লাহর আইন থেকে সরে গেলেন; তারা প্রচলিত আইনে রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন—এই কথা যখন ঘোষণা করলেন, তখন আমাদের প্রশ্ন জাগে যে, সারা দেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের এই যে আবেগ-অনুভূতি, এই বিষয়টার প্রতি তারা আসলে খেয়াল করে নাই। আমাদের যেটা মনে হয়েছে, তারা ক্ষমতাটাকেই একমাত্র মুখ্য মনে করছে।”
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটে না গিয়ে ২৬৮ আসনে এককভাবে নির্বাচন করবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে বাকি ৩২ আসনে অন্যদের সমর্থন দেবে দলটি।
মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান বলেন, “এখন আমরা আসলে তাদের (জামায়াতের) ক্ষমতায় যাওয়ার পথে বাধা হতে চাই না। আমরা বিনয়ের সাথে বলতে চাই, এই প্রচলিত আইনে বিগত ৫৪ বছর রাষ্ট্র পরিচালিত হয়েছে। এই প্রচলিত আইন—শান্তি প্রতিষ্ঠায়, কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়েছে। এই প্রচলিত আইন বৈষম্য তৈরি করেছে। অন্যায়-অবিচারের মূল হলো প্রচলিত আইন।
“অতএব, আমরা তো সবসময় বলে আসছি প্রচলিত আইন পরিবর্তন করে সেখানে আল্লাহর দেওয়া আইন এবং ইসলামের সুমহান আইন, যেটা সকলের জন্য সমান এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে; আমরা তো সেই আইন প্রতিষ্ঠার জন্যই আন্দোলন করি।
“এখন শেষ মুহূর্তে যদি আমরা দেখি যে—আসলে প্রধান যে রাজনৈতিক শক্তি, আমাদের সহযোগী শক্তি ছিলেন, তারা যখন নাকি বলছেন যে—তারা সে আল্লাহর আইনের পথে চলবেন না, বরং প্রচলিত আইনেই তারা রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন; তখন আমরা আর তাদের সহযোগী হওয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত নই।”
‘জোটের নীতি-আদর্শ নিজেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না ভাবুন’
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হবে। মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে আপিল নিষ্পতির ধাপে রয়েছে নির্বাচন কমিশন। ২০ জানুয়ারি প্রার্থী চূড়ান্ত হবে।
নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বে যে ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ গড়ে ওঠে, তার সূচনা ঘটে ধর্মভিত্তিক আট দলের যুগপৎ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে।
পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন এবং সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোটের দাবিতে শুরু হয়েছিল সেই যুগপৎ আন্দোলন।
শুরুতে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), নেজামে ইসলাম পার্টি ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ছিল এই মোর্চায়।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে এলে এই মোর্চাকে নির্বাচনি জোটে রূপ দেওয়ার আলোচনা শুরু হয়। এর মধ্যে মনোনয়নপত্র জমার সময় শেষ হওয়ার আগের দিন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও এলডিপি এবং তার পরদিন এবি পার্টি এই জোটে যোগ দেয়।
জামায়াতের জোটের শরিকদের উদ্দেশে আতাউর বলেন, “আমরা তাদের আবেগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই; অনেকেরই অনেক রকম আবেগ তৈরি হয়েছিল—এই ঐক্যকে নিয়ে, আমরা তাদের প্রতি সম্মান জানাই, শ্রদ্ধা জানাই। আর বিশেষ করে এখন পর্যন্ত যারা জোটবদ্ধ আছেন সেখানে, আরো ইসলামী সংগঠন আছেন, তাদের প্রতি আমরা শ্রদ্ধা জানাই, তাদের প্রতি আমাদের কোনো বিরূপ ধারণা নেই।
“তবে আমি তাদেরকে বিনয়ের সাথে অনুরোধ করব, তারা যাতে এই জামায়াতে ইসলামীর প্রধান যে বক্তব্যটা দিয়েছেন, এইটার ব্যাপারে যদি তাদের নীতি-আদর্শের সাথে সাংঘর্ষিক তারা মনে করেন (কি না), তারা যাতে এটা ক্লিয়ার হয়ে নেন।”
‘ইলেকশন নাকি সিলেকশন হবে’
জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পেছনে রাজনৈতিক কারণও তুলে ধরেন ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান। তিনি বলেন, সমঝোতা ভিত্তিতে চললে পারস্পরিক সম্মান ও সমন্বয় থাকতে হয়। কিন্তু জামায়াত প্রধান সমমনাদের না জানিয়ে বিএনপি নেতা তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠ করে জাতীয় সরকার গঠনের কথা বলেছেন।
ইসলামী আন্দোলন নেতা আতাউর বলেন, “জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান—তিনি বিএনপি প্রধান জনাব তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ শেষে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, তারা নির্বাচন পরবর্তী জাতীয় সরকার, বিএনপির সঙ্গে জাতীয় সরকার গঠন করবেন এবং বেগম খালেদা জিয়া যে ঐক্যের পাটাতন তৈরি করে গেছেন, সেই ঐক্যের পাটাতনে দাঁড়িয়ে আগামী দিনে রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন।
“… যেহেতু আমরা তাদের (বিএনপির) প্রতিদ্বন্দ্বী, একটি প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির সাথে গিয়ে উনি নিজে ঘোষণা দিয়ে আসলেন—তিনি জাতীয় সরকার করবেন; তাদের ঐক্যের পাটাতনে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন। তাহলে এখানে আমাদের সাথে তো বিষয়টা তিনি ডিসকাস করেন নাই, অন্যান্য শরিকদের সাথে… তিনি এককভাবে ঘোষণাটা দিয়ে আসলেন।
“এখন আমাদের শঙ্কা হলো যে, এখানে নির্বাচনের আগেই যেহেতু একটা সমঝোতা-সমন্বয় প্রতিদ্বন্দ্বী দলের সাথে হয়ে যাচ্ছে; তাহলে এই নির্বাচনটা আসলে পাতানো নির্বাচন হবে কি না। এটা কি ইলেকশন হবে নাকি সিলেকশন হবে—এই শঙ্কাটাও আমাদের সামনে চলে এসেছে।”
গাজী আতাউর রহমান বলেন, “আমরা চাই, একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন। বাংলাদেশে স্বাধীনতা পরবর্তী যে নির্বাচনই হয়েছে—কলঙ্ক হয়েছে; সেই কলঙ্ক থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে চাই। আর আমরা এমন সমঝোতার নির্বাচন, নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগির নির্বাচন এবং সিলেকশনের নির্বাচন—এটা আমরা চাই না, মানুষ এটা চায় না; কিন্তু আমরা সেই আশঙ্কা করছি।
“আগামী দিনে আসলে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে কি না, নাকি আমাদের সাথে ঐক্য করে তলে তলে আবার ভিন্ন রকম কিছু হবে; এই আশঙ্কাটাও আমাদের মধ্যে দেখা দিয়েছিল।”
তিনি বলেন, “তো এজন্য আসলে আমরা মনে করছি, এগুলো জনগণের সামনে প্রকাশ করা দরকার; জনগণও বুঝতে পারছে, উপলব্ধি করছে, আমাদের কাছে বিভিন্ন দিক থেকে বিভিন্ন সংবাদ আসছে। বিভিন্ন রাষ্ট্রের সাথে বিভিন্ন পরিকল্পনা করা হচ্ছে, কী হচ্ছে—এটাও আমরা জানি না।
“এখানে সমঝোতা সমন্বয় হতে হলে ঐক্য হতে হলে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস, আস্থা লাগে। আস্থা-বিশ্বাস-শ্রদ্ধার জায়গা যখন ভেঙে যায়, তখন তো আসলে সেখানে ঐক্য টেকে না।”
‘ওয়ান বক্স পলিসি আনেন চরমোনাই পীর’
ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব আতাউর বলেন, “অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে একটি ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন হয়েছে। মানুষের মধ্যে একটা প্রত্যাশা জেগে উঠেছে যে—আগামীতে একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ হবে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করেছিল, এখন ইসলামপন্থি শক্তির সামনে একটা বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে। ইসলামের আদর্শের আলোকে রাষ্ট্র পুনর্গঠনের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার একটা মহান সুযোগ তৈরি হয়েছে।
