বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
জীবন যেখানে দ্রোহের প্রতিশব্দ মৃত্যু সেখানেই শেষ কথা নয়..  » «   শিল্প উদ্যোক্তা ও ক্রীড়া সংগঠক মো: জিল্লুর রাহমানকে  লন্ডনে সংবর্ধনা  » «   ঈদের সামাজিক গুরুত্ব ও বিলাতে ঈদের ছুটি   » «   ব্রিটেনে ঈদের ছুটি  প্রসঙ্গে  » «   হজের খুতবা বঙ্গানুবাদ করবেন মাওলানা শোয়াইব রশীদ ও মাওলানা খলিলুর রহমান  » «   হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু, তাবুর শহর মিনায় হাজিরা  » «   ঈদের ছুটি : আমাদের কমিউনিটিতে সবার আগে শুরু হোক  » «   ঈদের দিনে বিলেত প্রবাসীদের মনোবেদনা  » «   বিলেতে ঈদ উৎসব এবং বাঙ্গালী কমিউনিটির অন্তর্জ্বালা  » «   জলঢুপে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমান কেম্প  » «   তিলপাড়ায় বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «   করিমগঞ্জ দিবস  » «   ঈদের ছুটি চাই : একটি সমন্বিত উদ্যোগ অগণিত পরিবারে হাসি ফুটাতে পারে  » «   ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল তিন বন্ধুর  » «   বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের বিনামূল্যে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


সিলেটে ফের থেমে গেছে ১৪৬ বছরের পুরনো এই ঘড়ির কাঁটা



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

সিলেটের নাম উঠলেই যে ক’টি স্থাপনার চিত্র চোখের সামনে ভেসে ওঠে তার মধ্যে অন্যতম আলী আমজদের ঘড়ি। সুরমা নদীর উপরের লোহার সেতু ‘কিন ব্রিজ’ আর তার পাশে ‘আলী আমজদের ঘড়ি’- এই ছবি তো সিলেটেরই প্রতীক হয়ে ওঠেছে। তবে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী এই ঘড়িটি বিকল হয়ে পড়েছে কিছুদিন ধরে। আটকে আছে ১৪৬ বছরের পুরনো এই ঘড়ির কাঁটা।

আলী আমজদের ঘড়ির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)। সিসিকের কর্মকর্তারা বলছেন- নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে মাঝেমাঝেই বিকল হয়ে পড়ে এই ঘড়ি। এরআগে প্রায় এক বছর বন্ধ থাকার পর গত বছর ঘড়িটি চালু করা হয়েছিলো। তার আগে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বড় ধরণের সংস্কার কাজ শেষে ২০১৬ সালে ঘড়িটি চালু করেছিলো সিসিক।

গত রোববার (২২ নভেম্বর) দুপুরে নগরীর চাঁদনীঘাট এলাকার আলী আমজদের ঘড়িঘরের পাশে গিয়ে দেখা যায়, ৮টা ২০ মিনিটে আটকে আছে ঘড়ির কাঁটা। এরপর সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে আবার গিয়ে দেখা যায়, একই জায়গায় আটকে রয়েছে কাঁটা। এই ঘড়ি এক ঘণ্টা পর পর ঘণ্টা বাজিয়ে নগরবাসীকে সময় জানান দিতো। অচল হয়ে পড়ার পর থেকে ঘণ্টাও আর বাজছে না। ঘড়িটির সামনেই এবড়ো-থেবড়োভাবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন গাড়ি। ফলে এই এলাকার সৌন্দর্যহানিও ঘটছে।

চাঁদনীঘাট এলাকার কয়েকজন ক্ষুদে ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, সপ্তাহখানেক আগেও সচল ছিলো এই ঘড়ি। এক সপ্তাহ ধরে এটি বিকল হয়ে পড়েছে। তবে নতুন করে ঘড়িটি বিকল হওয়ার তথ্য জানা নেই সিটি করপোরেশনের।

জানা যায়- ১৮৭৪ সালে তৎকালীন বড়লাট লর্ড নর্থব্রুক সিলেট সফরে এসেছিলেন। তার প্রতি প্রদ্ধা জানাতে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার পৃত্থিমপাশার জমিদার নবাব আলী আহমদ খান নগরের প্রবেশমুখ চাঁদনীঘাট এলাকায় ঘড়িটি নির্মাণ করেন। তিনি ঘড়ির নামকরণ করেন নিজের ছেলে আলী আমজদ খানের নামে। সেই থেকে এটি আলী আমজদের ঘড়ি নামে পরিচিত। গবেষকদের কেউ কেউ মনে করেন, ভারতের দিল্লির চাঁদনী চক থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নবাব ঘড়িটি স্থাপনে উদ্যোগী হয়েছিলেন। তাদের মতে, সেইসময় সিলেটে ঘড়ির প্রচলন তেমন ছিলো না। ফলে এই ঘড়ি থেকেই সময় জানতে পারতো শহরের বেশিরভাগ মানুষ। সেই সময়ের ছোট্ট ও কোলাহালহীন শহরের দূরদূরান্ত থেকেও ঘড়ির ঘণ্টা শোনা যেতো। সময়ের পরিক্রমায় এই ঘড়ি হয়ে ওঠেছে ঐতিহ্যের অংশ। দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটকরাও বিশাল এই ঘড়িটি দেখতে আসেন। এর নান্দনিক স্থাপনা পর্যটকদের মুগ্ধ করে।

 


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন