ঢাকা ০২:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

তারেক রহমানের সম্পদ প্রায় ২ কোটি, মামলা ৭৭টি
হলফনামা: 

৫২ বাংলা
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৫:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 85

তারেক রহমান

অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে হলফনামা দাখিল করেছেন, সেখানে তিনি নিজের সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা উল্লেখ করেছেন।

দেড় দশকের নির্বাসিত জীবন শেষে বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফেরা বিএনপি নেতা হলফনামায় আরও জানিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে মোট ৭৭টি মামলা ছিল এবং সবগুলো মামলা থেকেই তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন।

আয়কর বিবরণীতে ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরে তারেক রহমানের বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে পৌনে ৭ লাখ টাকা। ৫৭ বছর বয়সী এই রাজনীতিক বগুড়া-৬ আসনের পাশাপাশি ঢাকা-১৭ (গুলশান–বনানী) আসন থেকেও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

নির্বাচনি বিধি অনুযায়ী, মনোনয়নপত্রের সঙ্গে প্রার্থীর হলফনামায় ১০ ধরনের তথ্য দেওয়া বাধ্যতামূলক, যা নির্বাচনি আইন অনুযায়ী প্রকাশযোগ্য।

হলফনামার তথ্যে বলা হয়েছে, বর্তমানে তারেক রহমানের নামে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই। ২০০৪ সাল থেকে দায়ের হওয়া ৭৭টি মামলার প্রতিটি থেকেই তিনি পর্যায়ক্রমে অব্যাহতি পেয়েছেন।

শেয়ার, সঞ্চয়পত্র, বন্ড ও ব্যাংক আমানত থেকে তারেক রহমানের আয় দেখানো হয়েছে ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা। তার নামে নগদ অর্থ ও ব্যাংকে জমা রয়েছে ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৪২৮ টাকা। পাশাপাশি তার স্ত্রীর নামে জমা রয়েছে ৬৬ লাখ ৫৪ হাজার ৭৪৭ টাকা।

হলফনামা অনুযায়ী, তারেক রহমানের নামে এফডিআর রয়েছে ৯০ লাখ ২৪ হাজার ৩০৭ টাকা এবং তার স্ত্রী জুবাইদা রহমানের নামে এফডিআর রয়েছে ৩৫ লাখ টাকা।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, তারেক রহমান, তার স্ত্রী কিংবা নির্ভরশীল কারও নামে কোনো দায়, সরকারি পাওনা বা ঋণ নেই।

আয়কর বিবরণী অনুসারে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার ১৮৫ টাকা। সর্বশেষ অর্থবছরে তার আয়ের পরিমাণ ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা, যার বিপরীতে তিনি আয়কর দিয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৪৫৩ টাকা।

অন্যদিকে, চিকিৎসক স্ত্রী জুবাইদা রহমানের সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৫ লাখ ৩০ হাজার ১৯১ টাকা। সর্বশেষ অর্থবছরে তার আয় ৩৫ লাখ ৬০ হাজার ৯২৫ টাকা এবং আয়কর পরিশোধ করেছেন ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৭১৩ টাকা।

কোন বছরে কয়টি মামলায় অব্যাহতি

বিএনপির এই নেতা তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব ৭৭টি মামলা থেকেই অব্যাহতি পেয়েছেন। এসব মামলার বড় অংশ দায়ের হয়েছিল ২০০৪, ২০০৭, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে।

২০০৭ সালের মার্চে জারি হওয়া জরুরি ক্ষমতা বিধিমালার আওতায় দায়ের হওয়া একটি মামলা খারিজ ও বেকসুর খালাস হয় ২০০৯ সালের ১৬ এপ্রিল।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে সবচেয়ে বেশি—৪২টি মামলায়—খালাস পান তারেক রহমান।

এ ছাড়া ২০১৪ সালে একটি, ২০১৫ সালে তিনটি, ২০১৬ সালে আটটি, ২০১৭ সালে ছয়টি, ২০১৮ সালে চারটি, ২০১৯ সালে পাঁচটি, ২০২০ সালে একটি, ২০২১ সালে একটি এবং ২০২২ সালে পাঁচটি মামলায় তিনি অব্যাহতি পান।

