শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
জীবন যেখানে দ্রোহের প্রতিশব্দ মৃত্যু সেখানেই শেষ কথা নয়..  » «   শিল্প উদ্যোক্তা ও ক্রীড়া সংগঠক মো: জিল্লুর রাহমানকে  লন্ডনে সংবর্ধনা  » «   ঈদের সামাজিক গুরুত্ব ও বিলাতে ঈদের ছুটি   » «   ব্রিটেনে ঈদের ছুটি  প্রসঙ্গে  » «   হজের খুতবা বঙ্গানুবাদ করবেন মাওলানা শোয়াইব রশীদ ও মাওলানা খলিলুর রহমান  » «   হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু, তাবুর শহর মিনায় হাজিরা  » «   ঈদের ছুটি : আমাদের কমিউনিটিতে সবার আগে শুরু হোক  » «   ঈদের দিনে বিলেত প্রবাসীদের মনোবেদনা  » «   বিলেতে ঈদ উৎসব এবং বাঙ্গালী কমিউনিটির অন্তর্জ্বালা  » «   জলঢুপে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমান কেম্প  » «   তিলপাড়ায় বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «   করিমগঞ্জ দিবস  » «   ঈদের ছুটি চাই : একটি সমন্বিত উদ্যোগ অগণিত পরিবারে হাসি ফুটাতে পারে  » «   ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল তিন বন্ধুর  » «   বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের বিনামূল্যে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


করোনায় আক্রান্ত হয়ে লেবাননে বাংলাদেশী রেমিটেন্স যোদ্ধার মৃত্যু



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

লেবাননের আধুনিস এলাকায় সারবেল ক্যান্নেসি সংলগ্ন একটি লেবানিজ বাসায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে আবদুল বাতেন নামে (৪২) এক বাংলাদেশীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তিনি নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার মরজাল গ্রামের সুলতান উদ্দিনের ছেলে।

জানা যায়, আবেদ করোনায় আক্রান্ত হবার পূর্ব থেকেই পায়ে ব্যথা নিয়ে তিনি শারীরিক ভাবে কিছুটা অসুস্থ ছিলেন। পরে কভিড ১৯ টেস্টে তার শরীরে করোনা পজিটিভ সনাক্ত হওয়ার পর তিনি আইসোলুশনে থাকতে শুরু করেন এবং নিজে থেকেই শেরে উঠার চেষ্টা করতে থাকেন কিন্তু এক সপ্তাহ অতিবাহিত হওয়ার পর থেকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। তার পাশে থাকা এক লেবানিজ রেডক্রসের সহযোগিতায় তাকে হসপিটালে নিতে চাইলেও তাতে তিনি রাজি না হওয়ায় অবশেষে শুক্রবার মধ্যরাতে তাঁর মৃত্যু হয়।

দূতাবাসের সহযোগিতায় বর্তমানে তার মরদেহ জালা আবু জাউদি হসপিটালের হিমঘরে রাখা হয়েছে।

আবেদ জীবিকার তাগিদে ছয় বছর পূর্বে লেবাননে পাড়ি জমান।লেবাননে আসার পর থেকেই তিনি কাগজ পত্রহীন ভাবে একটি কাঠের ফ্যাক্টরিতে কাজ করতেন। দেশে তার স্ত্রী সহ দুই ছেলে ও এক মেয়ে আছে।

তার এই অনাকাঙিক্ষত মৃত্যুর সংবাদ দেশে পৌঁছালে স্বজনেরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে এবং তার অসহায় পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া। এখন পর্যন্ত আবেদ এর মৃত্যুর ব্যাপারে বাংলাদেশ দূতাবাস তার পরিবারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে আসছে।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন