ঢাকা ০৯:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘মহিলা সমাবেশ’ স্থগিত করল জামায়াত, কারণ কী? ‘নবীগঞ্জের ইতিকথা’র মোড়ক উন্মোচন বেশিরভাগ দেশই নারী নেতৃত্বকে ‘বাস্তবসম্মত মনে করে না’ : আল জাজিরার সাক্ষাৎকারে জামায়াত আমির প্রবাসীদের দাবিতে সিলেট-ম্যানচেস্টার ফ্লাইট বাঁচাতে বিএনপির উদ্যোগ ৬২টি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী ৭২ জন  কাকরদিয়া- তেরাদল- আলিপুর এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু জামায়াত আমির বললেন, গালে হাত দিয়ে বসে থাকব না, গর্জে উঠব পাঁচ লাখ অভিবাসীকে বৈধ করবে স্পেন পৃথিবীতে জালিয়াতিতে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ: প্রধান উপদেষ্টা পুরস্কার ঘোষণা করে কী লাভ হলো? লুটের অস্ত্র অপরাধীদের হাতে, নির্বাচন ঘিরে ‘বাড়তি উদ্বেগ’

  শিশুর সাথে যে কথা বলা উচিত অথবা উচিত না   

৫২ বাংলা
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • / 789
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

মানবিক ও আদর্শ  পরিবার ও সমাজ বিনির্মাণে শিশুদের  পজিটিভ চিন্তা ও চেতনায় তৈরী করা জরুরী বলে জ্ঞানীরা সব সময় বলে থাকেন। বলা হয়ে থাকে  একটি আলোকিত সমাজের আয়না হলো কোমলমতি শিশুরা। পরিবার ও সমাজ  নিস্পাপ কোমলমতি শিশুদের চোখে সুন্দর আগামী দেখে।

আপনার শিশুকে বলবেন না:

দেয়ালে দৃশ্য বা ছবি এঁকো না।

বরং তাকে বলুন:

তুমি তোমার খাতায় দৃশ্য বা ছবি আঁকো, আঁকা শেষ হলে দৃশ্য বা ছবিটা দেয়ালে বা ফ্রিজের ওপর বা বোর্ডে ঝুলিয়ে দিবে।

আপনার সন্তানকে বলবেন না:

উঠো! নামাজ পড়ে নাও, না হলে জাহান্নামে যাবে।

বরং তাকে বলুন:

চলো! একসাথে নামাজ টা আদায় করে নি, তাহলে জান্নাতেও একসাথে থাকতে পারবো।

আপনার সন্তানকে বলবেন না:

এই তোমার রোম টা পরিষ্কার করে নাও । ইশ ! খোয়াড় বানিয়ে রেখেছে রোম টাকে।

বরং তাকে বলুন:

তোমার রোম টা কি তুমি একাই গোছাতে পারবে? নাকি আমি সাহায্য করবো? তুমি তো সব সময় একাই সবকিছু গুছিয়ে রাখো।

সন্তানকে বলবেন না:

হয়েছে খেলাধূলা ছেড়ে এবার পড়তে বসো। খেলার চেয়ে পড়ালেখা গুরুত্বপূর্ণ।

বরং তাকে বলুন:

তুমি তাড়াতাড়ি আজকের পড়াটা শেষ করে ফেলো, তাহলে পরে খেলার জন্য অনেক সময় পাবে।

 আপনার সন্তানকে বলবেন না:

এই! দাঁত ব্রাশ করো, আমি না বললে দেখি তুমি দাঁতে হাতই দাও না।

বরং বলুন:

তুমি তো দেখি আমি বলার আগেই দাঁত পরিষ্কার করে ফেলো!

আপনার সন্তানকে বলবেন না:

বাম কাত হয়ে শুয়ো না।

বরং তাকে বলুন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে ডান কাত হয়ে শুতে শিখিয়েছেন।

 আপনার সন্তানকে বলবেন না:

একদম চকলেট খাবে না। সারাদিন শুধু চকলেট আর চকলেট। দাঁতগুলো তো সব এভাবেই যাবে।

বরং তাকে বলুন:

তোমাকে দিনে একবার চকলেট খাওয়ার অনুমিত দেয়া যাবে, কারণ তুমি নিজ দায়িত্বেই প্রতিদিন দাঁত পরিষ্কার করে ফেলো।

কথা ও আচরণে জীবন ব্যক্তিত্বময় হয়ে ওঠে। মানুষ মানুষের চোখে হয় অনন্য । পজিটিভ চিন্তা ও চর্চা- আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে আলোকিত ওঠে গড়ে তুলার কাজটি সহজ করে দিবে পারে  । জীবনের জয় হোক।

সামাজিক যোগাযোগ থেকে নেয়া:

( নামহীন ) লেখকের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা

সম্পাদনা : আনোয়ারুল ইসলাম অভি । কণ্ঠ : রেজওয়ানা আহমেদ

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আনোয়ারুল ইসলাম অভি

সম্পাদক; ৫২বাংলাটিভি ডটকম
ট্যাগস :

  শিশুর সাথে যে কথা বলা উচিত অথবা উচিত না   

আপডেট সময় : ০৫:৩৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১

 

মানবিক ও আদর্শ  পরিবার ও সমাজ বিনির্মাণে শিশুদের  পজিটিভ চিন্তা ও চেতনায় তৈরী করা জরুরী বলে জ্ঞানীরা সব সময় বলে থাকেন। বলা হয়ে থাকে  একটি আলোকিত সমাজের আয়না হলো কোমলমতি শিশুরা। পরিবার ও সমাজ  নিস্পাপ কোমলমতি শিশুদের চোখে সুন্দর আগামী দেখে।

আপনার শিশুকে বলবেন না:

দেয়ালে দৃশ্য বা ছবি এঁকো না।

বরং তাকে বলুন:

তুমি তোমার খাতায় দৃশ্য বা ছবি আঁকো, আঁকা শেষ হলে দৃশ্য বা ছবিটা দেয়ালে বা ফ্রিজের ওপর বা বোর্ডে ঝুলিয়ে দিবে।

আপনার সন্তানকে বলবেন না:

উঠো! নামাজ পড়ে নাও, না হলে জাহান্নামে যাবে।

বরং তাকে বলুন:

চলো! একসাথে নামাজ টা আদায় করে নি, তাহলে জান্নাতেও একসাথে থাকতে পারবো।

আপনার সন্তানকে বলবেন না:

এই তোমার রোম টা পরিষ্কার করে নাও । ইশ ! খোয়াড় বানিয়ে রেখেছে রোম টাকে।

বরং তাকে বলুন:

তোমার রোম টা কি তুমি একাই গোছাতে পারবে? নাকি আমি সাহায্য করবো? তুমি তো সব সময় একাই সবকিছু গুছিয়ে রাখো।

সন্তানকে বলবেন না:

হয়েছে খেলাধূলা ছেড়ে এবার পড়তে বসো। খেলার চেয়ে পড়ালেখা গুরুত্বপূর্ণ।

বরং তাকে বলুন:

তুমি তাড়াতাড়ি আজকের পড়াটা শেষ করে ফেলো, তাহলে পরে খেলার জন্য অনেক সময় পাবে।

 আপনার সন্তানকে বলবেন না:

এই! দাঁত ব্রাশ করো, আমি না বললে দেখি তুমি দাঁতে হাতই দাও না।

বরং বলুন:

তুমি তো দেখি আমি বলার আগেই দাঁত পরিষ্কার করে ফেলো!

আপনার সন্তানকে বলবেন না:

বাম কাত হয়ে শুয়ো না।

বরং তাকে বলুন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে ডান কাত হয়ে শুতে শিখিয়েছেন।

 আপনার সন্তানকে বলবেন না:

একদম চকলেট খাবে না। সারাদিন শুধু চকলেট আর চকলেট। দাঁতগুলো তো সব এভাবেই যাবে।

বরং তাকে বলুন:

তোমাকে দিনে একবার চকলেট খাওয়ার অনুমিত দেয়া যাবে, কারণ তুমি নিজ দায়িত্বেই প্রতিদিন দাঁত পরিষ্কার করে ফেলো।

কথা ও আচরণে জীবন ব্যক্তিত্বময় হয়ে ওঠে। মানুষ মানুষের চোখে হয় অনন্য । পজিটিভ চিন্তা ও চর্চা- আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে আলোকিত ওঠে গড়ে তুলার কাজটি সহজ করে দিবে পারে  । জীবনের জয় হোক।

সামাজিক যোগাযোগ থেকে নেয়া:

( নামহীন ) লেখকের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা

সম্পাদনা : আনোয়ারুল ইসলাম অভি । কণ্ঠ : রেজওয়ানা আহমেদ