বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
কেসি সলিসিটর্সের দশক পূর্তি উদযাপন  » «   বঙ্গবন্ধু স্কলারশিপ আন্তর্জাতিক অঙ্গণে বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রতিচ্ছবি  » «   লীলা নাগের স্মৃতি রক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উদ্যোগ নেবে  » «   ফুসফুস-ক্যান্সার পরীক্ষার জন্য মাইল এন্ড লেজার সেন্টারে স্থাপন করা হচ্ছে বিশেষ ‘স্ক্রিনিং মেশিন’  » «   অলি-মিঠু-টিপু প্যানেলের পরিচিতি ও ইশতেহার ঘোষণা  » «   ২০ নভেম্বর লন্ডনের রয়েল রিজেন্সিতে ৫ম বেঙ্গলী ওয়েডিং ফেয়ার  » «   একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির যুক্তরাজ্য শাখা গঠিত  » «   টি আলী স্যার ফাউন্ডেশন সম্মাননা পেলেন সিলেটের ২৪গুণী শিক্ষক  » «   নওয়াগ্রাম প্রগতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফুল, ফল ও ঔষধি বৃক্ষরোপণ  » «   আলোকিত মানুষ শিক্ষক মো. সমছুল ইসলাম এর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী  » «   সিলেটের বিয়ানীবাজারে একটি পরিত্যক্ত কূপে তাজা গ্যাসের মজুদ আবিষ্কৃত  » «   বাংলাদেশী কারী  ব্রিটেনের প্রবৃত্তি ও খাবার সংস্কৃতিতে অনন্য  অবদান রাখছে  » «   পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীবাদের প্রতিবন্ধকতা  » «   রিষি সুনাক এশিয়ান বংশদ্ভোত, কনজারভেটিভ এবং ধনীদের বন্ধু  » «   গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাব নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহবান  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


অসমে বিধানসভা নির্বাচন : সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে এককাট্টা ধর্মনিরপেক্ষ শক্তি



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

 ১২৬ আসনবিশিষ্ট বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষ্যে অসম রাজ্য প্রধানত দুটি শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। রাজ্যে ক্ষমতাসীন সাম্প্রদায়িক শক্তি বিজেপি ও তার দোসরদের সম্মিলিত শক্তি মিত্র জোটকে পরাস্ত করতে মহাজোট গঠন করেছে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ছয়টি রাজনৈতিক সংগঠন।
সিপিএম, সিপিআই,সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস ও এআইইউডিএফসহ ছয়টি ধর্মনিরপেক্ষ দল নির্বাচনকে সামনে রেখে মহাজোট গঠন করে বিজেপি নেতৃত্বাধীন মিত্র জোটের বিরুদ্ধে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হয়েছে।
২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এজিপি-বিজেপি জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে প্রথম বারের মতো অসমে ক্ষমতা দখল করেছিল।২০০১ থেকে লাগাতার তিন বার কংগ্রেস শাসনের পর রাজ্যবাসী রুচি পরিবর্তন করার লক্ষ্যে ২০১৬ সালে বিজেপি-এজিপি জোটকে ক্ষমতায় নিয়ে আসেন। কিন্তু বিজেপি যে-সকল প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট আদায় করেছিল, তার ছিটিফোঁটাও পাননি জনগণ!
এদিকে, এনআরসি, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন অর্থাৎ CAA , ডি-ভোটার, ডিটেনশন ক্যাম্প ইত্যাদি নানাবিধ সমস্যায় রাজ্যবাসীকে ব্যতিব্যস্ত করে রেখেছে বর্তমান বিজেপি সরকার। জনগণকে অপদস্থ করার লক্ষ্যে নিত্য-নতুন ফরমান জারি করছে সরকার! রুটি-রোজির চিন্তা বাদ দিয়ে রাজ্যের জনগণকে নথিপত্র জোগাড়সহ নানাবিধ আইনি জটিলতায় সময় ব্যয় করতে হচ্ছে। কর্মসংস্থান সংকোচিত হচ্ছে। ওষুধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর মূল্য জ্যামিতিক হারে বাড়ছে! পেট্রোল, ডিজেল, রান্নার গ্যাসের মূল্য নিত্যদিন বৃদ্ধি পেয়ে এখন মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে গেছে। এমতাবস্থায়, জনগণ পুনরায় পরিবর্তন চাইছেন।
ইতিমধ্যে উজান অসমে ৪৭ টি আসনে ভোটগ্রহণ সমাপ্ত হয়েছে গত শনিবার।
১এপ্রিল বরাক উপত্যকায় ভোট গ্রহণ করা হবে। ৬ এপ্রিল তৃতীয় তথা শেষ দফা ভোটগ্রহণ করা হবে। মিত্র জোট ও মহাজোট উভয় শিবির আশাবাদী, তারা সরকার গঠন করবেন বলে।
বিজেপির একটিই কর্মসূচি! আর তা হল, ইসলাম-বিদ্বেষ! গত পাঁচ বছরের উন্নয়নের কোনও খতিয়ান জনসমক্ষে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে বিজেপি। তাই, মুসলিম-বিদ্বেষ-ই তাদের নির্বাচনি বৈতরণি পার হতে একমাত্র অস্ত্র! পাশাপাশি, তথাকথিত বাংলাদেশি মুসলিম অনুপ্রবেশ নিয়েই তাদের নির্বাচনি প্রচার চলছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন