ঢাকা ০৬:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

‘ঘুষের ফ্ল্যাট’: এবার টিউলিপের ৫ ঠিকানায় তলবের চিঠি, গেল স্থানীয় থানাতেও

৫২ বাংলা
  • আপডেট সময় : ১০:৩০:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫
  • / 316
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকার গুলশানে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড থেকে ‘ঘুষ’ হিসেবে একটি ফ্ল্যাট নেওয়ার অভিযোগে ব্রিটিশ এমপি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিককে আবারও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এবার তাঁর ঢাকার পাঁচটি ঠিকানায় তলবপত্র পাঠানোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতেও চিঠি পাঠিয়ে অবহিত করতে বলেছে সংস্থাটি।

রোববার টিউলিপের মোহাম্মদপুরের জনতা হাউজিং সোসাইটি, ধানমন্ডির দুটি এবং গুলশানের দুটি ঠিকানায় তলবি নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন।

তিনি বলেন, “এই চিঠিগুলো সংশ্লিষ্ট থানা ও রেজিস্ট্রি ডাকের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে দুদক কর্মকর্তারা নিজে গিয়ে ওই ঠিকানাগুলোর উন্মুক্ত স্থানে চিঠিগুলো ঝুলিয়ে রেখে এসেছেন।”

টিউলিপের বক্তব্য জানতে চেয়ে দুদক নোটিশে বলেছে, “সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আপনার বক্তব্য শ্রবণ ও গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন। নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত না হলে ধরে নেওয়া হবে, এ বিষয়ে আপনার কোনো বক্তব্য নেই।”

এর আগে গত ১৪ মে টিউলিপকে ডেকেছিল দুদক। তবে তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে দাবি করেছেন যে, সেই তলবের চিঠি তিনি পাননি।

বাংলাদেশে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত নিয়ে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ দূর করার আশায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের লন্ডন সফরে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ চেয়েছিলেন টিউলিপ।

এজন্য ইউনূসকে হাউস অব কমন্সে মধ্যাহ্নভোজ কিংবা বিকেলে চা পানের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন তিনি।

৪ জুন পাঠানো এক চিঠিতে টিউলিপ লিখেছিলেন, “আমি আশা করি এই বৈঠকের মাধ্যমে ঢাকায় দুর্নীতি দমন কমিশনের সেই ভুল বোঝাবুঝি দূর করা সম্ভব হবে—যার মাধ্যমে আমার খালা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিষয়ে আমাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে।”

৯ জুন যুক্তরাজ্য সফরে যান প্রধান উপদেষ্টা। তবে তাঁর দপ্তর থেকে টিউলিপের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

বৃহস্পতিবার, সফরের তৃতীয় দিনে ইউনূস ওয়েস্টমিনস্টারে হাউস অব কমন্সে গিয়ে স্পিকার লিন্ডসে হোয়েলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তবে টিউলিপের আমন্ত্রণে সাড়া দেননি তিনি। এর আগে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস–এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইউনূস বলেছিলেন, টিউলিপ সিদ্দিককে তিনি সাক্ষাৎ দেবেন না।

২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র–জনতার আন্দোলনে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা হারানোর পর নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়।

এরপর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠজনদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত শুরু করে দুদক। সেই তালিকায় রয়েছেন শেখ রেহানার কন্যা, ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকও। পরিবারের আরও সদস্যদের বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে।

এইসব অভিযোগের জেরে সমালোচনার মুখে পড়ে গত জানুয়ারিতে যুক্তরাজ্যের প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়তে বাধ্য হন লেবার পার্টির এমপি টিউলিপ।

লন্ডনের হ্যাম্পস্টিড অ্যান্ড হাইগেট আসনের প্রতিনিধি টিউলিপ স্টারমারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ফ্ল্যাট উপহার হিসেবে নিয়েছেন। যদিও তিনি বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

গত ১৫ এপ্রিল দুদক গুলশানের একটি প্লট ‘অবৈধভাবে হস্তান্তরের ব্যবস্থা’ করে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড থেকে একটি ফ্ল্যাট ঘুষ হিসেবে নেওয়ার অভিযোগে টিউলিপের বিরুদ্ধে মামলা করে।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড থেকে গুলশানের ৭১ নম্বর রোডে ১১এ ও ১১বি ফ্ল্যাট (পুরনো ঠিকানা: বি/২০১, বাড়ি নম্বর ৫এ ও ৫বি) কোনো মূল্য না দিয়ে নিয়েছেন টিউলিপ। রেজিস্ট্রির মাধ্যমে মালিকানা গ্রহণে তাঁকে সহযোগিতা করা হয়েছে বলেও মামলায় বলা হয়।

টিউলিপ ছাড়াও রাজউকের দুই কর্মকর্তার নাম আসামির তালিকায় রয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা পরস্পরের যোগসাজশে ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে এই সুবিধা আদায় করেছেন।

এর আগে ১৩ এপ্রিল পূর্বাচলে ৬০ কাঠার একটি প্লট ‘ক্ষমতার অপব্যবহার করে’ বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা, রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তীসহ ৫৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।

যদিও দুদক বলছে, তারা টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে ‘প্রামাণিক নথির ভিত্তিতে’ তদন্ত করছে। তবে যুক্তরাজ্যে টিউলিপের আইনজীবীরা অভিযোগ তুলেছেন, কোনো প্রমাণ উপস্থাপন না করেই এবং সাড়া না দিয়ে দুদক তাঁর ‘ন্যায়বিচারের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন’ করছে।

১৫ এপ্রিল গ্রেপ্তারি পরোয়ানার প্রেক্ষিতে দেওয়া এক চিঠিতে টিউলিপের আইনজীবীরা বলেন, ১৮ মার্চ একটি আনুষ্ঠানিক চিঠির মাধ্যমে তথ্য চাইলেও বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারেনি।

যুক্তরাজ্যের দৈনিক দ্য স্ট্যান্ডার্ড–এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই অভিযোগের উল্লেখ রয়েছে। চিঠিটি পাঠিয়েছে লন্ডনভিত্তিক আইন প্রতিষ্ঠান স্টেফেনসন হারউড এলএলপি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

‘ঘুষের ফ্ল্যাট’: এবার টিউলিপের ৫ ঠিকানায় তলবের চিঠি, গেল স্থানীয় থানাতেও

আপডেট সময় : ১০:৩০:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

ঢাকার গুলশানে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড থেকে ‘ঘুষ’ হিসেবে একটি ফ্ল্যাট নেওয়ার অভিযোগে ব্রিটিশ এমপি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিককে আবারও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এবার তাঁর ঢাকার পাঁচটি ঠিকানায় তলবপত্র পাঠানোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতেও চিঠি পাঠিয়ে অবহিত করতে বলেছে সংস্থাটি।

রোববার টিউলিপের মোহাম্মদপুরের জনতা হাউজিং সোসাইটি, ধানমন্ডির দুটি এবং গুলশানের দুটি ঠিকানায় তলবি নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন।

তিনি বলেন, “এই চিঠিগুলো সংশ্লিষ্ট থানা ও রেজিস্ট্রি ডাকের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে দুদক কর্মকর্তারা নিজে গিয়ে ওই ঠিকানাগুলোর উন্মুক্ত স্থানে চিঠিগুলো ঝুলিয়ে রেখে এসেছেন।”

টিউলিপের বক্তব্য জানতে চেয়ে দুদক নোটিশে বলেছে, “সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আপনার বক্তব্য শ্রবণ ও গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন। নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত না হলে ধরে নেওয়া হবে, এ বিষয়ে আপনার কোনো বক্তব্য নেই।”

এর আগে গত ১৪ মে টিউলিপকে ডেকেছিল দুদক। তবে তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে দাবি করেছেন যে, সেই তলবের চিঠি তিনি পাননি।

বাংলাদেশে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত নিয়ে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ দূর করার আশায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের লন্ডন সফরে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ চেয়েছিলেন টিউলিপ।

এজন্য ইউনূসকে হাউস অব কমন্সে মধ্যাহ্নভোজ কিংবা বিকেলে চা পানের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন তিনি।

৪ জুন পাঠানো এক চিঠিতে টিউলিপ লিখেছিলেন, “আমি আশা করি এই বৈঠকের মাধ্যমে ঢাকায় দুর্নীতি দমন কমিশনের সেই ভুল বোঝাবুঝি দূর করা সম্ভব হবে—যার মাধ্যমে আমার খালা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিষয়ে আমাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে।”

৯ জুন যুক্তরাজ্য সফরে যান প্রধান উপদেষ্টা। তবে তাঁর দপ্তর থেকে টিউলিপের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

বৃহস্পতিবার, সফরের তৃতীয় দিনে ইউনূস ওয়েস্টমিনস্টারে হাউস অব কমন্সে গিয়ে স্পিকার লিন্ডসে হোয়েলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তবে টিউলিপের আমন্ত্রণে সাড়া দেননি তিনি। এর আগে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস–এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইউনূস বলেছিলেন, টিউলিপ সিদ্দিককে তিনি সাক্ষাৎ দেবেন না।

২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র–জনতার আন্দোলনে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা হারানোর পর নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়।

এরপর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠজনদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত শুরু করে দুদক। সেই তালিকায় রয়েছেন শেখ রেহানার কন্যা, ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকও। পরিবারের আরও সদস্যদের বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে।

এইসব অভিযোগের জেরে সমালোচনার মুখে পড়ে গত জানুয়ারিতে যুক্তরাজ্যের প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়তে বাধ্য হন লেবার পার্টির এমপি টিউলিপ।

লন্ডনের হ্যাম্পস্টিড অ্যান্ড হাইগেট আসনের প্রতিনিধি টিউলিপ স্টারমারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ফ্ল্যাট উপহার হিসেবে নিয়েছেন। যদিও তিনি বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

গত ১৫ এপ্রিল দুদক গুলশানের একটি প্লট ‘অবৈধভাবে হস্তান্তরের ব্যবস্থা’ করে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড থেকে একটি ফ্ল্যাট ঘুষ হিসেবে নেওয়ার অভিযোগে টিউলিপের বিরুদ্ধে মামলা করে।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড থেকে গুলশানের ৭১ নম্বর রোডে ১১এ ও ১১বি ফ্ল্যাট (পুরনো ঠিকানা: বি/২০১, বাড়ি নম্বর ৫এ ও ৫বি) কোনো মূল্য না দিয়ে নিয়েছেন টিউলিপ। রেজিস্ট্রির মাধ্যমে মালিকানা গ্রহণে তাঁকে সহযোগিতা করা হয়েছে বলেও মামলায় বলা হয়।

টিউলিপ ছাড়াও রাজউকের দুই কর্মকর্তার নাম আসামির তালিকায় রয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা পরস্পরের যোগসাজশে ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে এই সুবিধা আদায় করেছেন।

এর আগে ১৩ এপ্রিল পূর্বাচলে ৬০ কাঠার একটি প্লট ‘ক্ষমতার অপব্যবহার করে’ বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা, রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তীসহ ৫৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।

যদিও দুদক বলছে, তারা টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে ‘প্রামাণিক নথির ভিত্তিতে’ তদন্ত করছে। তবে যুক্তরাজ্যে টিউলিপের আইনজীবীরা অভিযোগ তুলেছেন, কোনো প্রমাণ উপস্থাপন না করেই এবং সাড়া না দিয়ে দুদক তাঁর ‘ন্যায়বিচারের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন’ করছে।

১৫ এপ্রিল গ্রেপ্তারি পরোয়ানার প্রেক্ষিতে দেওয়া এক চিঠিতে টিউলিপের আইনজীবীরা বলেন, ১৮ মার্চ একটি আনুষ্ঠানিক চিঠির মাধ্যমে তথ্য চাইলেও বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারেনি।

যুক্তরাজ্যের দৈনিক দ্য স্ট্যান্ডার্ড–এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই অভিযোগের উল্লেখ রয়েছে। চিঠিটি পাঠিয়েছে লন্ডনভিত্তিক আইন প্রতিষ্ঠান স্টেফেনসন হারউড এলএলপি।