বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
জীবন যেখানে দ্রোহের প্রতিশব্দ মৃত্যু সেখানেই শেষ কথা নয়..  » «   শিল্প উদ্যোক্তা ও ক্রীড়া সংগঠক মো: জিল্লুর রাহমানকে  লন্ডনে সংবর্ধনা  » «   ঈদের সামাজিক গুরুত্ব ও বিলাতে ঈদের ছুটি   » «   ব্রিটেনে ঈদের ছুটি  প্রসঙ্গে  » «   হজের খুতবা বঙ্গানুবাদ করবেন মাওলানা শোয়াইব রশীদ ও মাওলানা খলিলুর রহমান  » «   হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু, তাবুর শহর মিনায় হাজিরা  » «   ঈদের ছুটি : আমাদের কমিউনিটিতে সবার আগে শুরু হোক  » «   ঈদের দিনে বিলেত প্রবাসীদের মনোবেদনা  » «   বিলেতে ঈদ উৎসব এবং বাঙ্গালী কমিউনিটির অন্তর্জ্বালা  » «   জলঢুপে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমান কেম্প  » «   তিলপাড়ায় বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «   করিমগঞ্জ দিবস  » «   ঈদের ছুটি চাই : একটি সমন্বিত উদ্যোগ অগণিত পরিবারে হাসি ফুটাতে পারে  » «   ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল তিন বন্ধুর  » «   বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের বিনামূল্যে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


নেত্রকোণার সোমেশ্বরী ও নেতাই নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গন আতঙ্কে ১৫ গ্রামের বসতি



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে সোমশ্বেরী নদীতে বেড়ীবাঁধ না থাকায় একের পর এক তীব্র ভাঙন আতংকে দিনাতিপাত করছে। উপজেলার সীমান্তবর্তী কুল্লাগড়া ইউনিয়নের বড়ইকান্দি,ভূলিপাড়া,কামারখালী,রানীখং,বিজয়পুর, পৌরসভার কুল্লাগড়া,শিবগঞ্জ বাজার, ডাকুমারা,দক্ষিণ ভবানীপুর সহ কয়েক গ্রামের মানুষ।

অন্যদিকে নেতাই নদীর ভাঙনে গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের বন্দউষান গ্রামের অসংখ্য বসতি সহ বন্দউষান বাজার, মাদ্রাসা, মসজিদ, কবরস্থান নদীতে তলিয়ে গেছে। এছাড়াও টানা বর্ষনে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে কাকৈরগড়া ইউনিয়নের রামবাড়ী লক্ষীপুর সহ বেশ কিছু গ্রামের মানুষ পানিবন্দী হয়ে জীবনযাপন করছে ।

সোমেশ্বরী ও নেতাই নদীর অবাধ ভাঙনে বিলীন হতে চলেছে ওইসব এলাকার অসংখ্য স্থাপনা, প্রতিষ্ঠান। সাথে । নদী গর্ভে বিলীন হয়ে সর্বহারা অবস্থায় দিন পার করছে বেশক’টি পরিবার। তৃতীয় ধাপে বন্যা হওয়ায় হুমকির মুখে রয়েছে মসজিদ, মন্দিরসহ, বিদ্যালয়, ঐহিত্যবাহী রানীখং ধর্মপল্লী। ভাঙন রোধে স্থানীয়রা নিজ অর্থায়নে বালুর বস্তা ফেলে বাঁধ দেয়ার চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

আজ শনিবার সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ৩য় বারের মতো সোমেশ্বরী নদীতে বন্যার পানি আসায় গাঁওকান্দিয়া, কাকৈরগড়া, বাকলজোড়া, কুল্লাগড়া, চন্ডিগড় ইউনিয়ন এলাকার নিম্নাঞ্চল এলাকা গুলো প্লাবিত হয়েছে। ঘরবন্দি দিন কাটছে অনেকের। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে কৃষকের আমন ফসলি জমি।
কামারখালীর স্থানীয় বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হক জানান, নদীর দুই পাড়ে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবীতে বেশ কয়েকবার মানববন্ধন করেছি, প্রশাসনের উর্দ্ধতন মহল থেকে সরেজমিনে তদন্তও করে গেছেন বেশ কয়েকবার, এখন পর্যন্ত কোন স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নেত্রকোনা জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আক্তারুজ্জামান প্রতিবেদককে বলেন, অল্প দিনের ব্যবধানে অত্র এলাকায় পর পর বন্যা হওয়ায় পানির চাপে বেশ কিছু এলাকা ভেঙে গেছে। ইতিমধ্যে অত্র এলাকায় স্থায়ীবাঁধ নির্মাণের জন্য প্রস্তাবনাও পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু হবে।

এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা খানম প্রতিবেদককে বলেন, সোমেশ্বরী নদীর ভাঙন ঠেকাতে ইতোমধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসক স্যার সহ পানি উন্নয়ন রোর্ডের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বেশ কয়েকবার এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এ নিয়ে স্থানীয় বাঁধ নির্মাণের বড় প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। বৃষ্টিপাত কমলেই বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হবে।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন