শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
জীবন যেখানে দ্রোহের প্রতিশব্দ মৃত্যু সেখানেই শেষ কথা নয়..  » «   শিল্প উদ্যোক্তা ও ক্রীড়া সংগঠক মো: জিল্লুর রাহমানকে  লন্ডনে সংবর্ধনা  » «   ঈদের সামাজিক গুরুত্ব ও বিলাতে ঈদের ছুটি   » «   ব্রিটেনে ঈদের ছুটি  প্রসঙ্গে  » «   হজের খুতবা বঙ্গানুবাদ করবেন মাওলানা শোয়াইব রশীদ ও মাওলানা খলিলুর রহমান  » «   হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু, তাবুর শহর মিনায় হাজিরা  » «   ঈদের ছুটি : আমাদের কমিউনিটিতে সবার আগে শুরু হোক  » «   ঈদের দিনে বিলেত প্রবাসীদের মনোবেদনা  » «   বিলেতে ঈদ উৎসব এবং বাঙ্গালী কমিউনিটির অন্তর্জ্বালা  » «   জলঢুপে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমান কেম্প  » «   তিলপাড়ায় বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «   করিমগঞ্জ দিবস  » «   ঈদের ছুটি চাই : একটি সমন্বিত উদ্যোগ অগণিত পরিবারে হাসি ফুটাতে পারে  » «   ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল তিন বন্ধুর  » «   বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের বিনামূল্যে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


বার্সেলোনায় প্রথম বাংলাদেশীর করোনা ভ্যাকসিন গ্রহন



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

মীম, পুরো নাম ফারিহা আক্তার। বার্সেলোনায় প্রথম কোন বাংলাদেশী হিসেবে তিনি করোনা ভাইরাসের ফাইজার ভ্যাকসিন গ্রহন করেন। ১৯ বছর বয়সী মীম ২০০৮ সাল থেকে পরিবারের সাথে স্পেনের পর্যটন শহর বার্সেলোনায় বসবাস করছেন। তিনি পৈত্রিক সুত্রে বাংলাদেশের মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বাসিন্দা। পিতা আব্দুল কাদির এবং মাতা জেসমিন বেগম সহ ছোট আরও দুই ভাই রয়েছে মীমের পরিবারে।

বাংলাদেশ থেকে আসার পর পিতা মাতার উৎসাহ এবং নিজ আগ্রহে পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছেন বার্সেলোনার ইস্টিটিউট মিকেল তারাদেই-এ, পাশাপাশি সেবিকা হিসেবে খন্ডকালীন চাকুরী করছেন হসপিটাল রেসিড্যান্সিয়া এল মিলেনারিতে।

সেবিকা হিসেবে ২৭শে ডিসেম্বর স্পেনে ভ্যাকসিন প্রয়োগের প্রথমধাপের কয়েকজনের মধ্যে এবং বাংলাদেশীদের মধ্যে প্রথম করোনার ফাইজার ভ্যাকসিন নেয়ার পর মীম সামান্য ব্যথা ছাড়া অন্য কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অনুভব করেন নি।

প্রতিবেদককে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি বলেন- “আমি আনন্দিত, আমি চাই বার্সেলোনায় বসবাসরত সকলের পাশাপাশি যেন প্রত্যেক বাংলাদেশিও যাতে খুব তাড়াতাড়ি এ প্রতিষেধকটি নিতে পারে”। তিনি আরোও বলেন, আমি বিশ্বাস করি শতকরা পঞ্চাশ ভাগ লোক ভ্যাকসিনটির আওতায় আসলে জনসাধারণের ভয় দূর হওয়ার পাশাপাশি জনজীবন স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, স্পেনে ২৭শে ডিসেম্বর গুয়াদালাখারার লস অলমোতে প্রথম একজন প্রবীন এবং একজন শ্রমিকের উপর ভ্যাকসিনটি প্রয়োগ করার পর পর্যায়ক্রমিক ভাবে স্পেনের বিভিন্ন জায়গার মানুষের উপর প্রয়োগ করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী আলবা ভের্গেস।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন