রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
বাংলাদেশে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকের প্রাণহানি এবং সৃষ্ট অস্থিরতা-সহিংসতায় লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের ক্ষোভ-নিন্দা  » «   সৃজনের আলোয় মুস্তাফিজ শফি, লন্ডনে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা  » «   বৃটেনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তাহমিনার অসাধারণ সাফল্য  » «   দুই বঙ্গকন্যা ব্রিটিশ মন্ত্রীসভায় স্থান পাওয়ায় বঙ্গবন্ধু লেখক এবং সাংবাদিক ফোরামের আনন্দ সভা ও মিষ্টি বিতরণ  » «   কেয়ার হোমের লাইসেন্স বাতিলের বিরুদ্ধে আইনী লড়াইয়ে ল’ম্যাটিক সলিসিটর্সের সাফল্য  » «   যুক্তরাজ্যে আবারও চার ব্রিটিশ-বাংলাদেশী  পার্লামেন্টে  » «   আমি লুলা গাঙ্গ : আমার আর্তনাদ কেউ  কী শুনবেন?  » «   বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে লন্ডনে ইউনিভার্সেল ভয়েস ফর হিউম্যান রাইটসের সেমিনার অনুষ্ঠিত  » «   লন্ডনে বাংলা কবিতা উৎসব ৭ জুলাই  » «   হ্যাকনি সাউথ ও শর্ডিচ আসনে এমপি প্রার্থী শাহেদ হোসাইন  » «   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকে’র সাথে ঢাবি ভিসি প্রফেসর ড. এএসএম মাকসুদ কামালের মতবিনিময়  » «   মানুষের মৃত্যূ -পূর্ববর্তী শেষ দিনগুলোর প্রস্তুতি যেমন হওয়া উচিত  » «   ব্যারিস্টার সায়েফ উদ্দিন খালেদ টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের নতুন স্পীকার নির্বাচিত  » «   কানাডায় সিলেটের  কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলমকে সংবর্ধনা ও আশার আলো  » «   টাওয়ার হ্যামলেটসের নতুন লেজার সার্ভিস ‘বি ওয়েল’ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন মেয়র লুৎফুর রহমান  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন

স্পেনের বার্সেলোনায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

স্পেনের অন্যতম পর্যটন ও বাণিজ্য শহর বার্সেলোনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট অফিসের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশি কমিউনিটির সার্বিক সহযোগিতায় মহান একুশে ফেব্রুয়ারী ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়েছে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি) শহরের প্রাণকেন্দ্র প্লাসা পেদ্রোতে বার্সেলোনা মিউনিসিপ্যাল কর্তৃক স্থাপন করা ভাষা শহীদ স্মৃতিফলকের পাশে তৈরি করা অস্থায়ী শহীদ মিনার ও অনুষ্ঠান মঞ্চে বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়।

বিকেল ৫টায় একুশের গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এর পরে অস্থায়ী শহীদ মিনারে কাতালোনিয়া ও বার্সেলোনা শহরের স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন বাংলাদেশি সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন ভাষা শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

বার্সেলোনায় অবস্থিত বাংলাদেশি কনস্যুলেটর অফিসের পক্ষ কনস্যুলেটর রামন পেদ্রো বেরনাউস শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন। এছাড়া কাতালোনিয়ার স্থানীয় প্রশাসন ও বাংলাদেশি সংগঠনগুলোর মধ্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন, বার্সেলোনা সিটি করপোরেশন, রাজনৈতি সংগঠন ই আর সি, পোদেমোস, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এন কাতালোনিয়া, বাংলাদেশ যুবলীগ এন কাতালোনিয়া, বাংলাদেশ মহিলা সমিতি এন কাতালোনিয়া, বন্ধুসুলভ মহিলা সংগঠন, মহিলা আওয়ামী লীগ, সান্তাকলমা আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি কাতালোনিয়া, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল এন কাতালোনিয়া, বার্সেলোনা বাংলা স্কুল, সান্তাকলমা বাংলা স্কুল, মাদারিপুর সমিতি এন কাতালোনিয়া, শরিয়তপুর সমিতি এন কাতালোনিয়া, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন বার্সেলোনা, সুপারমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতি বার্সেলোনা, ভয়েস অব বার্সেলোনা, স্টেজ ফর ইয়ুথ ফাউন্ডেশন স্পেন, ইউথ বাংলা কালচারাল ফাউন্ডেশন স্পেনসহ প্রায় ৩০টি সংগঠন।

পুষ্পস্তবক প্রদানের পর বক্তব্য ও আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষে আজিজুল হকের দেয়া শুভেচ্ছা বক্তব্যের মাধ্যমে আলোচনা অনুষ্ঠান শুরু হয়।
শুভেচ্ছা বক্তব্য এ সময় কাতালোনিয়া ও বার্সেলোনা শহরের বিভিন্ন প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় সাংবাদিকবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসকে সমুন্নত রাখার এই বিশেষ উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার ভূয়শী প্রশংসা করে তারা বক্তব্য প্রদান করেন।

এ সময় বক্তব্য রাখেন, বার্সেলোনা সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর জরদি রাবাচ্চা, কাতালোনিয়া সংসদ সদস্য জেসিকা গনজালেস, সিটি করপোরেশন কাউন্সিলর সান্তিয়াগো ইবাররা, আনদ্রেস পেরেস, রিপাবলিকান লেফট অব কাতালোনিয়া (ইআরসি)-এর নেতৃবৃন্দের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, মার্ক বোররাস, জরদি কাইয়েখো, মারতা, আনজেল।

অনুষ্ঠানের বিশেষ আয়োজনের অংশ হিসেবে ছিলো শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। বয়সভিত্তিক ৩টি গ্রুপে প্রায় ৩০ জন শিশু বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, শহীদ মিনার ও আবহমান বাংলার দৃশ্য বিষয়ে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ৯জন শিশুকে বিজয়ী হিসেবে নির্বাচন করা হয় এবং বিজয়ী সনদসহ বিশেষ পুরষ্কার তুলে দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় বাংলাদেশি শিল্পীদের সম্মলিত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে শিল্পীবৃন্দ আবহমান বাংলার দেশাত্মবোধক গান, আধুনিক বাংলা গান ও কবিতা আবৃত্তি করা হয়।

প্রবাসের মাটিতে নানার প্রতিকূলতা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের এমন সুন্দর ও সফল আনুষ্ঠানিকতার জন্যে আয়োজকদের পক্ষ থেকে বার্সেলোনা তথা কাতালোনিয়াবাসীকে বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয় এবং অনুষ্ঠান শেষে বার্সেলোনার বাংলাদেশীদের প্রাণের দাবি একটি স্থায়ী শহীদ মিনার প্রতিষ্ঠায় এমন অনুষ্ঠান ও স্থানীয় প্রশাসনের উপস্থিতি, সেই দাবিকে আরো বেগবান ও সফল করবে বলেই দাবি করেন অনুষ্ঠানের আয়োজকবৃন্দ।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন