ঢাকা ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত আমিরের এক্সের অ্যাকাউন্ট উদ্ধার, ৪৫ মিনিট সময় নিয়ে কেন সন্দেহ? জামায়াত আমিরের ‘নারী বিদ্বেষী’ পোস্ট ঘিরে উত্তাপ, বিক্ষোভ ও ঝাড়ু মিছিল মুস্তাফিজ শফি দেশ রূপান্তরের সম্পাদকের দায়িত্ব নিলেন  ‘নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা করার মধ্য দিয়ে আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে’ জামায়াত আমিরের ‘নারীবিদ্বেষী’ পোস্ট: আইডি হ্যাকের দাবি কতটা যৌক্তিক, প্রশ্ন বিএনপির প্রতিদ্বন্দ্বী রইল না হাসনাত আবদুল্লাহর, ঋণখেলাপিদের নিয়ে যা বললেন ঢাবিতে ছাত্রদলের মিছিল: ‘এমন হ্যাকার করলো হ্যাক, বেশ্যা ডেকে আইডি ব্যাক’ জামায়াত আমিরের এক্স ‘পোস্ট’ ঘিরে কেন এত আলোচনা টাওয়ার হ্যামলেটসে কমিউনিটি ল্যাঙ্গুয়েজেস সার্ভিস উদ্বোধন ভিসা ছাড়াই চীন ভ্রমণ করতে পারবে ব্রিটিশ নাগরিকরা : যুক্তরাজ্য-চীন ১০ চুক্তি

এবারও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রাবেল গোলাপগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত

৫২ বাংলা
  • আপডেট সময় : ০৯:০৩:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২১
  • / 918
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নির্বাচনের পূর্ব পর্যন্ত তিনি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, পৌরসভার বর্তমান মেয়রও। তবু দলীয় মনোনয়ন পাননি আমিনুল ইসলাম রাবেল। দল মনোনিত না করলেও পৌরবাসী আবারও ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করেছে। সিলেটের গোলাপগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনে টানা দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের এই বিদ্রোহী প্রার্থী।

জগ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন রাবেল। পৌরসভার ৯ কেন্দ্রে রাবেল পেয়েছেন ৫ হাজার ৮৫১টি ভোট।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জাকারিয়া আহমদ পাপলুও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। মোবাইল ফোন প্রতীকে সাবেক এই মেয়র পেয়েছেন ৪৫৫৮টি ভোট।

রাবেলের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়ে তুলতে পারেননি আওয়ামী লীগের প্রার্থী। এখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. রুহেল আহমদ পেয়েছেন মাত্র ১ হাজার ১৭৫ ভোট। আর ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী শাহিন ৪ হাজার ২২২টি ভোট পেয়েছেন।

এরআগে ২০১৮ সালে এই পৌরসভার নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন রাবেল। সে নির্বাচনেও মেয়র পদে বিজয়ী হন তিনি।

দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় নির্বাচনের আগে আমিনুল ইসলাম রাবেলকে বহিস্কার করে জেলা আওয়ামী লীগ। তবু ঠেকানো যায়নি রাবেলের বিজয়। বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় জাকারিয়া আহমদ পাপলুকেও বহিস্কার করা হয়েছিলো।

শনিবার দিনভর এই পৌরসভায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত গোলাপগঞ্জ পৌরসভার মোট ভোটার ২২ হাজার ৯শ ১৬ জন।

জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা, রিটার্নিং অফিসার ফয়সাল কাদের বলেন, সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে ভোটগ্রহণ। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

এবারও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রাবেল গোলাপগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত

আপডেট সময় : ০৯:০৩:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২১

নির্বাচনের পূর্ব পর্যন্ত তিনি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, পৌরসভার বর্তমান মেয়রও। তবু দলীয় মনোনয়ন পাননি আমিনুল ইসলাম রাবেল। দল মনোনিত না করলেও পৌরবাসী আবারও ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করেছে। সিলেটের গোলাপগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনে টানা দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের এই বিদ্রোহী প্রার্থী।

জগ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন রাবেল। পৌরসভার ৯ কেন্দ্রে রাবেল পেয়েছেন ৫ হাজার ৮৫১টি ভোট।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জাকারিয়া আহমদ পাপলুও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। মোবাইল ফোন প্রতীকে সাবেক এই মেয়র পেয়েছেন ৪৫৫৮টি ভোট।

রাবেলের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়ে তুলতে পারেননি আওয়ামী লীগের প্রার্থী। এখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. রুহেল আহমদ পেয়েছেন মাত্র ১ হাজার ১৭৫ ভোট। আর ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী শাহিন ৪ হাজার ২২২টি ভোট পেয়েছেন।

এরআগে ২০১৮ সালে এই পৌরসভার নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন রাবেল। সে নির্বাচনেও মেয়র পদে বিজয়ী হন তিনি।

দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় নির্বাচনের আগে আমিনুল ইসলাম রাবেলকে বহিস্কার করে জেলা আওয়ামী লীগ। তবু ঠেকানো যায়নি রাবেলের বিজয়। বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় জাকারিয়া আহমদ পাপলুকেও বহিস্কার করা হয়েছিলো।

শনিবার দিনভর এই পৌরসভায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত গোলাপগঞ্জ পৌরসভার মোট ভোটার ২২ হাজার ৯শ ১৬ জন।

জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা, রিটার্নিং অফিসার ফয়সাল কাদের বলেন, সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে ভোটগ্রহণ। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।