ঢাকা ১২:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
 কাকরদিয়া- তেরাদল- আলিপুর এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু জামায়াত আমির বললেন, গালে হাত দিয়ে বসে থাকব না, গর্জে উঠব পাঁচ লাখ অভিবাসীকে বৈধ করবে স্পেন পৃথিবীতে জালিয়াতিতে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ: প্রধান উপদেষ্টা পুরস্কার ঘোষণা করে কী লাভ হলো? লুটের অস্ত্র অপরাধীদের হাতে, নির্বাচন ঘিরে ‘বাড়তি উদ্বেগ’ পে স্কেল নিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সরকারি কর্মচারীরা যুক্তরাজ্যে ‘অতিদারিদ্র্যে’ রেকর্ডসংখ্যক মানুষ, তালিকায় বাংলাদেশিরাও ভোট দিয়ে ফেলেছেন ৪ লাখ প্রবাসী প্রবাসীদের হাত ধরে বিদেশি বিনিয়োগ এলে মিলবে নগদ প্রণোদনা ‘বেস্ট অনলাইন নিউজ রিপোর্টার ইন লন্ডন’ অ্যাওয়ার্ড পেলেন আনোয়ারুল ইসলাম অভি

গ্রিসের উপকূলে বাংলাদেশিসহ পাঁচ শতাধিক আশ্রয়প্রার্থী উদ্ধার

৫২ বাংলা
  • আপডেট সময় : ১০:৪৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 168

উদ্ধার হওয়া আশ্রয় প্রার্থীরা

অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গ্রিসের কোস্টগার্ড জানিয়েছে, ক্রিট দ্বীপের দক্ষিণাঞ্চলে একটি মাছ ধরার নৌকা থেকে আনুমানিক ৫৪০ জন আশ্রয়প্রার্থীকে উদ্ধার করা হয়েছে। কোস্টগার্ডের বিবৃতিতে বলা হয়, শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) তল্লাশি অভিযানের সময় গাভদোস দ্বীপ থেকে প্রায় ১৬ নটিক্যাল মাইল দূরে তাদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

কোস্টগার্ডের একজন মুখপাত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, উদ্ধার হওয়া আশ্রয়প্রার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিসর, ইরিত্রিয়া, সোমালিয়া, সুদান এবং অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের নাগরিক রয়েছেন।

মুখপাত্র আরও জানান, উদ্ধারকৃতদের ক্রিটের রেথিমনো শহরে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করার পর আশ্রয় আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। নৌকাটি কোথা থেকে যাত্রা শুরু করেছিল, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

এর আগে বৃহস্পতিবার পৃথক এক ঘটনায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত সংস্থা ফ্রন্টেক্স গাভদোস উপকূলে বিপদে পড়া দুটি নৌকা থেকে ৬৫ জন পুরুষ ও পাঁচজন নারী আশ্রয়প্রার্থীকে উদ্ধার করে বলে গ্রিক কোস্টগার্ড জানিয়েছে।

২০১৫ ও ২০১৬ সালে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ ইউরোপে প্রবেশ করেন। তাঁদের একটি বড় অংশ গ্রিস হয়ে ইউরোপে ঢুকেছিলেন। অধিকাংশ আশ্রয়প্রার্থী জার্মানিতে আশ্রয় পান। সমুদ্রপথে ইউরোপে যাত্রাকারী এসব মানুষের অনেকেই লিবিয়া থেকে রওনা দিতেন।

আগামী জুন মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন অভিবাসন ও আশ্রয় চুক্তি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। এই চুক্তির আওতায় গ্রিস, সাইপ্রাস, স্পেন ও ইতালি অভিবাসনজনিত চাপ মোকাবিলায় সহায়তা পাবে।

তবে গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোটাকিস সম্প্রতি বলেছেন, নতুন চুক্তির অধীনে যেসব আশ্রয়প্রার্থীর নিরাপত্তাসংক্রান্ত দাবি প্রত্যাখ্যাত হবে, তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।

বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এই চুক্তির সমালোচনা করেছে। তারা সতর্ক করে বলেছে, চুক্তিটি আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে এবং এর ফলে তাদের অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গ্রিসের উপকূলে বাংলাদেশিসহ পাঁচ শতাধিক আশ্রয়প্রার্থী উদ্ধার

আপডেট সময় : ১০:৪৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

গ্রিসের কোস্টগার্ড জানিয়েছে, ক্রিট দ্বীপের দক্ষিণাঞ্চলে একটি মাছ ধরার নৌকা থেকে আনুমানিক ৫৪০ জন আশ্রয়প্রার্থীকে উদ্ধার করা হয়েছে। কোস্টগার্ডের বিবৃতিতে বলা হয়, শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) তল্লাশি অভিযানের সময় গাভদোস দ্বীপ থেকে প্রায় ১৬ নটিক্যাল মাইল দূরে তাদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

কোস্টগার্ডের একজন মুখপাত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, উদ্ধার হওয়া আশ্রয়প্রার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিসর, ইরিত্রিয়া, সোমালিয়া, সুদান এবং অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের নাগরিক রয়েছেন।

মুখপাত্র আরও জানান, উদ্ধারকৃতদের ক্রিটের রেথিমনো শহরে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করার পর আশ্রয় আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। নৌকাটি কোথা থেকে যাত্রা শুরু করেছিল, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

এর আগে বৃহস্পতিবার পৃথক এক ঘটনায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত সংস্থা ফ্রন্টেক্স গাভদোস উপকূলে বিপদে পড়া দুটি নৌকা থেকে ৬৫ জন পুরুষ ও পাঁচজন নারী আশ্রয়প্রার্থীকে উদ্ধার করে বলে গ্রিক কোস্টগার্ড জানিয়েছে।

২০১৫ ও ২০১৬ সালে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ ইউরোপে প্রবেশ করেন। তাঁদের একটি বড় অংশ গ্রিস হয়ে ইউরোপে ঢুকেছিলেন। অধিকাংশ আশ্রয়প্রার্থী জার্মানিতে আশ্রয় পান। সমুদ্রপথে ইউরোপে যাত্রাকারী এসব মানুষের অনেকেই লিবিয়া থেকে রওনা দিতেন।

আগামী জুন মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন অভিবাসন ও আশ্রয় চুক্তি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। এই চুক্তির আওতায় গ্রিস, সাইপ্রাস, স্পেন ও ইতালি অভিবাসনজনিত চাপ মোকাবিলায় সহায়তা পাবে।

তবে গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোটাকিস সম্প্রতি বলেছেন, নতুন চুক্তির অধীনে যেসব আশ্রয়প্রার্থীর নিরাপত্তাসংক্রান্ত দাবি প্রত্যাখ্যাত হবে, তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।

বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এই চুক্তির সমালোচনা করেছে। তারা সতর্ক করে বলেছে, চুক্তিটি আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে এবং এর ফলে তাদের অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।