শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
জীবন যেখানে দ্রোহের প্রতিশব্দ মৃত্যু সেখানেই শেষ কথা নয়..  » «   শিল্প উদ্যোক্তা ও ক্রীড়া সংগঠক মো: জিল্লুর রাহমানকে  লন্ডনে সংবর্ধনা  » «   ঈদের সামাজিক গুরুত্ব ও বিলাতে ঈদের ছুটি   » «   ব্রিটেনে ঈদের ছুটি  প্রসঙ্গে  » «   হজের খুতবা বঙ্গানুবাদ করবেন মাওলানা শোয়াইব রশীদ ও মাওলানা খলিলুর রহমান  » «   হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু, তাবুর শহর মিনায় হাজিরা  » «   ঈদের ছুটি : আমাদের কমিউনিটিতে সবার আগে শুরু হোক  » «   ঈদের দিনে বিলেত প্রবাসীদের মনোবেদনা  » «   বিলেতে ঈদ উৎসব এবং বাঙ্গালী কমিউনিটির অন্তর্জ্বালা  » «   জলঢুপে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমান কেম্প  » «   তিলপাড়ায় বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «   করিমগঞ্জ দিবস  » «   ঈদের ছুটি চাই : একটি সমন্বিত উদ্যোগ অগণিত পরিবারে হাসি ফুটাতে পারে  » «   ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল তিন বন্ধুর  » «   বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের বিনামূল্যে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


সিলেটের জলাবন রাতারগুলের ওয়াচ টাওয়ারকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষনা



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

সিলেটের জলাবন রাতারগুলের নড়বড়ে ‘ওয়াচ টাওয়ার’ পর্যটকদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় টাওয়ার ওঠানামা পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ঝুঁকির বিষয়টি মাথা নিয়ে সপ্তাহখানেক আগে বন বিভাগ টাওয়ারটিতে ওঠানামা না করতে নির্দেশিকা টানালেও সেটি মানছিলেন না পর্যটকরা।

এমন পরিস্থিতিতে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) থেকে টাওয়ারে ওঠার মুখে বেড়া দিয়ে ওঠানামা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেটের উপ-বন সংরক্ষক এস.এম. সাজ্জাদ হোসেন।

তিনি জানান- ‘ওয়াচ টাওয়ার’ পর্যটকদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছিল। এ অবস্থায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকে টাওয়ারটিতে ওঠানামায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে আলোচনা হয়েছে। তারা যদি বলেন মেরামতের মাধ্যমে ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব তাহলে সংস্কার করা হবে। না পরবর্তীতে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় ছয় মাস রাতারগুলে পর্যটকদের আনাগোনা বন্ধ ছিলো। তখনই ওয়াচ টাওয়ারটির নড়বড়ে অবস্থা পরিলক্ষিত হয়। সম্প্রতি ফের পর্যটকদের যাতায়াত শুরু হলে ওয়াচটাওয়ারে ওঠানামার ক্ষেত্রে সতর্কতার একটি নির্দেশিকা সেখানে সাঁটানো হয়। কিন্তু এ নির্দেশনা না মেনে একসঙ্গে একাধিক পর্যটক সেখানে ওঠানামা করায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকে পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ওয়াচ টাওয়ারটি নির্মাণকালেও এর বিরোধিতা করে আসছিলেন পরিবেশবাদী নেতারা।

এ ব্যাপারে ভূমিসন্তান বাংলাদেশ’র সমন্বয়ক আশরাফুল কবির জানান- ‘ওয়াচ টাওয়ারটি নির্মাণকালের শুরুতেই এটি অপরিকল্পিত মনে হয়েছে। যেখানে ঝুঁকির বিষয়টি শুরু থেকে ছিলোই। তাছাড়া বিস্তীর্ণ জলাবন রাতারগুলে এটি নির্মাণ হলে পর্যটকদের এককেন্দ্রিক যাতায়াতে বন্য প্রাণিদের নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কাও ছিল। সব মিলিয়ে শুরু থেকে আমরা সংশ্লিষ্টদের বলে আসছিলাম। দীর্ঘ ৬ বছর পরে এটিই প্রমাণিত হলো- আমাদের দাবিটাই সঠিক ছিল।’

দেরিতে হলেও ওয়াচ টাওয়ারটিতে ওঠানামায় নিষেধাজ্ঞা জারি করায় তিনি সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নে অবস্থিত রাতারগুল জলাবনটিকে ১৯৭৩ সালে সংরক্ষিত ঘোষণা করে বন বিভাগ। রাতারগুল বাংলাদেশের একমাত্র সমৃদ্ধ জলার বন। প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা হিজল-করচ-বরুণগাছের পাশাপাশি বেত, ইকরা, খাগড়া, মূর্তা ও শণজাতীয় গাছ রাতারগুলকে জলার বন হিসেবে অনন্য করেছে।

বনে ৭৩ প্রজাতির উদ্ভিদের সঙ্গে ২৫ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ২০ প্রজাতির সরীসৃপ, ১৭৫ প্রজাতির পাখি ও ৯ প্রজাতির উভচর প্রাণীর অস্তিত্ব রয়েছে। এই জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জাতীয় উদ্যান পরিকল্পনার আওতায় ওয়াচটাওয়ার নির্মাণসহ কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০১৪ সালে রাতারগুলে ওয়াচটাওয়ারটি নির্মাণ করা হয়।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন