শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
জীবন যেখানে দ্রোহের প্রতিশব্দ মৃত্যু সেখানেই শেষ কথা নয়..  » «   শিল্প উদ্যোক্তা ও ক্রীড়া সংগঠক মো: জিল্লুর রাহমানকে  লন্ডনে সংবর্ধনা  » «   ঈদের সামাজিক গুরুত্ব ও বিলাতে ঈদের ছুটি   » «   ব্রিটেনে ঈদের ছুটি  প্রসঙ্গে  » «   হজের খুতবা বঙ্গানুবাদ করবেন মাওলানা শোয়াইব রশীদ ও মাওলানা খলিলুর রহমান  » «   হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু, তাবুর শহর মিনায় হাজিরা  » «   ঈদের ছুটি : আমাদের কমিউনিটিতে সবার আগে শুরু হোক  » «   ঈদের দিনে বিলেত প্রবাসীদের মনোবেদনা  » «   বিলেতে ঈদ উৎসব এবং বাঙ্গালী কমিউনিটির অন্তর্জ্বালা  » «   জলঢুপে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমান কেম্প  » «   তিলপাড়ায় বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «   করিমগঞ্জ দিবস  » «   ঈদের ছুটি চাই : একটি সমন্বিত উদ্যোগ অগণিত পরিবারে হাসি ফুটাতে পারে  » «   ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল তিন বন্ধুর  » «   বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের বিনামূল্যে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সৈয়দা আনোয়ারা তাইমুর পরলোকে



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এনআরসিছুট অর্থাৎ ন্যাশনাল রেজিস্টার অব সিটিজেনশিপ-এ নাম অন্তর্ভুক্ত না-হওয়ার দুঃখ নিয়েই পরপারে পাড়ি দিলেন অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সৈয়দা আনোয়ারা তাইমুর! ৮৩ বছর বয়সে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সৈয়দা আনোয়ারা তাইমুর অসমের এযাবৎ প্রথম তথা একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। শুধু তা-ই নয়; সমগ্র ভারতে তিনিই একমাত্র মুসলিম মহিলা মুখ্যমন্ত্রীও বটে! তাঁর মুখ্যমন্ত্রিত্বের কার্যকাল ছিল ৬ডিসেম্বর,১৯৮০ থেকে ৩০ জুন,১৯৮১ পর্যন্ত। প্রায় সাত মাস।
১৯৩৬ সালের ২৪ নভেম্বর অসমের যোরহাটে জন্ম গ্রহণ করেন সৈয়দা আনোয়ারা তাইমুর। আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করে ১৯৫৬ সালে যোরহাটের দেবী চরণ বরুয়া গার্লস কলেজে অর্থনীতির অধ্যাপিকা নিযুক্ত হন। ১৯৭২ সালে প্রথমবারের মতো তিনি বিধায়ক(এমএলএ) নির্বাচিত হন। এর পর ১৯৭৮, ১৯৮৩ ও ১৯৯১ সালে তিনি বিধায়ক(এমএলএ) নির্বাচিত হন। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও তিনি শিক্ষামন্ত্রী, কৃষিমন্ত্রীসহ বিভিন্ন দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে পালন করেন। তিনি জাতীয় কংগ্রেসের মনোনয়নে ১৯৮৮ সালে রাজ্যসভারও সদস্য নির্বাচিত হন।

প্রায় চার দশক জুড়ে তিনি সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। কিন্তু ২০১৮ সালের ৩০ জুলাই প্রকাশিত এনআরসি’র চূড়ান্ত তালিকায় তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত না-হওয়ার দরুন তিনি মানসিকভাবে খুবই আঘাত পান। রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। রাজনীতি থেকে অঘোষিতভাবে অবসর গ্রহণ করে সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ায় ছেলের সঙ্গে বসবাস করতে শুরু করেন।

এনআরসিতে নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আবেদন করার লক্ষ্যে তাঁর কয়েক দিনের মধ্যে অসমে ফিরে আসার কথা থাকলেও অকস্মাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অস্ট্রেলিয়াতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই ক্ষণজন্মা মহীয়সী! তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ব্যক্ত করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়াল, প্রাক্তন মন্ত্রী ও গৌহাটি হাইকোর্টের বরিষ্ট আইনজীবী আবু সালেহ নজমুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন