শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
জীবন যেখানে দ্রোহের প্রতিশব্দ মৃত্যু সেখানেই শেষ কথা নয়..  » «   শিল্প উদ্যোক্তা ও ক্রীড়া সংগঠক মো: জিল্লুর রাহমানকে  লন্ডনে সংবর্ধনা  » «   ঈদের সামাজিক গুরুত্ব ও বিলাতে ঈদের ছুটি   » «   ব্রিটেনে ঈদের ছুটি  প্রসঙ্গে  » «   হজের খুতবা বঙ্গানুবাদ করবেন মাওলানা শোয়াইব রশীদ ও মাওলানা খলিলুর রহমান  » «   হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু, তাবুর শহর মিনায় হাজিরা  » «   ঈদের ছুটি : আমাদের কমিউনিটিতে সবার আগে শুরু হোক  » «   ঈদের দিনে বিলেত প্রবাসীদের মনোবেদনা  » «   বিলেতে ঈদ উৎসব এবং বাঙ্গালী কমিউনিটির অন্তর্জ্বালা  » «   জলঢুপে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমান কেম্প  » «   তিলপাড়ায় বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «   করিমগঞ্জ দিবস  » «   ঈদের ছুটি চাই : একটি সমন্বিত উদ্যোগ অগণিত পরিবারে হাসি ফুটাতে পারে  » «   ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল তিন বন্ধুর  » «   বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের বিনামূল্যে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


উদীচীর সমাবেশে বোমা হামলার ১৫ বছর, ৫ মিনিটের জন্য ‘স্তব্ধ নেত্রকোনা’ পালন



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

নেত্রকোনার উদীচীতে বোমা হামলার ট্র্যাজেডিতে ৫ মিনিটের জন্য স্তব্ধ নেত্রকোনা পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের নিহতের স্মরণে নেত্রকোনা শহরে একযোগে ৫ মিনিটের জন্য নিরবতার মাধ্যমে স্তব্ধ নেত্রকোনা পালন করা হয়। এসময় সড়কে সকল চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়।

এতে শহরের ছোটবাজার শহীদ মিনারের সামনে ওই কর্মসূচীতে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেন।

এর আগে সকালে সাড়ে ৯টায় নিহতের স্মৃতিস্তম্ভে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে সেখান থেকে শোকর‌্যালি করে শহীদ মিনারের সামনে প্রতিবাদী মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিবর্গ।

২০০৫ সনের এই দিনে জেএমবি’র আত্মঘাতী বোমা হামলায় উদীচীর খাজা হায়দার হোসেন, সুদীপ্তা পাল শেলী, মোটর মেকানিক যাদব দাস, ভিক্ষুক, পথচারী ও আত্মঘাতী কিশোরসহ মোট আট জন নিহত হন। আহত হয়েছিলেন ৯২ জনের মতো। অনেকের শরীরে এখনো রয়ে গেছে বোমার স্পিন্টার।

এরপর থেকে ১৫ বছর যাবত প্রতি বছর নেত্রকোনাবাসী দিবসটিকে ট্র্যাজেডি দিবস হিসেবে পালন করে আসছেন। অন্যান্য বছরের ন্যায় দিনব্যাপী দিবসটিতে প্রতিবাদী মিছিল, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থাকলেও এবার করোনা কালে সবকিছু সীমিত করা হয়েছে।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন