সোমবার, ২৭ জুন ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
যুক্তরাজ্যে ঈদের ছুটির দাবীতে  আলতাব আলী পার্কে সমাবেশ অনুষ্ঠিত  » «   পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে স্পেনে দূতাবাসের বিশেষ আয়োজন  » «   পদ্মা সেতুর স্মারক নোট বাজারে আসবে রবিবার  » «   পদ্মা সেতুর জন্য অভিনন্দন বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধির  » «   অদম্য বাংলাদেশ, খুলল পদ্মার দ্বার  » «   আছে শুধু ভালোবাসা, দিয়ে গেলাম তাই: প্রধানমন্ত্রী  » «   রেমিটেন্স প্রেরণে উদ্বুদ্ধকরণে মাদ্রিদে মতবিনিময় সভা’ অনুষ্ঠিত  » «   বিশ্বনাথে মায়ের কোল থেকে ভেসে গেল শিশু, ৫ জনের মৃত্যু  » «   লন্ডনে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ইউকের বিশ বছরপূর্তি উদযাপন  » «   মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিবাদ এবং সাধারণ জনগণ  » «   স্পেনে ঢাকা ফ্রুতাস (Frutas) এর ১৬ বছর পূর্তি উৎসব অনুষ্ঠিত  » «   সিলেটে বন্যা : বৃষ্টি হয়েছে নদ-নদীর পানি কমেছে  » «   সিলেটে রানওয়েতে বন্যার পানি, বন্ধ বিমানের ফ্লাইট  » «   যুক্তরাজ্যে ঈদে ছুটির দাবীতে আলতাব আলী পার্কে সমাবেশ ২২শে জুন  » «   বিয়ানীবাজারে বিদ্রোহী প্রার্থী ও গোলাপগন্জে নৌকা বিজয়ী  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


টাওয়ার হ্যামলেটস্ বারায় ‘মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর’ সময়ের দাবি   



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

বাংলাদেশে, প্রবাসে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী আর একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ ঘিরে চলছে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। দুহাজার একুশ সালের মার্চে গৌরবের মুক্তিযুদ্ধ পৌঁছালো ৫০ বছরে – এর সুবর্ণ জয়ন্তীতে। মুজিব শতবর্ষে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী এবং উন্নয়নশীল দেশে পদার্পনের শুভক্ষনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অগুনতি দেশে ছড়িয়ে থাকা বাংলাদেশিরা আয়োজন করে চলেছেন নানা অনুষ্ঠানের। রোজ বাংলাদেশী পত্রিকায় চোখ বুলালে কিংবা বাংলা টিভি চ্যানেলগুলো অন করলেই এ নিয়ে কোনো না কোনো অনুষ্ঠান এর কথা পড়ছি  ও দেখছি। তার উপর সোশ্যাল মিডিয়াতো রয়েছেই। প্রতিনিয়ত করোনার ছোবলে এক ধরণের রুটিনমাফিক  জীবনহানি ঘটছে। এর মাঝেও মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালনে বাংলাদেশ সরকার এবং জনগণের মধ্যে উচ্ছাসের কমতি নেই।  এ আনন্দ যেন উৎসবে পরিণত হয়েছে। কারো কারো মতে, এ আনন্দ উৎসব  আপৎকালীন  দুঃসময়ে বেঁচে থাকার “ভ্যাকসিন” হিসেবে কাজ করছে।

এদিকে টেমসের তীরে তৃতীয় বাংলার রাজধানীখ্যাত বাঙালি অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটস্  বারায়  স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ। সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা গেছে যে, টাওয়ার হ্যামলেটস্ কাউন্সিল এই মহতী উৎসব উদযাপনের জন্য ৫০ হাজার পাউন্ড বরাদ্দ করেছে। বাংলাদেশের  বাইরে  প্রবাসে ব্রিটিশ সরকারের অর্থায়নে এই প্রথম বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালিত হতে যাচ্ছে।

বারার এক্সেকিউটিভ মেয়র, জন বিগস টিভি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, ব্রিটেন ও বাংলাদেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুপ্রতিম সুসম্পর্কের কথা এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ব্রিটেন প্রবাসী বাঙালিদের অসাধারণ  ভূমিকার কথা বিবেচনা করে কাউন্সিল স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ব্রিটেনে বাংলাদেশ হাই কমিশন ও টাওয়ার হ্যামলেটস্ কাউন্সিল রক্তক্ষয়ী নয় মাস যুদ্ধের কথা মাথায় রেখে যৌথভাবে আগামী নয় মাস নানাধরণের কর্মসূচি পালন করতে যাচ্ছে। ২৬ মার্চ বাংলা টাউন সংলগ্ন শহীদ  আলতাব আলী পার্কের পাদদেশে প্রতীকীভাবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে ব্রিটেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম ও মেয়র জন বিগস আনুষ্ঠানিকভাবে নয় মাসব্যাপী কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করবেন। আশা করি ব্রিটেনের মূলধারার প্রিন্টিং ও ইলেক্ট্রনিক সংবাদ মাধ্যমগুলো জনসমক্ষে তা তুলে ধরবে। যা নিঃসন্দেহে ব্রিটেন প্রবাসী বাংলাদেশিদের মর্যাদাকে আরো বাড়িয়ে দিবে। আমার বিশ্বাস হাই কমিশন ও কাউন্সিল এ ব্যাপারে মুখ্য ভূমিকা পালন করবে।  কর্মসূচির অংশ হিসেবে কাউন্সিল একটি বিশেষ ওয়েবসাইট চালু করবে। নয়মাসব্যাপী কর্মসূচির বিস্তারিত তথ্য ওয়েবসাইটে সন্নিবেশিত করা হবে। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সাপ্তাহিক জনমতে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদ ও বিরল ছবি ওয়েবসাইটে থাকবে বলেও জানা গেছে।

 উল্লেখ্য  ১৯৭১ সালে ব্রিটেন বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল।  তখন ব্রিটেনে বসবাসরত বাঙালিরা “মুজিবনগর” সরকারের বিশেষ প্রতিনিধি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর নেতৃত্বে পরিচালিত সংগ্রামের প্রতি পূর্ণ সমর্থন দিয়েছিলেন।ব্রিটেন প্রবাসী বাঙালিদের অবদানের কাহিনী আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের এক গৌরবময় অধ্যায় হয়ে আছে।পাশাপাশি অনেক ইংরেজ ও অবাঙালি রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, সমাজকর্মী, শিক্ষাবিদসহ নাম না জানা অনেকেই বাংলাদেশের মুক্তি আন্দোলনের মহালগ্নের সূচনায় সমর্থন জানিয়ে বাঙালিদের সঙ্গে একযোগে পুরো নয় মাস নিরলসভাবে কাজ করেছিলেন।এদের মধ্যে পিটার শোর, জন স্টোনহাউস, ব্রুস ডাগলাসম্যান, জন পার্ডো, রেজ প্রেন্টিস, মাইকেল বার্নস, জন স্টলওয়ার্থ, লর্ড এন্ড লেডী গিফোর্ড, লর্ড ব্রকওয়ে, ডোনাল্ড চেসওয়ার্থ, পল কনেট, মারিয়েটা প্রকোপে, প্রফেসর ফ্র্যাঙ্ক গার্লিং এবং রোজমেরী আহমদ এর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।আশা করবো টাওয়ার হ্যামলেটস্ কাউন্সিল ও বাংলাদেশ হাই কমিশন নয় মাসের কর্মসূচির বিভিন্ন আয়োজনে এদের সবাইকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।আর এ সুযোগে ব্রিটেনে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের বাঙালিরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের পাশাপাশি  তাদের পূর্বপুরুষদের বিস্ময়কর  অবদানের কাহিনী জানতে সক্ষম হবে।এ ধরণের  মহতী উদ্যোগ গ্রহণের জন্য এরিমধ্যে টাওয়ার হ্যামলেটস্ কাউন্সিল ও বাংলাদেশ হাই কমিশন ব্রিটেন প্রবাসী বাঙালিদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

 টাওয়ার হ্যামলেটসে বসতিস্থাপনকারী সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশি মনে করেন, বাঙালি নতুন প্রজন্মকে তাদের আদি পুরুষদের ঈর্ষণীয় অবদান ও বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে অবহিত করতে নয় মাসব্যাপী কর্মসূচিতে কাউন্সিলের উচিত, বারার প্রাইমারি ও সেকেন্ডারী স্কুলগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা।  যেমন ধরুন, স্কুলগুলোর এসেম্বলিতে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের কথা নিয়ে আলোচনা করা। কাউন্সিল, হাই কমিশন এবং বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা স্কুলে – স্কুলে গিয়ে এ নিয়ে কথা বলতে পারেন। সেসাথে স্কুলের পাঠক্রমে বাংলাদেশের রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা সংগ্রামের বিষয়টি সংযোজিত করা।  ফলে আমাদের নতুন প্রজন্ম এখন থেকে ইতিহাস লেসনে ব্রিটেনের ইতিহাসের পাশাপাশি বাংলাদেশের গৌরবময়  মুক্তিযুদ্ধের  ইতিহাস সম্পর্কে অধ্যয়ণ করতে পারবে। শুধু তাই নয়, অবাঙালিরাও বাংলাদেশের  ইতিহাস সম্মন্ধে সম্যক ধারণা পাবে। এতে করে অবাঙালি বন্ধুদের কাছে তাদের মর্যাদা ও গ্রহণযোগ্যতা দুইই বৃদ্ধি পাবে। কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ বারার সব স্কুলের হেডটিচারদের চিঠি পাঠিয়ে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য আদেশ দিতে পারেন।

 বাংলাদেশ হাই কমিশন তাদের বুদ্ধি, পরামর্শ দিয়ে কাউন্সিলকে সুবর্ণজয়ন্তীর  কর্মসূচি পালনে সাহায্য করছে। তাই হাই কমিশনের এটাই মোক্ষম সময়, কর্মসূচির অংশ হিসেবে  বারার স্কুলসমূহের পাঠক্রমে বাংলা ভাষাকে চিরস্থায়ীভাবে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য মেয়রের উপর চাপ প্রয়োগ করা। একইসাথে বারার  কমিউনিটি ল্যাংগুয়েজ সার্ভিসকে চালু রাখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো। এ মুহূৰ্তে বারার স্কুলগুলোতে বাংলা ভাষা নিয়ে এক ধরণের অদৃশ্য ষড়যন্ত্র লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কেবল বাংলাদেশ সরকার এবং কাউন্সিলের যৌথ সদিচ্ছাই এ ষড়যন্ত্রকে রুখতে পারে।  টাওয়ার হ্যামলেটসের স্কুলগুলোতে বাংলা ভাষাকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারলে, ব্রিটেনের অন্যান্য বারার স্কুল তা অনুসরণ করবে। আমাদের সন্তানদের মাতৃভাষাকে কেড়ে নিয়ে শুধু স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করলেই বাংলাদেশিদের প্রতি, নতুন প্রজন্মের প্রতি, কাউন্সিলের দায়িত্ব শেষ হয়ে যাবে না। আমরা তখনই বুঝবো কাউন্সিল বাঙালিদের পাশে আছে, যখন দেখবো তারা বাংলা ভাষাকে প্রবাসের মাটিতে টিকিয়ে রাখার জন্য সত্যিকার অর্থে গঠনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। স্কুলে বাংলা ভাষাকে ফিরিয়ে আনার পদক্ষেপকেও নয় মাসব্যাপী কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত অবশ্যই করতে হবে। আগামী মে মাসে লন্ডন মেয়র নির্বাচনের সাথে কাউন্সিল নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রবাসী বাঙালিদের কাছে সবিনয় অনুরোধ, আপনারা নিজ নিজ এলাকার প্রার্থীদের কাছ থেকে আগে স্কুলের পাঠক্রমে বাংলা ভাষাকে বহাল  রাখার প্রতিশ্রূতি নিন, তারপর ভোট দিন। অনেকের মতে বাংলা ভাষাকে কবর দিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করা অনেকটা গোড়া কেটে গাছের ওপর পানি দেয়ার মতো ঘটনা। আবার কেউ কেউ বলছেন, এধরণের কর্মসূচি স্বল্প মেয়াদে বাঙালিদের খুশি করে দীর্ঘ মেয়াদে বাঙালিদের বোকা বানানোর কৌশল মাত্র।

 টাওয়ার হ্যামলেটসে আমাদের পূর্বসূরীদের প্রচেষ্টায় ও কাউন্সিলের সহযোগিতায় আমরা পেয়েছি বাংলা টাউন, শহীদ আলতাব আলী পার্ক, কবি নজরুল সেন্টার, হাসন রাজা সেন্টার, বৈশাখী মেলা ইভেন্ট, আরো কতো কি! এ লেখার মাধ্যমে বাঙালিদের হয়ে আমি কাউন্সিলের কাছে আকুল আবেদন জানাবো, এই বারায় “মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর” গড়ে তুলতে। এর আগেও আমি আমার অনেক লেখায় নতুন প্রজন্মকে এই দূর প্রবাসে থেকেও শেকড়ের সঙ্গে যুক্ত করতে “মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর” নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছি। উল্লেখ্য শহীদ আলতাব আলী পার্কে “শহীদ মিনার” নির্মাণের জন্য কাউন্সিলের পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকার এবং বিভিন্ন সংগঠন আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেছিল। আমার বিশ্বাস, আগামী নয় মাসের মধ্যে কাউন্সিল যদি “মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর” নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে পূর্বের ন্যায় এবারও বাংলাদেশ সরকার এবং ব্রিটেনের বাংগালী সংগঠনগুলো তাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিবে। শুধু তাই নয়, অন লাইনে কিংবা বাংলা টিভি চ্যানেলগুলো  “মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর” গড়ে তুলতে ফান্ডরেইজ করতে পারে।

“মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর” হয়ে উঠতে পারে ব্রিটেন প্রবাসে বাংলা ভাষা, শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, কৃষ্টি চর্চার চারণ ক্ষেত্রে। যেখানে পরিদর্শনে গেলে বাঙালি – অবাঙালিরা বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধে ব্রিটেন প্রবাসী বাঙালিদের অবদান, শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের কথা, বীরঙ্গনাদের কাহিনী, পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর অমানবিক বর্বরতা, রাজাকার ও  আল বদরসহ স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের কুকীর্তি ইত্যাদি নানাবিধ বিষয়ে জানতে পারবে। তার সাথে যুক্ত হতে পারে বাংলাদেশের অন্যান্য ইতিহাস ও ঐতিহ্যের কথা।  বৃটিশ সমাজে বাংলাদেশিদের গৌরবময় অর্জনের জানা – অজানা তথ্য। মোটকথা “মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর”হয়ে উঠতে পারে একটি “বেঙ্গলি কালচার ও  রিসার্চ সেন্টারে”। যেখানে যে কেউ বাংলাদেশের যেকোনো বিষয়ে গবেষণা করার সুযোগ পাবেন। তৈরী হবে কর্মসংস্থানের। আমার ধারণা বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনা “মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর” নির্মাণে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবেন না। শুধু প্রয়োজন টাওয়ার হ্যামলেটস্ কাউন্সিল কর্তৃপক্ষের সম্মতি। তাঁরা কি মুজিব শতবর্ষে ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বারার বাংলাদেশিদের উপঢৌকন হিসেবে “মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর” গড়ে দিতে রাজি হবেন?

লেখক: শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও কমিউনিটি কর্মী।  

(সৌজন্যে: সাপ্তাহিক পত্রিকা)


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন