বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
জীবন যেখানে দ্রোহের প্রতিশব্দ মৃত্যু সেখানেই শেষ কথা নয়..  » «   শিল্প উদ্যোক্তা ও ক্রীড়া সংগঠক মো: জিল্লুর রাহমানকে  লন্ডনে সংবর্ধনা  » «   ঈদের সামাজিক গুরুত্ব ও বিলাতে ঈদের ছুটি   » «   ব্রিটেনে ঈদের ছুটি  প্রসঙ্গে  » «   হজের খুতবা বঙ্গানুবাদ করবেন মাওলানা শোয়াইব রশীদ ও মাওলানা খলিলুর রহমান  » «   হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু, তাবুর শহর মিনায় হাজিরা  » «   ঈদের ছুটি : আমাদের কমিউনিটিতে সবার আগে শুরু হোক  » «   ঈদের দিনে বিলেত প্রবাসীদের মনোবেদনা  » «   বিলেতে ঈদ উৎসব এবং বাঙ্গালী কমিউনিটির অন্তর্জ্বালা  » «   জলঢুপে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমান কেম্প  » «   তিলপাড়ায় বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «   করিমগঞ্জ দিবস  » «   ঈদের ছুটি চাই : একটি সমন্বিত উদ্যোগ অগণিত পরিবারে হাসি ফুটাতে পারে  » «   ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল তিন বন্ধুর  » «   বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের বিনামূল্যে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


পোল্ট্রি খামারী আরিফ শেখ এখন স্বাবলম্বী



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

বাগেরহাট জেলার, ফকিরহাট উপজেলার লখপুর ইউনিয়নের জাড়িয়া মাইট কুমরা গ্রামের পোল্ট্রি খামারী মোঃ আরিফ শেখ বিভিন্ন প্রজাতির মুরগী চাষ করে এখন আগের চেয়ে অনেক স্বাবলম্বী হয়েছেন। করোনা পরিস্থিতির কারণে গত কয়েক মাস যাবৎ ফার্মের ব্যাবসায় ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছিল। সে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় আবারও নতুন করে পোল্ট্রি খামারীরা লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন। সরকারী ভাবে এই সমস্ত চাষিদেরকে আর্থিক ভাবে কিছুটা সহযোগীতা করলে তারা এ অঞ্চলের মাংস ও ডিমের চাহিদা অনেকটা পূরণ করতে সক্ষম হবে।

জানা গেছে, উপজেলা ৮টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের শতশত খামারী পোল্ট্রি মুরগীর চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। কিন্তু গত কয়েক মাসের করোনা পরিস্থিতির কারনে এ শিল্পে চরম ধস নেমে আসে। তার পরেও পোল্ট্রি খামারীরা হাল ছাড়েননী। তাঁরা শত প্রতিকুলতার মধ্যে থেকেও এ শিল্পকে টিকিয়ে রেখেছেন। তারই একজন মোঃ আরিফ শেখ। তিনি গত কয়েকবার তাঁর পোল্ট্রি খামারে বিভিন্ন প্রজাতির মুরগীর বাচ্চা উঠিয়ে চরম ভাবে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় তিনি তাঁর ফার্মের তিনটি সেটের ১টিতে ৫হাজার ১শত মুরগীর বাচ্চা তুলেছেন। এর মধ্যে সোনালী ২হাজার ও কক ৩১শত। গত চালানে তিনি মুরগী বিক্রয় করে লাভও করেছেন ভালো।

মোঃ আরিফ শেখ বলেন, চাকুরীর পিছনে না পড়ে থেকে যদি শিক্ষিত বেকার যুবকরা পোল্ট্রি খামারের দিকে ঝুকে পড়েন তবে অনেকের বেকারত্ব ঘুচানো সম্ভব হতো।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন