শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
জীবন যেখানে দ্রোহের প্রতিশব্দ মৃত্যু সেখানেই শেষ কথা নয়..  » «   শিল্প উদ্যোক্তা ও ক্রীড়া সংগঠক মো: জিল্লুর রাহমানকে  লন্ডনে সংবর্ধনা  » «   ঈদের সামাজিক গুরুত্ব ও বিলাতে ঈদের ছুটি   » «   ব্রিটেনে ঈদের ছুটি  প্রসঙ্গে  » «   হজের খুতবা বঙ্গানুবাদ করবেন মাওলানা শোয়াইব রশীদ ও মাওলানা খলিলুর রহমান  » «   হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু, তাবুর শহর মিনায় হাজিরা  » «   ঈদের ছুটি : আমাদের কমিউনিটিতে সবার আগে শুরু হোক  » «   ঈদের দিনে বিলেত প্রবাসীদের মনোবেদনা  » «   বিলেতে ঈদ উৎসব এবং বাঙ্গালী কমিউনিটির অন্তর্জ্বালা  » «   জলঢুপে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমান কেম্প  » «   তিলপাড়ায় বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «   করিমগঞ্জ দিবস  » «   ঈদের ছুটি চাই : একটি সমন্বিত উদ্যোগ অগণিত পরিবারে হাসি ফুটাতে পারে  » «   ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল তিন বন্ধুর  » «   বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের বিনামূল্যে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


কলমাকান্দায় নারী দিবসে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

নেত্রকোণা র কলমাকান্দায় স্বামীর বাড়ি থেকে বিয়ের এক বছর একদিন পর দেবী দাস (১৮) নামের গৃবুধুর লাশ উদ্ধার করেছে  থানা পুলিশ।

সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে সজিব দাসের বাড়ি থেকে লাশ উদ্ধার করে বিকালে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে নিয়ে যায়।

পুলিশ ও স্থানীয় এবং নিহতের স্বজনদের সুত্রে  জানা গেছে  , উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের ধীতপুর গ্রামের প্রাণেশ দাসের মেয়ে দেবীসহ সকলেই ঢাকার বিক্রমপুর থাকতেন। পরে মোবাইলে প্রেম হয়ে একই এলাকার পনার পারুয়া গ্রামের সুনীল দাসের ছেলে সজিব দাস গত একবছর আগের এই দিনে বিক্রমপুর থেকে দেবীকে নিয়ে পালিয়ে এসে বিয়ে করে। এরমধ্যে দেবীর একটি গর্ভপাতের ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়  ।

আজ সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে আটটার দিকে কলমাকান্দা থানার পুলিশ খবর পেয়ে সজিবের বাড়িতে গিয়ে দেখে ঘরের মেঝেতে মৃত অবস্থায় গৃহবধু দেবীর মরদেহ। এদিকে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে দেবীর পরিবারকে  জানায় সজিবের পরিবার । এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়ায় পুলিশ লাশের সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বিকালে নেত্রকোনা মর্গে পাঠায়।

দেবীর মা কল্পনা দাস, বোন ঝুমা দাস ও ভাই পরিতোষ দাসসহ আহাজারি অবস্থায় স্বজনরা জানায়, তারা অনেক আগে থেকেই বিক্রমপুর অবস্থান করছিলো। একই উপজেলার হওয়ার সুবাদে যোগাযোগ হওয়ায় প্রেম করে দুজনই পালিয়ে বিয়ে করে। এরপর থেকে দেবীর শ্বাশুড়ী দেবীকে অত্যাচার করতো। কারো সাথে কথা বলতো না। মেয়েটির গর্ভে সন্তান আসলে লাকড়ি কাটিয়ে সন্তানটিকে নষ্ট করে ফেলে। পরবর্তীতে আজ ভোরে সজিবের মা ফোন দিয়ে দেবীর মা ভাইকে আসতে বলে ঢাকা থেকে। তারা এসে দেখে তাদরে মেয়ে আর নেই।

দেবীর স্বামী সজিব দাস সাংবাদিকদের  বলেন, স্ত্রীকে নিয়ে রাতে প্রতিদিনের ন্যায় ঘুমিয়ে পড়েন। পরে ভোর রাতে তার বাবা ওঠে বাথরুম যাওয়ার জন্য ওঠলে তাদের ঘরের দরজা লাগানো দেখেন। যে কারনে সজিবকে ডাকে। সজিব ওঠে দেখে স্ত্রী নেই পাশে। খুঁজতে থাকলে বেড়ার ফাঁক দিয়ে দেখেন পাশের রান্না ঘরের আড়ার সাথে ঝুলছে। পরে হাত পা নাড়া দেখে দ্রুত নামানো হলও আর বাঁচাতে পারেনি।

কলমাকান্দার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি  তদন্ত)  মো. সিরাজুল ইসলাম খাঁন দেবীর শ্বশুর বাড়ির বরাত দিয়ে সাাংবাদিকদের জানান, তারা যখন নামিয়েছিলো তখন নাকি হাত পা নাড়াচ্ছিলো। কিন্তু লাশ কোথায় পাওয়া গেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন মেঝেতে শুয়ানো অবস্থায়। সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বিকালে নেত্রকোনা মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে একটি ইউডি মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই নিহতের প্রকৃত কারণ  জানা যাবে।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন