সুদীর্ঘ ৪০০ অটোমানদের দ্বারা শাসিত, শোষিত, গণহত্যার শিকার হয়ে ৮ বছর ৬ মাস ২১ দিনের সশস্ত্র সংগ্রামের পর স্বাধীন ভূখন্ড লাভ করে গ্রীস।১৮১৪ সালে বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনীর মত গ্রীকরা গড়ে তোলে ” Filiki Etaira ” নামে একটি বিপ্লবী সংগঠন। ১৮২১ থেকে ১৮৩০ পর্যন্ত এ বিপ্লব ও সংগ্রাম দীর্ঘস্থায়ী হয়েছিল।
২৫ শে মার্চের এই দিনটিকে ২০০ বছর পূর্তি উদযাপন করছে গোটা গ্রিক জাতি। তাই ২৫ শে মার্চ সরকারী ছুটির দিন ও গ্রীসের জাতীয় দিবস। গ্রীক নাগরিক ও গ্রীস প্রবাসীদের জাতীয় জীবনে দিনটি যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে। করোনার কারণে দিবসটি উপলক্ষে তাদের সকল কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। শুধু এথেন্সের সামরিক মহড়া ছাড়া আর কোন প্যারেড হয়নি গ্রীসে। শহরের নানা জায়গা জাতীয় পতাকা দিয়ে সুশোভিত করা হয়েছে। সংসদ ভবনকে আলোকসজ্জিত করা হয়েছে। একইসাথে গ্রিসের 200 বছরের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে,গ্রিস পতাকার রঙে রঞ্জিত করা হয়েছে, টরেন্টো, সিডনির অপেরা হাউস, ফ্রান্সের আইফেল টাওয়ার, ব্রাজিলের সাও পাওলো, লন্ডনের ব্রিজ সহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক ভাস্কর্যে।
বৃটেন, রাশিয়া, ফ্রান্স গ্রীসকে প্রথম স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে অনুমোদন দেয়৷ তাই মিত্র দেশ হিসেবে প্রিন্স উইলিয়াম, , ফ্রান্সের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফ্লোরেন্স পারলি, সাইপ্রাসের প্রেসিডেন্ট নিকো আনাসতাসিয়াদি, রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিচিসটিন উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য ২০০ তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া সত্বেও করোনার প্রাদুর্ভাব এর কারণে তা স্থগিত করা হয়েছে।