রবিবার, ২৬ জুন ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
পদ্মা সেতুর স্মারক নোট বাজারে আসবে রবিবার  » «   পদ্মা সেতুর জন্য অভিনন্দন বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধির  » «   অদম্য বাংলাদেশ, খুলল পদ্মার দ্বার  » «   আছে শুধু ভালোবাসা, দিয়ে গেলাম তাই: প্রধানমন্ত্রী  » «   রেমিটেন্স প্রেরণে উদ্বুদ্ধকরণে মাদ্রিদে মতবিনিময় সভা’ অনুষ্ঠিত  » «   বিশ্বনাথে মায়ের কোল থেকে ভেসে গেল শিশু, ৫ জনের মৃত্যু  » «   লন্ডনে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ইউকের বিশ বছরপূর্তি উদযাপন  » «   মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিবাদ এবং সাধারণ জনগণ  » «   স্পেনে ঢাকা ফ্রুতাস (Frutas) এর ১৬ বছর পূর্তি উৎসব অনুষ্ঠিত  » «   সিলেটে বন্যা : বৃষ্টি হয়েছে নদ-নদীর পানি কমেছে  » «   সিলেটে রানওয়েতে বন্যার পানি, বন্ধ বিমানের ফ্লাইট  » «   যুক্তরাজ্যে ঈদে ছুটির দাবীতে আলতাব আলী পার্কে সমাবেশ ২২শে জুন  » «   বিয়ানীবাজারে বিদ্রোহী প্রার্থী ও গোলাপগন্জে নৌকা বিজয়ী  » «   রুয়ান্ডা যাওয়ার প্রথম ফ্লাইটটি বাতিল : প্রীতি প্যাটেল আশা ছাড়েন নি  » «   মরহুম এম এ গণির আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের শোক সভা ও দোয়া মাহফিল  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বাবার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল – জাস্টিন ট্রুডো



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

 

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে আমার বাবার খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। আমি সর্বদা গর্ববোধ করি, আজ থেকে ৫০ বছর আগে বিশ্বের অল্প যে ক’টি দেশ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল তার মধ্যে কানাডা একটি।

বুধবার (১৭ মার্চ) বিকেলে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর ১০ দিনের অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়। এসময় এক ভিডিও বার্তায় এসব কথা জানান জাস্টিন ট্রুডো।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গত ৫০ বছরে বাংলাদেশ যে উন্নতি করেছে তা প্রশংসার দাবিদার। আগামীতেও বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় কানাডা সবসময় পাশে থাকবে। এছাড়াও ট্রুডো ভিডিও বার্তায় ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশ সফরের মধুর স্মৃতিচারণ করেন।

তিনি বলেন, আমি যখন আমার বাবার সঙ্গে বাংলাদেশ সফর করেছিলাম সে সময়ের থেকে বাংলাদেশে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। গত ৫০ বছরে দেশটি অভূতপূর্ব উন্নতি সাধন করেছে। এই সময়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বেড়েছে, দারিদ্র্য কমেছে, শিক্ষার হার বেড়েছে এবং স্বাস্থ্য সেবার প্রসার ঘটেছে। এর ফলে দেশের জনগণের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। আজকে আমরা উৎসব করতে পারছি শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক একটি দেশ গড়ার ভিশনের কারণে। এটি সম্ভব হয়েছে এদেশের মানুষের প্রতি তার ভালোবাসার জন্য।

এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা।

 


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন