বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
সীমান্ত থেকে উদ্ধারকৃত মোবাইল, সিমকার্ড এসআই আকবরের  » «   সিলেটে ফের থেমে গেছে ১৪৬ বছরের পুরনো এই ঘড়ির কাঁটা  » «   কলমাকান্দায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির মধ্যে ক্রস ব্রিড বকনা গরু বিতরণ  » «   আমিরাতে বাংলাদেশ ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ কন্সুলেটে স্মারকলিপি প্রদান  » «   রিয়াদে পূর্বাঞ্চল যুবদলের উদ্যোগে তারেক রহমানের জন্মদিন উদযাপন  » «   মৌলভীবাজারে পিআইবির বুনিয়াদী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন  » «   অক্সফোর্ডের ভ্যাক্সিন: বিশ্বে জেগেছে আশার আলো  » «   গোলাপগঞ্জে সূচনা প্রকল্পের কর্মশালা অনুষ্ঠিত  » «   সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিদেশী নাগরিকদের জন্য ব্যবসায় শত ভাগ মালিকানার অনন্য সুযোগ   » «   বার্সেলোনায় তারেক রহমানের জন্মদিন পালন  » «   স্পেনের বার্সেলোনায় ১৫শতাধিক প্রবাসীদের কন্স্যুলার সেবা প্রদান  » «   সৌদি আরবের দাম্মামে বিনামূল্যে প্রযুক্তিসেবা দিচ্ছে ‘ডিজিটাল লাউঞ্জ’  » «   লেবাননে তারেক রহমানের ৫৬তম জন্মদিন উদযাপন  » «   কানাডায় সরকারি কর্মকর্তাদের বাড়ির তালিকা চেয়েছে দুদক  » «   ছাত্র ইউনিয়নের ৪০তম জাতীয় সম্মেলন : সভাপতি ফয়েজ, সম্পাদক দীপক  » «  

তাদের মিতালী পানির সঙ্গেই



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 8
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    8
    Shares

মানিক বন্দোপাধ্যায় এর কালজয়ী উপন্যাস ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ -তে কুবের মাঝির কথা মনে আছে নিশ্চয়ই আপনাদের। বাস্তবে আজ রাঙ্গামাটির আদার পাহাড়ে দেখা মিলল তেমন দুটি ছেলের- যাদের বসবাস এই ছোট ডিঙি নৌকাতেই।

সারারাত মাছ ধরে ভোরে তা বিক্রি করে যা পায় তা দিয়ে খাবার এবং নৌকা চালানোর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনে আবার ফিরে আসে লেক এর গহীনে। তারপর দুপুর পর্যন্ত নৌকাতেই ঘুম- বিকেলের আগে খাবার রান্না করা এবং খাওয়া। আবার সন্ধ্যায় মাছ ধরতে যাওয়া।

তাদের দুজনের নাম হামিদুল ও আব্দুল আজিজ- বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজানে। আগে অন্য কাজ করলেও ২ বছর হল মাছ ধরার পেশায় আছে। জানালো ভালোই আছে তারা- কারো কথা শুনতে হয় না। আপন মনে কাজ করে আর মাসান্তে পিতামাতা ভাইবোনদের দেখতে একবার বাড়ি যায়।

গহীন জলরাশিতে ভয় পায় কিনা জানতে চাইলে মুখটা ভয়ার্ত করে বলল- ঘূর্ণিঝড় আর জলোচ্ছ্বাস হলে ছোট নৌকায় থাকতে ভয় হয়। তখন নৌকাকে কোন লোকালয়ের কাছে নিয়ে এসে শক্ত করে বেধে রেখে ঝড় কিংবা জলোচ্ছ্বাস থামার অপেক্ষায় থাকি।

‘মাছ ধরে মাসে তাদের আয় কেমন হয়’ এমন প্রশ্নের জবাবে একগাল হেসে জানালো, সব খরচ শেষে তাদের একেকজনের লাভ থাকে মাসে ১২-১৫ হাজার টাকা। এ টাকাতেই তাদের মুখে দেখা মেলে তৃপ্তির হাসি- এ যেন জীবন যুদ্ধে জয়ী হওয়ার হাসি।

দুজনেরই থাকা খাওয়া/জীবিকার সন্ধান সবকিছুই এই ছোট্ট নৌকাতে- পানির সঙ্গেই যেন তাদের মিতালী।

৬.১০.২০২০
আদার পাহাড়, বালুখালী, রাঙ্গামাটি।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 8
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    8
    Shares