একনজরে তারেক রহমানের হলফনামা

তারেক রহমানের বাবা জিয়াউর রহমান, মা বেগম খালেদা জিয়া, স্ত্রী জুবাইদা রহমান, কন্যা জায়মা জারনাজ রহমান।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: উচ্চ মাধ্যমিক।
পেশা: রাজনীতিক।
বর্তমান ঠিকানা: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের গুলশান অ্যাভেনিউয়ের এন ই-ডি-৩/বি নম্বর বাসা। জন্ম ১৯৬৮ সালের ২০ নভেম্বর। (তবে আয়কর বিবরণীতে জন্ম তারিখ ২০ নভেম্বর ১৯৬৭ সাল উল্লেখ রয়েছে)
আয়ের উৎস: শেয়ার/সঞ্চয়পত্র/বন্ড/ব্যাংক আমানত—৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা।
অস্থাবর সম্পদ: নগদ ও ব্যাংক জমা ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৪২৮ টাকা; স্ত্রীর নামে জমা ৬৬ লাখ ৫৪ হাজার ৭৪৭ টাকা। শেয়ার ৫ লাখ টাকা, কোম্পানির শেয়ার ৪৫ লাখ টাকা এবং কোম্পানির ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার শেয়ার। নিজের সঞ্চয়পত্র আমানত ২০ হাজার টাকা, এফডিআর ৯০ লাখ ২৪ হাজার ৩০৭ টাকা; স্ত্রীর সঞ্চয়ী আমানত ২০ হাজার টাকা ও এফডিআর ৩৫ লাখ টাকা। অর্জনকালীন স্বর্ণ ২ হাজার ৯৫০ টাকা (অধিগ্রহণকালীন মূল্য) এবং আসবাবপত্র ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকা।
স্থাবর সম্পদ: অর্জনকালীন ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা মূল্যের ২.০১ একর ও ১.৪ শতাংশ জমি। নিজের নামে ২.৯ শতাংশ জমি। যৌথ মালিকানায় ১১১.২৫ শতাংশ জমি ও ৮০০ বর্গফুটের দোতলা ভবন।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হলফনামায় অসত্য তথ্য দিলে পার পাওয়ার সুযোগ নেই। নির্বাচিত হওয়ার পরও যদি ভুল বা অসত্য তথ্য ধরা পড়ে, তাহলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা নিতে পারবে কমিশন।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের বিপরীতে আড়াই সহস্রাধিক মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। এর মধ্যে অর্ধশতাধিক দলের পক্ষ থেকে প্রার্থী হতে চান দুই সহস্রাধিক ব্যক্তি, আর বাকিরা স্বতন্ত্র প্রার্থী। বিএনপির প্রার্থী সংখ্যা ৩৩১ জন।

মনোনয়ন বাছাই, আপিল ও নিষ্পত্তি শেষে আগামী ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা চূড়ান্ত হবে। পরদিন রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেবেন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

তারেক রহমানের সম্পদ প্রায় ২ কোটি, মামলা ৭৭টি
হলফনামা: 

আপডেট সময় : ০৯:৫৫:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে হলফনামা দাখিল করেছেন, সেখানে তিনি নিজের সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা উল্লেখ করেছেন।

দেড় দশকের নির্বাসিত জীবন শেষে বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফেরা বিএনপি নেতা হলফনামায় আরও জানিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে মোট ৭৭টি মামলা ছিল এবং সবগুলো মামলা থেকেই তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন।

আয়কর বিবরণীতে ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরে তারেক রহমানের বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে পৌনে ৭ লাখ টাকা। ৫৭ বছর বয়সী এই রাজনীতিক বগুড়া-৬ আসনের পাশাপাশি ঢাকা-১৭ (গুলশান–বনানী) আসন থেকেও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

নির্বাচনি বিধি অনুযায়ী, মনোনয়নপত্রের সঙ্গে প্রার্থীর হলফনামায় ১০ ধরনের তথ্য দেওয়া বাধ্যতামূলক, যা নির্বাচনি আইন অনুযায়ী প্রকাশযোগ্য।

হলফনামার তথ্যে বলা হয়েছে, বর্তমানে তারেক রহমানের নামে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই। ২০০৪ সাল থেকে দায়ের হওয়া ৭৭টি মামলার প্রতিটি থেকেই তিনি পর্যায়ক্রমে অব্যাহতি পেয়েছেন।

শেয়ার, সঞ্চয়পত্র, বন্ড ও ব্যাংক আমানত থেকে তারেক রহমানের আয় দেখানো হয়েছে ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা। তার নামে নগদ অর্থ ও ব্যাংকে জমা রয়েছে ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৪২৮ টাকা। পাশাপাশি তার স্ত্রীর নামে জমা রয়েছে ৬৬ লাখ ৫৪ হাজার ৭৪৭ টাকা।

হলফনামা অনুযায়ী, তারেক রহমানের নামে এফডিআর রয়েছে ৯০ লাখ ২৪ হাজার ৩০৭ টাকা এবং তার স্ত্রী জুবাইদা রহমানের নামে এফডিআর রয়েছে ৩৫ লাখ টাকা।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, তারেক রহমান, তার স্ত্রী কিংবা নির্ভরশীল কারও নামে কোনো দায়, সরকারি পাওনা বা ঋণ নেই।

আয়কর বিবরণী অনুসারে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার ১৮৫ টাকা। সর্বশেষ অর্থবছরে তার আয়ের পরিমাণ ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা, যার বিপরীতে তিনি আয়কর দিয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৪৫৩ টাকা।

অন্যদিকে, চিকিৎসক স্ত্রী জুবাইদা রহমানের সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৫ লাখ ৩০ হাজার ১৯১ টাকা। সর্বশেষ অর্থবছরে তার আয় ৩৫ লাখ ৬০ হাজার ৯২৫ টাকা এবং আয়কর পরিশোধ করেছেন ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৭১৩ টাকা।

কোন বছরে কয়টি মামলায় অব্যাহতি

বিএনপির এই নেতা তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব ৭৭টি মামলা থেকেই অব্যাহতি পেয়েছেন। এসব মামলার বড় অংশ দায়ের হয়েছিল ২০০৪, ২০০৭, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে।

২০০৭ সালের মার্চে জারি হওয়া জরুরি ক্ষমতা বিধিমালার আওতায় দায়ের হওয়া একটি মামলা খারিজ ও বেকসুর খালাস হয় ২০০৯ সালের ১৬ এপ্রিল।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে সবচেয়ে বেশি—৪২টি মামলায়—খালাস পান তারেক রহমান।

এ ছাড়া ২০১৪ সালে একটি, ২০১৫ সালে তিনটি, ২০১৬ সালে আটটি, ২০১৭ সালে ছয়টি, ২০১৮ সালে চারটি, ২০১৯ সালে পাঁচটি, ২০২০ সালে একটি, ২০২১ সালে একটি এবং ২০২২ সালে পাঁচটি মামলায় তিনি অব্যাহতি পান।

একনজরে তারেক রহমানের হলফনামা

তারেক রহমানের বাবা জিয়াউর রহমান, মা বেগম খালেদা জিয়া, স্ত্রী জুবাইদা রহমান, কন্যা জায়মা জারনাজ রহমান।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: উচ্চ মাধ্যমিক।
পেশা: রাজনীতিক।
বর্তমান ঠিকানা: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের গুলশান অ্যাভেনিউয়ের এন ই-ডি-৩/বি নম্বর বাসা। জন্ম ১৯৬৮ সালের ২০ নভেম্বর। (তবে আয়কর বিবরণীতে জন্ম তারিখ ২০ নভেম্বর ১৯৬৭ সাল উল্লেখ রয়েছে)
আয়ের উৎস: শেয়ার/সঞ্চয়পত্র/বন্ড/ব্যাংক আমানত—৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা।
অস্থাবর সম্পদ: নগদ ও ব্যাংক জমা ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৪২৮ টাকা; স্ত্রীর নামে জমা ৬৬ লাখ ৫৪ হাজার ৭৪৭ টাকা। শেয়ার ৫ লাখ টাকা, কোম্পানির শেয়ার ৪৫ লাখ টাকা এবং কোম্পানির ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার শেয়ার। নিজের সঞ্চয়পত্র আমানত ২০ হাজার টাকা, এফডিআর ৯০ লাখ ২৪ হাজার ৩০৭ টাকা; স্ত্রীর সঞ্চয়ী আমানত ২০ হাজার টাকা ও এফডিআর ৩৫ লাখ টাকা। অর্জনকালীন স্বর্ণ ২ হাজার ৯৫০ টাকা (অধিগ্রহণকালীন মূল্য) এবং আসবাবপত্র ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকা।
স্থাবর সম্পদ: অর্জনকালীন ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা মূল্যের ২.০১ একর ও ১.৪ শতাংশ জমি। নিজের নামে ২.৯ শতাংশ জমি। যৌথ মালিকানায় ১১১.২৫ শতাংশ জমি ও ৮০০ বর্গফুটের দোতলা ভবন।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হলফনামায় অসত্য তথ্য দিলে পার পাওয়ার সুযোগ নেই। নির্বাচিত হওয়ার পরও যদি ভুল বা অসত্য তথ্য ধরা পড়ে, তাহলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা নিতে পারবে কমিশন।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের বিপরীতে আড়াই সহস্রাধিক মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। এর মধ্যে অর্ধশতাধিক দলের পক্ষ থেকে প্রার্থী হতে চান দুই সহস্রাধিক ব্যক্তি, আর বাকিরা স্বতন্ত্র প্রার্থী। বিএনপির প্রার্থী সংখ্যা ৩৩১ জন।

মনোনয়ন বাছাই, আপিল ও নিষ্পত্তি শেষে আগামী ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা চূড়ান্ত হবে। পরদিন রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেবেন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।