শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
জীবন যেখানে দ্রোহের প্রতিশব্দ মৃত্যু সেখানেই শেষ কথা নয়..  » «   শিল্প উদ্যোক্তা ও ক্রীড়া সংগঠক মো: জিল্লুর রাহমানকে  লন্ডনে সংবর্ধনা  » «   ঈদের সামাজিক গুরুত্ব ও বিলাতে ঈদের ছুটি   » «   ব্রিটেনে ঈদের ছুটি  প্রসঙ্গে  » «   হজের খুতবা বঙ্গানুবাদ করবেন মাওলানা শোয়াইব রশীদ ও মাওলানা খলিলুর রহমান  » «   হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু, তাবুর শহর মিনায় হাজিরা  » «   ঈদের ছুটি : আমাদের কমিউনিটিতে সবার আগে শুরু হোক  » «   ঈদের দিনে বিলেত প্রবাসীদের মনোবেদনা  » «   বিলেতে ঈদ উৎসব এবং বাঙ্গালী কমিউনিটির অন্তর্জ্বালা  » «   জলঢুপে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমান কেম্প  » «   তিলপাড়ায় বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «   করিমগঞ্জ দিবস  » «   ঈদের ছুটি চাই : একটি সমন্বিত উদ্যোগ অগণিত পরিবারে হাসি ফুটাতে পারে  » «   ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল তিন বন্ধুর  » «   বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের বিনামূল্যে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


রানির সম্মাননা এমবিই পেলেন সৈয়দ আফসার উদ্দিন



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ব্রিটেনের বাংলা গণ্যমাধ্যমে অত্যন্ত পরিচিত ও প্রিয়মুখ বিশিষ্ট  গণমাধ্যম কর্মী, শিক্ষাবিদ,  শিক্ষানুরাগী এবং কমিউনিটি একটিভিস্ট সৈয়দ আফসার উদ্দিন ব্রিটেনের রানির মর্যাদাকর  সম্মাননা এমবিই  (Member of the Order of the British Empire) পেয়েছেন।

সৈয়দ আফসার উদ্দিন লন্ডন বারা অফ টাওয়ার হ্যামলেটসে শিক্ষা  ও কমিউনিটিতে বিভিন্ন সেবা ও অনুপ্রেরণামূলক  কাজের অবদানের জন্য এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

ব্রিটেনের বাঙ্গালি কমিউনিটিতে অত্যন্ত জনপ্রিয় টিভি সংবাদ পাঠক হিসেবে তিনি অধিক পরিচিত। ১৯৯৯ সালে ব্রিটেনের প্রথম স্যাটেলাইট বাংলা চ্যানেল-  বাংলা টিভিতে  সংবাদ পাঠক হিসাবে  ব্রিটেনে বাংলা গণমাধ্যমে তিনি নিজেকে সংযুক্ত করেন।

বাংলাদেশে থাকাকালীন সৈয়দ আফসার উদ্দিন  সংবাদ এবং সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত ছিলেন।  ইত্তেফাক গ্রুপের স্পোর্টস রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেছেন।

যুক্তরাজ্যে  বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস রেডিও তে খেলাধুলা এবং ম্যাগাজিন প্রোগ্রামগুলিতে কাজ করেছেন  আট বছর।  এবং চার বছরের জন্য ভয়েস অফ আমেরিকা রেডিও লন্ডন’র সাংবাদিক হিসাবে কাজ করেছেন।

শিক্ষকতায়  তার রয়েছে ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা।  ১৯৯৫ সাল থেকে ওকল্যান্ড সেকেন্ডারী স্কুলে ফুলটাইম বাংলা শিক্ষক হিসেবে শিক্ষা দান করেন। পাশাপাশি তিনি বাংলা ভাষার পরীক্ষক হিসেবে প্রায় ১৯ বছর দায়িত্ব পালন করেন।

সন্ধ্যাকালীন চাকুরী হিসেবে তিনি ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত সৈয়দ আফসার উদ্দিন  ইসল লেকচারার হিসাবে টাওয়ার হ্যামলেটস কলেজের জন্য কাজ করেন।

বর্তমানে  চ্যানেল এস এর সিনিয়র সংবাদ প্রেজেন্টার হিসেবে কাজ করছেন। তিনি ২০১৭ সালে সেরা পুরুষ সংবাদ উপস্থাপক বিভাগের অধীনে ইস্টউড পুরস্কার জিতেছেন।  ২০১৯ সালে ব্রিটেনের অনলাইন গণমাধ্যম ৫২বাংলা টিভি সৈয়দ আফসার কে  ব্রিটেনে সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য ‘৫২বাংলাটিভি বিশেষ সম্মাননা এওয়ার্ড ২০১৯’  প্রদান করে।

