শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
জীবন যেখানে দ্রোহের প্রতিশব্দ মৃত্যু সেখানেই শেষ কথা নয়..  » «   শিল্প উদ্যোক্তা ও ক্রীড়া সংগঠক মো: জিল্লুর রাহমানকে  লন্ডনে সংবর্ধনা  » «   ঈদের সামাজিক গুরুত্ব ও বিলাতে ঈদের ছুটি   » «   ব্রিটেনে ঈদের ছুটি  প্রসঙ্গে  » «   হজের খুতবা বঙ্গানুবাদ করবেন মাওলানা শোয়াইব রশীদ ও মাওলানা খলিলুর রহমান  » «   হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু, তাবুর শহর মিনায় হাজিরা  » «   ঈদের ছুটি : আমাদের কমিউনিটিতে সবার আগে শুরু হোক  » «   ঈদের দিনে বিলেত প্রবাসীদের মনোবেদনা  » «   বিলেতে ঈদ উৎসব এবং বাঙ্গালী কমিউনিটির অন্তর্জ্বালা  » «   জলঢুপে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমান কেম্প  » «   তিলপাড়ায় বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «   করিমগঞ্জ দিবস  » «   ঈদের ছুটি চাই : একটি সমন্বিত উদ্যোগ অগণিত পরিবারে হাসি ফুটাতে পারে  » «   ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল তিন বন্ধুর  » «   বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের বিনামূল্যে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


ঘূর্ণিঝড় আম্ফান ও করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দিচ্ছে ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

বাগেরহাট জেলার, শরণখোলায় ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত ও করোনায় কর্মহীন মানুষকে নিরবে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্ট (ডিসিএইচ ট্রাস্ট)। ট্রাস্টের মাঠ কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্তদের প্রত্যেকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রীসহ বিভিন্ন উপকরণ প্রদান করছে।

সংস্থা সূত্র জানায়, পিচ উইন্ডস জাপানের (পিডব্লিউজে) আর্থিক সহায়তায় ‘ইমারজেন্সি রিলিফ অপারেশন ফর সাইক্লোন আম্ফান এন্ড কোভিড-১৯ অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রাম’ নামের এই প্রকল্পটি ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্ট বাস্তবায়ন করছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে উপকূলীয় শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ও রায়েন্দা ইউনিয়নের এক হাজার ৭০০ পরিবারকে চাল, ডাল, তেল, মাছধরা জাল, গৃহতাবু এবং করোনা সুরক্ষায় মাস্ক, সাবান, খাবার স্যালাইন ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক বিভিন্ন পোস্টার-লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

ট্রাস্টের মাঠ ব্যবস্থাপক বিপ্লব কুমার বিশ্বাস জানান, ৩১আগস্ট থেকে শরণখোলায় তাদের কার্যত্রম শুরু হয়েছে। প্রথমে তাদের কর্মীদের দিয়ে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরী করা হয়েছে। এর পরে প্রত্যেকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সহায়তা প্রদান করছে তাদের কর্মীরা।

তিনি জানান, এপর্যন্ত এই দুটি ইউনিয়নের ১৭০০পরিবারকে খাদ্য সহায়তা, গৃহতাবু, করোনা সুরক্ষাসামগ্রী এবং ৪৩০জন জেলেকে মাছধরা জাল দেওয়া হয়েছে। আরো ৮০০পরিবারকে এসব সহায়তা প্রদান করা হবে। প্রথম পর্যায়ে উপজেলা দুটি ইউনিয়ন সহায়তার আওতায় আনা হয়েছে। পরবর্তীতে উপকারভোগীর সংখ্যা ও এলাকা বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন