🔹 হামলার ঘটনা
ইরাকের রাজধানী বাগদাদ-এর মার্কিন দূতাবাসে রকেট ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর ইরাকে মার্কিন স্থাপনাকে লক্ষ্য করে এটিই সবচেয়ে তীব্র হামলা বলে জানিয়েছেন নিরাপত্তা কর্মকর্তারা।
🔹 কখন ও কীভাবে হামলা
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বরাতে রয়টার্স জানায়, ১৭ মার্চ ২০২৬, মঙ্গলবার ভোররাতে নগরীর আশপাশ থেকে দূতাবাস লক্ষ্য করে একাধিক রকেট ও অন্তত পাঁচটি ড্রোন ছোড়া হয়।
🔹 প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা
রয়টার্সের এক প্রত্যক্ষদর্শী সংবাদাতা দূতাবাসের দিকে অন্তত তিনটি রকেট যেতে দেখেছেন। এর মধ্যে দুটি দূতাবাসের সি-র্যাম এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম গুলি করে ভূপাতিত করে। তবে তৃতীয়টি দূতাবাস কম্পাউন্ডের ভেতরে আঘাত হানে। এতে সেখানে আগুন লাগে এবং ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়।
🔹 হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি
তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। রয়টার্সের আরেক প্রত্যক্ষদর্শী বাগদাদে আরও একটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন।
🔹 দূতাবাসের প্রতিক্রিয়া
মন্তব্যের জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করলে মার্কিন দূতাবাসের ফোন বন্ধ পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
🔹 হামলার পটভূমি
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর প্রতিশোধ হিসেবে ইরাকে মার্কিন স্বার্থের ওপর হামলা চালাচ্ছে দেশটির ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়ারা।
🔹 মিলিশিয়া গোষ্ঠীর দাবি
সোমবার ইরানের মিত্র ইরাকি সশস্ত্র গোষ্ঠী কাতাইব হিজবুল্লাহ জানায়, তাদের এক জ্যেষ্ঠ কমান্ডার নিহত হয়েছেন।
এরপর আরেক মিত্র গোষ্ঠী পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস জানায়, সিরিয়া সীমান্তবর্তী শহর আল-কাইমে বিমান হামলায় তাদের অন্তত আট যোদ্ধা নিহত হয়েছে।
🔹 নিরাপত্তা জোরদার
ইরাকের নিরাপত্তা বাহিনীকে বাগদাদের বিভিন্ন এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে। নগরীর সুরক্ষিত গ্রিন জোন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই এলাকাতেই ইরাকের সরকারি দপ্তর ও মার্কিন দূতাবাসসহ বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশন অবস্থিত।
-
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জড়াবে না যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও গ্রিস
-
আরব আমিরাতে বাংলাদেশিসহ ৩৫ জন গ্রেপ্তার
-
শব্দের চেয়ে ১৩ গুণ দ্রুত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইসরায়েলে ইরানের হামলা, দুবাই বিমানবন্দরে ফ্লাইট স্থগিত
-
মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্যের ১২ দেশ ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় ট্রাম্পের উদ্যোগে ফ্রান্সের না
-
ইরানের জ্বালানিসমৃদ্ধ খার্ক দ্বীপে ভয়াবহ মার্কিন হামলা, চরম প্রতিশোধের শঙ্কা