২০০৫ সাল  থেকে তিনি লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের একজন সদস্য। নাট্যকর্মী, আবৃত্তিশিল্পী, ক্রীড়া লেখক ইত্যাদি কাজে যুক্তরাজ্যে তিনি সুপরিচিত।

২০১৯ এবং ২০১৭ সাল, জেসিকিউ (Joint Council for Qualifications) একজন  মেধাবী পরীক্ষক হিসাবে  টানা  দশ বছররেও অধিক  সময় ধরে তার কাজের স্বীকৃতি  হিসাবে  আফসার কে  এওয়াড  প্রদান করে।

এছাড়াও ২০১৫ সালে শিক্ষাবিষয়ক অনুপ্রেরণামূলক কাজের জন্য  সৈয়দ আফসার  বাকিমহাম প্যালেস, টেন ডাউনস্টিট , লন্ডন মেয়র অফিস, সেক্রেটারী অফ স্টেইট ফর এডুকেশন, মিনিস্টার ফর স্কুল, স্কটিশ ফাস্ট মিনিস্টার অফিস থেকেও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক  প্রচারের জন্য স্বীকৃতি পেয়েছেন।

২০১৫ সালে   টাওয়ার হ্যামলেটস এর বেথনালগ্রীনের  স্থানীয় পিতা-মাতা এবং কমিউনিটি  তাঁকে  LEO Parents Achievement Award  প্রদান করে।

তাঁর  দেশের বাড়ি চট্রগ্রামের মিরশ্বরাই  উপজেলা।  জন্ম এবং বেড়ে ওঠা  ঢাকায়।  তার সহধর্মিণীর  বাড়ি  সিলেট জগন্নাথপুর সৈয়দপুর গ্রামে।পারিবারিক  জীবনে সৈয়দ  আফসার  উদ্দিন  স্ত্রী, দুই   ছেলে ও এক  মেয়ে নিয়ে লন্ডনে স্থায়ীভাবে  বসবাস করছেন।  তাঁর স্ত্রী লন্ডনের  টাওয়ার হ্যামলেটস  এর   একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন।

সৈয়দ আফসার কে  ব্রিটেনে সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য ‘৫২বাংলাটিভি বিশেষ সম্মাননা এওয়ার্ড ২০১৯’  প্রদান করে

সৈয়দ আফসার উদ্দিনের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ:

সৈয়দ আফসার উদ্দিন ব্রিটেনের রানী কর্তৃক মর্যাদাকর  এমবিই লাভ করায় সৃষ্টিকর্তার  কাছে কৃতজ্ঞতার পাশাপাশি  তিনি ব্রিটেনের কমিউনিটি, সহকর্মী, স্বজনদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি এই সম্মান বিশ্বের অন্যতম প্রধানভাষা বাংলার প্রতি ব্রিটেনের রানীর আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান। আমি রানীর র্দীঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছ। সে্ই  সাথে রানীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

এই সম্মানের দাবিদার  সমগ্র ব্রিটেনের যারা স্কুল ও কলেজে  বাংলা ভাষা এযাবৎ পড়িয়েছেন এবং পড়াচ্ছনে তারা । গত ২৭ বছরে আমার শিক্ষকতা জীবনের প্রাক্তন ও বর্তমান প্রিয় ছাত্র  – ছাত্রীরা,  বেথনাল গ্রীনের  মা, বাবা, অভিবাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

আমি ওকল্যান্ডস  স্কুলের হেড টিচার প্যাট্রসি ক্যানাভান ও অন্যান্য সহকর্মী এই সম্মান পাওয়ার  ব্যাপারে তাদের সহযোগিতাকে  শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।

এই আনন্দময় মুর্হূতে আমি আমার গৰ্ভধারিণী মা, জন্মদাতা পিতা আমার বাবাকে  শ্রদ্ধার  সাথে স্মরণ করছি। সব সময় পাশে থাকার জন্য প্রিয়তমা স্ত্রী, দুই পুত্র ও এক কন্যা কে ধন্যবাদ জানাতে চাই।

এছাড়া আমার ভাই – বোনদের ও শুভাকাঙ্খীদরে শুভ কামনা সবসময় আমার সাথইে  আছে। যারা আমাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’

 

 

 

 


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন