শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
জীবন যেখানে দ্রোহের প্রতিশব্দ মৃত্যু সেখানেই শেষ কথা নয়..  » «   শিল্প উদ্যোক্তা ও ক্রীড়া সংগঠক মো: জিল্লুর রাহমানকে  লন্ডনে সংবর্ধনা  » «   ঈদের সামাজিক গুরুত্ব ও বিলাতে ঈদের ছুটি   » «   ব্রিটেনে ঈদের ছুটি  প্রসঙ্গে  » «   হজের খুতবা বঙ্গানুবাদ করবেন মাওলানা শোয়াইব রশীদ ও মাওলানা খলিলুর রহমান  » «   হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু, তাবুর শহর মিনায় হাজিরা  » «   ঈদের ছুটি : আমাদের কমিউনিটিতে সবার আগে শুরু হোক  » «   ঈদের দিনে বিলেত প্রবাসীদের মনোবেদনা  » «   বিলেতে ঈদ উৎসব এবং বাঙ্গালী কমিউনিটির অন্তর্জ্বালা  » «   জলঢুপে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমান কেম্প  » «   তিলপাড়ায় বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «   করিমগঞ্জ দিবস  » «   ঈদের ছুটি চাই : একটি সমন্বিত উদ্যোগ অগণিত পরিবারে হাসি ফুটাতে পারে  » «   ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল তিন বন্ধুর  » «   বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের বিনামূল্যে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


আমি গর্বিত ছাত্রলীগকে নিয়ে: শেখ হাসিনা



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি সত্যি গর্বিত ছাত্রলীগকে নিয়ে। যখন আহ্বান করলাম, আমাদের ছাত্রলীগের ছেলেরা নেমে পড়ল ধান কাটতে। আমাদের কৃষক লীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ তারাও নেমেছে কিন্তু তারাই পথ দেখিয়ে এগিয়ে যায়। আর এজন্যই ছাত্রলীগ বয়সেও আওয়ামী লীগ থেকে বড়। যখনি যে কথা বলেছি তোমরা সে কথা শুনছো। তোমাদেরকে আন্তরিক দোয়া আর্শীবাদ ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

সোমবার (৪জানুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনিস্টিটিউশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি কেআইবি মিলনায়তনে যুক্ত ছিলেন।

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের জাতির পিতা লেখা অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়া চীন বইগুলো পড়ারও পরামর্শ দেন সাংগঠনিক নেত্রী শেখ হাসিনা। পাশাপাশি সিক্রেটস অব ডকুমেন্টস গ্রন্থের ১৪টা খন্ড প্রকাশ করা হবেএবং ইতোমধ্যে ছয়টা খন্ড বের হয়েছে সেগুলোও পড়ার আহ্বান জানান তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা মুজিববর্ষ উদযাপন করছি, আমাদের লক্ষ্যই ছিল স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মধ্যে দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করবো। বাংলাদেশ অন্তত পক্ষে উন্নয়নের একটা পর্যায়ে যাবে। সে পর্যায়টা আমরা অর্জন করেছি। জাতির পিতা যুদ্ধবিধস্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলে স্বল্পোন্নত দেশ হিসাবে তৈরি করে দিয়েছিলেন। আজকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে আমরা উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছি। ২০২৪ সাল পর্যন্ত এটা ধরে রাখতে হবে।

করোনাভাইরাসের কারণে আমরা কিছুটা থমকে গেছি। তবে আমি এইটুকু বলবো, সংগঠনটা হচ্ছে সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই করোনা ভাইরাসে আমাদের ছাত্রলীগ অনবদ্য ভূমিকা রেখেছে। সেজন্য ছাত্রলীগের প্রত্যেকটা নেতাকর্মীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান সাংগঠনিক নেত্রী আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা তার কারণ তুলে ধরে বলেন, যখনি যে কথা বলেছি তারা সে কথা শুনছে। তোমাদেরকে সেজন্য আন্তরিক দোয়া আর্শীবাদ জানাচ্ছি এবং আন্তরিক ধন্যবাদও জানাচ্ছি। সেই করোনা আক্রান্ত মানুষের আপন আত্মীয় স্বজন লাশ ফেলে দিয়ে চলে যাচ্ছে অথবা অসুস্থ হয়ে গেলে তাদের হাসপাতালে নিচ্ছে না, হাসপাতালে নিয়েতাদের চিকিৎসা দেয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে না। আবার ছাত্রলীগের ছেলেমেয়েরা সেখানে চলে গেছে। মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। তাদের কাফন–দাফনের ব্যবস্থা করেছে, চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে।করোনাভাইরাসে মানুষ এমনি আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে গিয়েছিল সবকিছু যখন বন্ধ হয়ে গেল, তখন সবাই তো হাত পাততে পারত না। তাদের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেয়া, রিলিফ পৌঁছে দেয়া, সে কাজটিও আমাদের ছাত্রলীগ করেছে।

আমি সত্যি গর্বিত ছাত্রলীগকে নিয়ে বলে মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, পাশাপাশি যখন আহ্বান করলাম, আমাদের ছাত্রলীগের ছেলেরা নেমে পড়ল ধান কাটতে। সেই সাথে সাথে আমাদের কৃষকলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ আওয়ামী লীগ তারাও নেমেছে কিন্তু আমি আগেই বললাম ছাত্রলীগ তো সবসময় অগ্রগামী দল। তারাই পথ দেখিয়ে এগিয়ে যায়। আর এই জন্যই ছাত্রলীগ বয়সেও আওয়ামী লীগ থেকে বড়, এটাও ঠিক।

ছাত্রলীগ একটা অগ্রগামী দল হিসাবেই কাজ করে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সে কাজটা করে একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সেই সাথে সাথে আরেকটা দৃষ্টান্ত, সেটা কি? কোন কাজেই অবহেলার না। কোন কাজ ছোট না। আমরা ভাত খাই, খাবার খাই সে খাবারের ফসল ফলায় কৃষক। সেই কৃষককে তো অবহেলার চোখে দেখার বিষয় না। তারা তো আমাদের বেঁচে থাকার রসদ জোগায়। তাদের সম্মান অনেক বড়। ছাত্রলীগের ছেলেরা ধান কেটেছো, এটাই প্রমাণ হয়েছে, কোন কাজকে তোমরা ছোট করে দেখো নাই।

যখনি নিজের গ্রামে যাবে, নিজের দেশে যাবে, কাউকে ছোট করে দেখবে না, কোন কাজকে ছোট করে দেখবে না। সব কাজেরই গুরুত্ব আছে। সব কাজেরই মূল্য আছে। এটাই মানতে হবে। এটাই দেখতেহবে। এটাই সবসময় নিজের আদর্শ হিসাবে নিতে হবে। বড় সে হতে পারে, যে নিজেকে ছোট করে দেখতে পারে। আর উপর দিকে তাকিয়ে চলতে গেলে হোঁচট খেতে হয়। সেজন্য মাটির দিকে তাকিয়ে চলতেহয়। এটা আমাদের বাবা–মা শিক্ষা দিয়েছেন, দাদা–দাদী শিক্ষা দিয়েছেন। তাই এসব বিষয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মেনে চলার নির্দেশনা দেন তিনি।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন