রবিবার, ৩ জুলাই ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
বিলেতে কারী শিল্পে ঈদের ছুটি সময়ের দাবি  » «   ঈদের ছুটি  » «   ইউরোপে জ্বালানি সংকট চরমে, বিকল্প ভাবতে হচ্ছে ইউরোপকে  » «   হাইডে প্রবীণদের স্মরণে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল  » «   ঈদের দিন হোক সবার উৎসবের দিন  » «   ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হসপিটাল সিলেটের সার্টিফিকেট বিতরণী অনুষ্ঠিত  » «   নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশী সমিতি’ ইউকে’র যাত্রা শুরু  » «   ব্রিটেন প্রবাসে ঈদ ছুটি নিয়ে ভাবনা ও আমাদের করণীয়  » «   ঈদে ছুটি নাই  » «   কমিউনিটি ও পরিবারের স্বার্থকে প্রাধান্য দিলে ঈদের ছুটি নিয়ে দ্বি-মত থাকবে না- শায়খ আব্দুল কাইয়ুম  » «   ব্রিটেনে ঈদ হলিডে : আকাঙ্ক্ষা ও বাস্তবতা  » «   দয়া নয়, ঈদের ছুটি শ্রমজীবি মুসলমানদের অধিকার  » «   ব্রিটেনে ঈদের ছুটি নিয়ে কমিউনিটি ও মানবাধিকার নেতারা যা বলেন  » «   বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃক বন্যা দুর্গতদের চিকিৎসার্থে বিনামূল্যে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «   যুক্তরাজ্যে ঈদের ছুটির দাবীতে  আলতাব আলী পার্কে সমাবেশ অনুষ্ঠিত  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


হেফাজত এবং উচ্চারিত পক্ষ-বিপক্ষ



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গুলিতে নিহত ও ভাঙচুরের ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে  হেফাজতে ইসলাম। ৩০ মার্চ জামিয়া ইউনুছিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক সংবাদ সম্মেলন করে হেফাজতে ইসলামের জেলার সাধারণ সম্পাদক মুফতি মোবারক উল্লাহ বলেন, হাটহাজারীতে পুলিশের গুলিতে চারজন নিহতের ঘটনায় শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ ও সভা-সমাবেশ করে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। সেখানে পুলিশের গুলিতে একজন নিহত হয়। পরদিন স্থানীয় এমপি ওবায়দুল মুক্তাদির চৌধুরীর নেতৃত্বে ছাত্রলীগ মাদ্রাসায় হামলা চালায়। পরে পুলিশ, বিজিবি ও ছাত্রলীগ এক হয়ে গুলিবর্ষণ করলে ঘটনাস্থলে দু’জন নিহত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, এই হামলা না চালালে পরিবেশ উত্তপ্ত হতোনা। এই হামলায় মানুষের মনে আঘাত লাগে। মাদ্রাসার প্রতি ভালোবাসার কারণে মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। পুলিশ, বিজিবি নির্বিচারে তাদের ওপর গুলি চালায়। এর পুরো দায় এমপিকে নিতে হবে। এর সঙ্গে আমরা কোনোভাবেই জড়িত না। আমরা মনে করি, তৌহিদী জনতার আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এমপি নিজেই ছাত্রলীগকে দিয়ে এসব ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছেন।

হেফাজত নিজেদেরকে পাপহীন বলে দাবী করছে । এবং সেজন্যই তারা বিচার বিভাগীয় তদন্তও দাবী করছে । ব্যাপারটা খুব স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে সাধারন মানুষের মাঝে । যেহেতু বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজে ভংচুরের ঘঠনা কিংবা অগ্নিকান্ড’র চিত্র উঠে এসেছে ।

হেফাজত যেদিন সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের পাপহীন অপরাধহীন বলে দাবী করলো, ঠিক পরদিনই রাজধানীর লালবাগ ও চকবাজারের ২ টি মাদ্রাসা থেকে ৫৯০টি ছোরা উদ্ধার করলো পুলিশ। মাদ্রাসায় ছোরা থাকার কথা নয়, সেখানে  ইসলামের আদর্শে উজ্জীবিত করার জন্য থাকার কথা শিক্ষকমন্ডলী (হুজুর), সেখানে থাকার কথা কোরান-হাদিস আর ইসলামী আকিদা শিখার কেতাব। আমি বিশ্বাস করি সেসব সেই মাদ্রাসাগুলোতে আছে। আবার পাশাপাশি পাওয়া গেছে এই ছোরাগুলোও। অর্থাৎ সেখানেও  অবৈধ অস্ত্রগুলো তারা জমা রেখেছেন । তারা এগুলো তাদের ধর্মীয় বিধি অনুযায়ী হয়ত বলবেন এগুলো তাদের ‘ঢাল’। দেশ-বিদেশের মানুষও দেখেছে  ব্রাম্মনবাড়িয়াসহ বিভিন্ন জায়গায় এগুলোর প্রদর্শনি। ছাত্রলীগ-যুবলীগ কিংবা পুলিশের বিরুদ্ধে তারাও প্রদর্শন করেছে মূলত তাদের হাতের লাঠিগুলো। যে লাঠিগুলো মূলত সমস্ত হরতালকে একটা জঙ্গী রুপ দিয়ে আতংক ছড়াতে সহায়তা করেছে ।

কিন্তু তারা সংবাদ সম্মেলনে এগুলো উচ্চারণ করেনি, বরং তারা বলেছেন, তারা আগেভাগে কোন আক্রমণ করেন নি । অর্থাৎ তাদের প্রতিপক্ষ যখন তাদেরকে আক্রমণ করেছে, তখন তারা মরিয়া হয়ে তার উত্তর দিয়েছে। আর সেকারণে খুব স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠাটা স্বাভাবিক,কে বা কারা এই ভাংচুর কিংবা শহর অশান্ত করার পেছনে কাজ করেছে। এ প্রশ্ন বিভিন্ন রাজনৈতকি প্লাটফর্ম থেকেই উঠছে । হরতালের নামে অস্থিতিশীল বাংলাদেশ দেখেছে সারা বিশ্ব। খুব স্বাভাবিকভাবেই এ চিত্রগুলো দেখার পর আমাদের বিশ্বাস করাটাই উচিৎ যে, এ তান্ডব হেফাজতিদেরই। কিন্তু রাজনৈতিক আলাপ কেন জানি তা বলছে না। সরকার কিংবা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এই জায়গাটাতে প্রধান টার্গেট করা হচ্ছে বিএনপিকে এবং আরও গভীরে গিয়ে যদি আমরা দৃষ্ঠি দেই, তাহলে দেখা যায় সন্দেহের তীর সরাসরি গিয়ে পড়ছে স্বাধীনতাবিরোধী দল জামাতে ইসলামীর উপর । ঘুরে ফিরে বলা হচ্ছে বিএনপি এবং জামাতই সুযোগ নিয়েছে ।

আলোচনার সুবিধার্তে আমরা ধরে নিলাম তারা সুযোগ নিয়েছে। রাজনীতিতো সুযোগেরই একটা জায়গা । সুযোগ কেউ হাতছাড়া করতে চায় না। আর সেজন্য হেফাজতের মাধ্যমে সন্ত্রস্থ হওয়া জনপদে বিএনপি তার রাজনৈতিক দুরভিসন্ধি কাজে লাগাতেই পারে। আবার অন্যদিকে যেহেতু হেফাজত-জামাতের দৃশ্যমান বন্ধন না থাকলেও আদর্শগত একটা মিল যে আছে, তাতো অস্বীকার করার নয়।  অর্থাৎ দুটো দলই ধর্মীয় আবেগ-অনুভূতিকে ব্যবহার করে বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের মাঝে তাদের রাজনীতির প্রভাব ছড়িয়ে দিয়েছে ও দিচ্ছে, সুতরাং তাদের রাজনৈতিক দু:সময়ে অদৃশ্য সূতায় তারা নিজেদের বাঁধবেই। সে হিসেবে দপ করে জ্বলে উঠা হেফাজতিদের একটা আন্দোলনে জামাত যে সুযোগ পেলে এগিয়ে আসবেই, তাতে সন্দেহ থাকার কথা নয় ।

বিএনপি এমনিতেই একধরনের খোড়া হস্তি হয়ে বসে আছে। তারা প্রায়ই বলে থাকে, তারা রাজপথে দাঁড়াতে পারছে না, সরকারের রোষানলের কারণে। অথচ দেখা যায় বিএনপি জনগণের কোন ইস্যূ নিয়ে রাস্তায় আসছে না, জনগণের ইস্যু না থাকায় সরকারও হয়ত সুযোগ বুঝেই তাদের ঝেটিয়ে বিদায় করছে।  বামদলগুলো যেখানে তাদের সিমীত শক্তি নিয়ে  মোদী বিরোধীতায় নামল, সেখানে বিএনপি ছিল নিশ্চুপ। এটাও একটা বড় বিস্ময়। ভারত বিরোধীতা যেখানে তাদের রাজনীতির একটা প্রধান ইস্যু সকল সময়েই। নেতিবাচক হলেও তাদের রাজনীতির অগ্নিগর্ভ সময়ে বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে নিরবই থেকেছে। হয়ত ক্ষমতার রাজনীতির কৌশলগত কারণে তারা ভারতকে চটাতে চায় নি, তাই প্রকাশ্যে মাঠেও থাকে নি।  কিন্তু যেহেতু মোদী বিরোধী মাঠ উষ্ণ ছিল, সেহেতু বিএনপি প্রকাশ্যে না এসে একটা অস্থিতিশীল অবস্থার সৃষ্ঠি করেছে বলে আওয়ামী লীগ কিংবা সরকারের পক্ষ থেকে দাবী করা হয়েছে । যদি আওয়ামীলীগের এ দাবী সঠিকও হয়, তাহলে তা হবে বিএনপি’র রাজনীতির একটা চাতুরিক সফলতা । তর্কের জন্য বলতে পারি, সেজন্য তারা সুযোগ হয়ত নিয়েছেও ।

কিন্তু বিস্ময়ের ব্যাপার হল, যেভাবে হেফাজতের তান্ডবকে বিএনপি এবং জামাত নামে চিত্রিত করার চেষ্টা চলছে, তাতে মূল ঘঠনা অর্থাৎ হেফাজত ক্রমশ অন্তরালে চলে যাবে । স্বাধীনতার পক্ষের মানুষগুলো উগ্র মৌলবাদীদের প্রতি তাদের ঘৃণার প্রকাশ ঘঠিয়েছে ব্রাম্মনবাড়িয়ার সন্ত্রাসে । উগ্রতার বিপরীতে একটা স্পিরিট বা শক্তি পরিলক্ষিত হচ্ছে, কিন্তু এই জায়গায় যদি বিএনপি এবং জামাতকে সুযোগ সন্ধানী হিসেবে না দেখে সন্ত্রাসের নিয়ামক শক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, তাহলে মূল খেলোয়াড়েরা অন্তরালে থেকে যাবে।

এখন থেকে প্রায় ৮ বছর আগে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশের লক্ষ্যটা কি ছিল। সেখানেও তাদের লক্ষ্য ছিল ছিল সরকারের পতন ।  দিনভর রাজধানীতে তাণ্ডব চালানোর পর তারা অবস্থান নেয় শাপলা চত্বরে।  সে সময়ে সরকারবিরোধী শক্তি বিশেষত বিএনপি-জামাত তাদের এই দিনভর সন্ত্রাস কিংবা তান্ডবে সমর্থন জুগিয়েছিল, সে কথাগুলো সরকারও জানে পাবিলিকও জানে । এত কিছু জানার পরও হেফাজতের সাথে সরকারের সম্পর্ক উন্নয়ন হবার অধ্যায়টা সবারই জানা। এটাকে কেউ পজিটিভলি নিয়েছে আবার মৌলবাদবিরোধী মানুষগুলো এদের লাই(প্রশ্রয়) দেয়াকে স্বাভাবিকভাবে নেয় নি। সতর্ক করে দেয়ার কাজটি অনেকেই করেছেন । কিন্তু সতর্ক বার্তাটা কতটুকু গুরুত্ব দেয়া হয়েছে, তা দেখেছে মানুষ ।

মোদী বিরোধী আন্দোলন একসময় পৌছে গেছে সরকার বিরোধী আন্দোলনে । সত্যি কথা হল, সরকারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে অন্যান্য অনেক দলই আন্দোলন করছে, কিন্তু কেউ কোন পক্ষই জান-মালের ক্ষতি সাধনে এগিয়ে আসে নি। কিন্তু হেফাজতি আন্দোলনে জান-মালের অনেক বড় ধরনের ধ্বংস আমরা দেখলাম। কিন্তু যেভাবে এব্যাপারটা ট্যাকল দেয়ার কথা, সেভাবে কি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে ? ব্রাম্মনবাড়িয়া ধ্বংসলিলায় যেমন আওয়ামীলীগ বিএনপি-জামাতের নাম উচ্চারণ করছে, ঠিক সেভাবেই আওয়ামী লীগের অন্তর্দন্ধের কথা বলে তারাই পারস্পরিক জেদের বহি:প্রকাশ ঘঠিয়েছেন বলে দাবী করছে হেফাজত।

এসব অভিযোগের কিছুটা সত্যতাও আসছে পারস্পরিক অভিযোগ থেকে । আওয়ামী লীগ নেতা ও ছাত্রলীগের জেলার সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হক ভূঁইয়া বলেছেন, ”মাদ্রাসায় হামলা করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেছেন আওয়ামী লীগের জেলার সভাপতি ও সংসদ সদস্য ওবায়দুল মুক্তাদির চৌধুরী। নিজেদের ওপর চাপ আসবে তাই ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে আমাকে জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, কাদের কারণে এই শহরে এত মানুষ মারা গেল, কারা তাণ্ডব চালালো তার সঠিক তদন্ত হোক। তাহলেই তাদের মুখোশ উন্মোচন হয়ে যাবে।” বিএনপিও সেই একইরকম অভিযোগও করছে ।

অভিযোগ যে যেভাবেই করুক না, দেশের গোটা পরিস্থিতি এত নাজুক হওয়ার পেছনে মূলত হেফাজত। অর্থাৎ যদি কাউকে দায়ী করতে হয়, তবে তাদেরকেই নিয়ে আসতে হবে জনগণের কাঠগড়ায়। তা না করে সেই ২০১৩ পরবর্তী অবস্থানের মত যদি আবারও বাতাবরণ তৈরী করা হয় এবং মুল টার্গেট আড়াল করা হয়, তাহলে হেফাজত যেভাবে মাথাচাড়া দিয়ে আগেও উঠেছিলে, যেভাবে ২৬ মার্চও সন্ত্রস্থ রেখেছিলো জনপদ, সেভাবেই থাকবে । ভুলে গেলে চলবে না, হেফাজত শুধুই একটা সাধারন ইসলামিক গ্রুপ নয়, সে দলটি বেড়ে উঠছে দ্রুত। মাত্র দশ এগারো বছরে দেশের ব্যাপক জনগণের মাঝে প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছে দলটি, বেশ কিছু দুর্বলতার সুযোগ নিয়েই । প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ আশকারায় সারা বাংলাদেশের শহর থেকে গ্রামে এরা চষে বেড়াচ্ছে। ওয়াজ নামের বিনোদনে এরা বিনোদিত করে সাধারন মানুষগুলোকে টেনে আনছে একেকজন বিনোদনকারীর দিকে, ইসলামের দিকে নয়। এরা বিজ্ঞান বিপরীতে শুড়শুড়ি দিচ্ছে, নৃত্য করছে, গাইছে আর একেকজন অপ্রতিদ্বন্ধি হয়ে উঠছে ।

ডিজিটাল আইন থেকেও এরা দিব্যি ওয়াজ করে লাখ লাখ মানুষকে উসকে দেয়। একজন মোশতাক কিংবা একজন কিশোর আইনে ফেসে যান, অথচ ডিজিটাল আইন এই ওয়াজওয়ালাদের কিছুই করতে পারে না। আইন কিছু করুক কিংবা না করুক সেই প্রশ্ন উত্থাপন না করে বলা যায় , হেফাজতের পাপ এবারও যদি অন্যের ঘাড়ে চাপানো হয়, তাহলে তারা  মাথায় উঠে নৃত্য করবে, আর যার ফলাফল ভোগ করবে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ, আগামীর দিনগুলোতে ।

ফারুক যোশী : কলাম লেখক, প্রধান সম্পাদক; ৫২বাংলাটিভি ডটকম

লেখকের পূর্ববর্তী কলাম

বাংলাদেশে মোদীকে প্রত্যাখ্যান এবং ভারতীয় শিল্পী কবির সুমনের আবেদন


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

"এই বিভাগে প্রকাশিত মতামত ও লেখার দায় লেখকের একান্তই নিজস্ব " -সম্পাদক