ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
সর্বশেষ
হেলিকপ্টার হারিয়ে ইরানে মার্কিন হামলা, বাহরাইন ও জর্ডানে পাল্টা হামলা ইরানের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন ইসরায়েলে ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: ইরানের সঙ্গে যুক্ত হলো হুতিরা বিশ্বকাপ ২০২৬: ফেভারিট কারা, চমক দেখাবে কোন দল? শুরু হচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপ : কোন দেশের খেলা কখন—জেনে নিন রামিসা ধর্ষণ-হত্যার ১৯ দিনের মাথায় সোহেল-স্বপ্না দম্পতির ফাঁসির রায় হোয়াইট হাউসের কাছে ফের গুলি, বন্দুকধারী নিহত ট্রাম্প কি ইরান যুদ্ধে হারছেন? হামে প্রতিদিন গড়ে ৭ শিশুর প্রাণহানি : রাজশাহী থেকে যেভাবে দেশজুড়ে ছড়াল লন্ডনে বাবু-রুপাসহ গ্রেপ্তার সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের নিন্দা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিয়ম : গ্রিন কার্ড পেতে বিদেশিদের দেশে ফিরতে হবে হামে শিশু মৃত্যু বাড়ছেই: টিকার ঘাটতি নিয়ে ইউনিসেফের ৫ চিঠিতেও সতর্ক হয়নি ইউনূস সরকার শেখ হাসিনা সাক্ষাৎকার : গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার গর্ব নিয়ে দেশে ফিরব আ.লীগের ব্যাক করা নিয়ে মাহফুজের পোস্ট, যা লিখলেন প্রবাসীকে বাসায় ডেকে হত্যা: প্রেমিকার হাতে ভয়াবহ খণ্ডিত লাশ তনু হত্যা মামলায় নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য: ডিএনএ পরীক্ষায় আরও এক পুরুষের রক্ত শনাক্ত ছাত্রদল-এনসিপি উত্তেজনা, চট্টগ্রাম নগরীতে মিছিল-মিটিং নিষিদ্ধ কারিনা কায়সার: হাসিমাখা মুখের মেয়েটি নিথর হয়ে গেল ফেসবুকে ‘হা হা’ রিঅ্যাক্ট দেওয়ায় বিএনপি কর্মীদের হামলা: সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে মায়ের মৃত্যু শেষ বিশ্বকাপে মেসি-রোনালদো: কোয়ার্টার ফাইনালেই কি দেখা হচ্ছে দুই মহাতারকার? প্রিন্স উইলিয়ামের কাছ থেকে এমবিই সম্মাননা গ্রহণ করলেন আবু তাহের আরব আমিরাতে ঈদুল আজহা হতে পারে ২৭ মে প্রবাসী কার্ড কারা পাবেন, কী কী সুবিধা থাকছে? ওমানে মর্মান্তিক মৃত্যু: বিয়ের কেনাকাটায় গিয়ে প্রাণ হারালেন চট্টগ্রামের ৪ ভাই যুক্তরাজ্যে কেন বারবার প্রধানমন্ত্রী বদলাচ্ছে? স্টারমারের পর কে? ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় লেবাননে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার, আরেকজন নিখোঁজ চট্টগ্রামে গুলিবিদ্ধ শিশুর মৃত্যু: রৌফাবাদের ঘটনায় চাঞ্চল্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির পরও বিরোধীদের অবিশ্বাস কেন? নিউইয়র্কে ইন্তেকাল করেছেন সিলেটের গোলাপগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কামাল আহমদ রোমে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈশাখী উৎসব

হরমুজ প্রণালি দিয়ে দিনে ১৫ জাহাজ যেতে দেবে ইরান, ট্রাম্পের ক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪১ এএম

হরমুজ প্রণালি দিয়ে দিনে ১৫ জাহাজ যেতে দেবে ইরান, ট্রাম্পের ক্ষোভ
হরমুজ প্রণালি

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা হয়েছে। তবে এটি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, এই পথ দিয়ে চলাচলে কঠোর শর্ত ও সতর্কতা মেনে চলতে হবে এবং আগের অবস্থায় ফিরতে সময় লাগবে।


দিনে মাত্র ১৫ জাহাজ চলাচলের অনুমতি

ইরান ঘোষণা করেছে, প্রণালি খুললেও সীমাহীন জাহাজ চলাচলের সুযোগ থাকবে না। দিনে সর্বোচ্চ ১৫টি জাহাজ চলাচল করতে পারবে। পাকিস্তানের ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠকের আগে এক ইরানি কর্মকর্তা রাশিয়ার বার্তা সংস্থা তাস-কে এ তথ্য জানান।


ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেছেন। তার মতে, তেলবাহী জাহাজ চলাচলে ইরান “নিম্নমানের” ও “অসম্মানজনক” আচরণ করছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প বলেন, “হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহনের সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে ইরান অত্যন্ত বাজেভাবে কাজ করছে। অনেকে একে অসম্মানজনক আচরণও বলতে পারেন।”

এছাড়া তিনি আরও বলেন, “আমাদের মধ্যে এমন কোনও চুক্তি হয়নি!”


কড়া শর্ত ও আইআরজিসি নিয়ন্ত্রণ

ইরান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেতে হলে জাহাজগুলোকে আগে অনুমতি নিতে হবে এবং নির্দিষ্ট প্রটোকল মেনে চলতে হবে। বর্তমানে দিনে ১৫টির কম জাহাজকেও অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালিত হচ্ছে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর তত্ত্বাবধানে।


স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সময় লাগবে

ইরানের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই জলপথে জাহাজ চলাচল দ্রুত আগের অবস্থায় ফিরবে না। অথচ এই প্রণালি দিয়েই বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ অশোধিত তেল পরিবহন হয়।


যুদ্ধের প্রভাব ও জ্বালানি সংকট

গত ফেব্রুয়ারিতে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলে তেহরান কার্যত প্রণালিটি বন্ধ করে দেয়। এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়।


ট্রাম্পের হুমকি ও অবস্থান পরিবর্তন

হরমুজ না খুললে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে হামলার হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতির পর তিনি সেই অবস্থান থেকে সরে আসেন।


নতুন রুট ও নিরাপত্তা ঝুঁকি

আইআরজিসি একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছে, যেখানে জাহাজগুলোকে ওমান উপকূলের প্রচলিত পথ বাদ দিয়ে ইরান উপকূলের কাছ দিয়ে চলতে বলা হয়েছে। কারণ, মূল ট্রাফিক জোনে জাহাজ বিধ্বংসী মাইন থাকার আশঙ্কা রয়েছে।


টোল আরোপের পরিকল্পনা

ইরানি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, প্রতিটি জাহাজ থেকে সর্বোচ্চ ২০ লাখ ডলার টোল নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া প্রতি ব্যারেল তেলে ১ ডলার হারে টোল নেওয়া হতে পারে। এই অর্থ যুদ্ধের ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠনে ব্যবহার করা হবে এবং ওমানের সঙ্গে ভাগাভাগি করা হতে পারে।