ঢাকা ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
ঢাকা ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

রোমে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈশাখী উৎসব

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২ মে ২০২৬, ০৩:১৫ পিএম

রোমে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈশাখী উৎসব

ইতালির রাজধানী রোমে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্ম এবং বিদেশিদের সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যে তোসকোলানা সমাজ কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে বর্ণাঢ্য বৈশাখী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতি বছরের মতো এবারও আয়োজিত এই উৎসবকে ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।

শোভাযাত্রা ও উদ্বোধন

অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলা নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে একটি বর্ণিল শোভাযাত্রা বের করা হয়। পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের সূচনা করা হয়। এতে সমিতির নেতৃবৃন্দ, প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন আঞ্চলিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, স্থানীয় ইতালীয় নাগরিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

সবার উপস্থিতিতে উৎসবস্থল যেন এক টুকরো বাংলাদেশে পরিণত হয়। প্রবাসীদের মিলনমেলায় রূপ নেয় পুরো অনুষ্ঠানস্থল।

আলোচনা সভা

সংগঠনের সভাপতি জাহিদ হাসান খোকনের সভাপতিত্বে এবং প্রধান সমন্বয়ক হাসান ইকবালের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রবাসে বেড়ে ওঠা শিশু-কিশোরদের বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও শেকড়ের সঙ্গে পরিচিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

এসময় বর্ষবরণ ও বৈশাখী মেলা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মো. শাহীন, জাহাঙ্গীর আলম, নুরুল ইসলাম মাদবর, মিয়া কাউসার, বাবু ঢালী, মোশাররফ হোসেন মামুন, তারেক হোসেন, মনির হোসেন, শাহজাহান পাটওয়ারি, শেখ খোকন, আব্দুস সাত্তার, দেলোয়ার হোসেন, সোহরাব সরকার, আলমগীর হোসেন, সুজন হাওলাদার, মো. শাহজাহান কর্নেল, উদ্দিন রাজু, রাশেদ খান, মেলার সম্মানয়ক খন্দকার নাসির উদ্দিন, নয়না আহমেদ, সঙ্গীতা ইসলাম সানজিদাসহ অন্যান্য সদস্যরা।

সাংস্কৃতিক আয়োজন ও আকর্ষণ

বৈশাখী উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে নাচ, গান, কবিতা আবৃত্তি ও লোকজ পরিবেশনার মাধ্যমে বাংলা সংস্কৃতির নানা দিক তুলে ধরা হয়। শিশু-কিশোরদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। পাশাপাশি ছিল বাংলা ঐতিহ্যবাহী ঘুড়ি উড়ানোসহ বিভিন্ন দেশীয় ঐতিহ্যের প্রদর্শনী।

অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করে অতিথিরা আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।