“এই সুযোগটা যাতে কাজে লাগানো যায় এবং দেশটাকে যাতে একটি কল্যাণ রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠা করা যায়, ইনসাফ কায়েম করা যায় এবং বৈষম্যহীন শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা যায়; এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহতারাম আমির পীর সাহেব চরমোনাই ইসলামপন্থি শক্তির জন্য আগামী জাতীয় নির্বাচনে ইসলামপন্থিদের ‘ওয়ান বক্স পলিসি’ ঘোষণা করেছিলেন।”
তিনি বলেন, “সেই ওয়ান বক্স পলিসির যুগান্তকারী ডাকে সাড়া দিয়ে অনেকেই হুজুরের সাথে সুর মিলিয়ে কথা বলেছিলেন এবং একটা জাগরণ তৈরি হয়েছিল, মানুষের মধ্যে প্রত্যাশা জেগে উঠেছিল। সেটার মূলে ছিল ইসলামি শক্তির ওয়ান বক্স। ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য ইসলামের আদর্শের আলোকে বাংলাদেশটাকে পুনর্গঠন করার জন্য।
“কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক বাস্তবতা হলো, আমরা দেখলাম একপর্যায়ে এসে সেই ইসলামপন্থি শক্তির ওয়ান বক্স থেকে কেউ কেউ এটাকে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য ক্ষমতায় যাওয়ার একমাত্র লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য এটাকে এই ধারা থেকে ভিন্ন দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। এজন্য আমরা ব্যথিত, মর্মাহত।
“আমরা যেহেতু এবাদতের রাজনীতি করি, আমরা আমাদের নেতাকর্মীদের সাথে প্রতারণা করতে পারি না। আমরা এদেশের ইসলামপন্থি জনতার আবেগের সাথে কিছুতেই প্রতারণা করতে পারি না। আমরা যেহেতু ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য, ইসলামের সুমহান আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য, ইসলামের আলোকে কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ এখানে কাজ করে আসছি—আমরা এ থেকে বিচ্যুত হতে পারি না।”
জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়াই সামনে চলার পথ যে কঠিন হতে পারে, সেই বাস্তবতাও মানছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
মুখপাত্র আতাউর রহমান বলেন, “যদিও আমরা জানি সামনে আমাদের পথ চলা হয়তো মসৃণ নাও হতে পারে; কারণ আমরা ক্ষমতার রাজনীতি আমরা সেভাবে করি না। আমাদের মূল লক্ষ্য ইসলাম। ইসলামকে আমরা আগে রাখি। আমাদের নীতি-আদর্শের রাজনীতি করি। আর এখানে আমরা দেখছি যে, নীতি আদর্শের প্রশ্নে, রাজনৈতিক প্রশ্নে, ইনসাফের প্রশ্নে আমরা বৈরিতার শিকার হয়েছি।”
ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র আতাউর বলেন, “আমাদের যেহেতু ২৬৮ আসনে ক্যান্ডিডেট আছে, আর ৩২ টা আসন এখনো ফাঁকা আছে; এই ৩২ আসনেও আমরা সমর্থন দিব। সেখানে কাদেরকে আমরা সমর্থন দিব, সেটা আমরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পরে ডিসাইড করব।
“আমাদের নীতি-আদর্শ এবং লক্ষ্যের সাথে যাদের মিল হবে, তাদের সাথে সৎ, যোগ্য ক্যান্ডিডেট—তাদেরকে আমরা ইনশাআল্লাহ সমর্থন দিব। এবং আমরা আশাবাদী গোটা বাংলাদেশে ৩০০ আসনেই আমাদের পক্ষের ক্যান্ডিডেট থাকবে ইনশাআল্লাহ, যাতে পীর সাহেব চরমোনাইয়ের ইসলামের পক্ষে ‘ওয়ান বক্স নীতি’, সেটার যাতে সঠিক বাস্তবায়ন আগামী নির্বাচনে থাকে, এই জন্য আমরা ইনশাআল্লাহ এই ব্যবস্থা আমরা করব।”
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব আশরাফুল আলম, সহকারী মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাইয়ুম, কে এম আতিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ইফতেখার তারিক, দপ্তর সম্পাদক লোকমান হোসেন জাফরি, প্রচার ও দাওয়া বিষয়ক সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ।



















