বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
জীবন যেখানে দ্রোহের প্রতিশব্দ মৃত্যু সেখানেই শেষ কথা নয়..  » «   শিল্প উদ্যোক্তা ও ক্রীড়া সংগঠক মো: জিল্লুর রাহমানকে  লন্ডনে সংবর্ধনা  » «   ঈদের সামাজিক গুরুত্ব ও বিলাতে ঈদের ছুটি   » «   ব্রিটেনে ঈদের ছুটি  প্রসঙ্গে  » «   হজের খুতবা বঙ্গানুবাদ করবেন মাওলানা শোয়াইব রশীদ ও মাওলানা খলিলুর রহমান  » «   হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু, তাবুর শহর মিনায় হাজিরা  » «   ঈদের ছুটি : আমাদের কমিউনিটিতে সবার আগে শুরু হোক  » «   ঈদের দিনে বিলেত প্রবাসীদের মনোবেদনা  » «   বিলেতে ঈদ উৎসব এবং বাঙ্গালী কমিউনিটির অন্তর্জ্বালা  » «   জলঢুপে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমান কেম্প  » «   তিলপাড়ায় বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «   করিমগঞ্জ দিবস  » «   ঈদের ছুটি চাই : একটি সমন্বিত উদ্যোগ অগণিত পরিবারে হাসি ফুটাতে পারে  » «   ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল তিন বন্ধুর  » «   বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের বিনামূল্যে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


যুক্তরাষ্ট্রে স্ত্রীকে হত্যার পর এক বাংলাদেশীর আত্নহত্যা



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের ফিনিক্স শহরের একটি বাসা থেকে এক বাংলাদেশি দম্পতির গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কর্মকর্তারা বলছেন, স্ত্রীকে হত্যার পর আত্মহত্যা করেছেন স্বামী।

গতকাল রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শহরের বেজলাইন রোড ও ৩৯তম অ্যাভিনিউয়ের কাছের সেই বাসায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত দুজন হলেন আবুল আহসান হাবিব (৫২) ও তার স্ত্রী সৈয়দা সোহেলী আক্তার (৪৩)।

২০০৮ সালে পারিবারিক ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে অ্যারিজোনায় থাকতে শুরু করেন এ দম্পতি। তাদের বাড়ি বাংলাদেশের মাগুরায়।

ফিনিক্স পুলিশ বিভাগ জানায়, কলহের জের ধরে স্বামীকে আটক করানোর জন্য সোহেলী আক্তার জরুরি সেবার ৯১১ নম্বরে কল করেন। তখন তার সঙ্গে প্রাপ্তবয়স্ক পুত্র থাকলেও ঘরে ছিলেন না স্বামী হাবিব।

পুলিশ বাসায় গিয়ে সোহেলীর সঙ্গে তার নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কথা বলে। এরপর পুলিশ বাসা থেকে ফিরে আসে, বের হয়ে যান তার পুত্রও। পরে স্বামী ঘরে ফিরে এলে সোহেলী আবার ৯১১ নম্বরে কল দিয়ে পুলিশ ডাকেন। তখনই পুলিশ ওই বাসায় রওয়ানা দিলেও গুলির শব্দ শুনতে পায়। পরে সেই বাসায় গিয়ে দুজনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে।

ফিনিক্স পুলিশ বিভাগের সার্জেন্ট টমি থমসন বলেন, এটি একটি মর্মান্তিক ঘটনা। দুজনের পরিবারের প্রতি আমাদের সমবেদনা রইলো।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন