রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ আশ্বিন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে মুজাহিদ উদ্দীন চৌধুরী দুবাগী ছাহেব কিবলার ঈসালে সওয়াব উপলক্ষে আলোচনা ও মিলাদ মাহফিল  » «   গোলাপগঞ্জের কমলগঞ্জে মৎস্য শেড এর উদ্বোধন  » «   সংযুক্ত আরব আমিরাতে কোবিড ১৯ ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী  » «   রোম বিডি স্পোটিং ক্লাব ইতালীর বার্ষিক বনভোজন ও পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা  » «   কলমাকান্দায় পক্ষাঘাত আক্রান্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাকে চাঁদাবাজী মামলায় প্রধান আসামি !  » «   আপটন পার্ক লন্ডনে  এস.এম সাকসেস লিমিটেড  এর শুভ যাত্রা  » «   করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা: ফের লকডাউনে ব্রিটেন-ইউরোপ  » «   মৃত্যু বাড়ছে প্রতিদিন,নতুন ধারার লকডাউনে ব্রিটেন  » «   আল্লামা আহমদ শফীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক  » «   বাগেরহাটের চিতলমারীতে মহা ধুমধামে ভাদ্র সংক্রান্তি উদযাপন  » «   মোংলায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে খুলনা সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আঃ খালেক  » «   সিলেটে অন টাইম বিডি ডেলিভারি এন্ড সার্ভিস বর্ষপূর্তিতে অ্যাওয়ার্ড প্রদান করবে  » «   লন্ডনে বৃহত্তর বাগলা প্রবাসী এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে আলোচনা সভা  » «   সরকার চা শ্রমিকদের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে—পরিবেশ মন্ত্রী  » «   লাফিয়ে বাড়ছে পিঁয়াজের দাম  » «  

প্রসঙ্গ : রামমন্দির



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 23
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    23
    Shares

বিষয়টি শুধু শুধু ধর্মসম্পর্কিত নয়। শুধু শুধু রামমন্দির আর বাবরি মসজিদ-সংশ্লিষ্টও নয়।বিষয়টি আধিপত্যের। প্রতাপের! সবল আর দুর্বলের ব্যাপার। সংখ্যাগুরু আর সংখ্যালঘু-সংশ্লিষ্ট। ভারতবর্ষে মুসলিমরা সব দিক দিয়ে দুর্বল। সংখ্যায়। রাজনৈতিক ক্ষমতায়। শক্তির আস্ফালনে।

হিন্দুরা সবল! সংখ্যায় সবল! রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে সবল! বাহুবলে বলিয়ান! প্রতাপের রাজনীতিতে প্রবল বিশ্বাসী!

মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলে কী হত। এমন কাকদন্ত গবেষণা করে আজকাল যারা বলতে পারছেন, হিন্দু খতরে মে হায়, তাদের মস্তিষ্কে উপনিবেশ গেড়েছে উনিশ শতকীয় হিন্দু পুনরুত্থানবাদ। বঙ্কিম চন্দ্রিয় হিন্দুত্ববাদ! তারা যেন-তেন-প্রকারেণ মুসলিমদের একই শ্রেণিভুক্ত করতে কসরৎ করছেন। মুসলিমদের কল্পিত শত্রু হিসেবে মনে মনে উপস্থাপন করছেন। আসলে শত্রু হতে হলে ‘সমকক্ষতা’ দরকার। ভারতবর্ষে মুসলিমরা সেই প্রতিস্পর্ধী অবস্থানে নেই। আগামী পাঁচ শত বছরেও সেই সমকক্ষতা/সক্ষমতা অর্জিত হওয়ার কোনও সম্ভাবনা তো দূর, লক্ষণটুকুও নেই।

একশ বছর আগে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মুসলিমদের ‘সমকক্ষতা’র কথা উচ্চারণ করেছিলেন বটে। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ ব্যঙ্গল প্যাক্টের মাধ্যমে সেই সমকক্ষতা প্রদানের চেষ্টা করেছিলেন। নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু তাঁর আদর্শের দ্বারা হিন্দু ও মুসলমানকে এক সঙ্গে ধারন করতে পেরেছিলেন বটে। বিগত নব্বই বছরে আর কোনও ভারতীয় হিন্দু-মুসলিম সমন্বয়ের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেননি। সুতরাং, কেউ অন্ধ হলে প্রলয় বন্ধ হয় না। প্রলয় চলছে! হিন্দুত্ববাদের প্রলয়! তাই, খড়কুটোর মতো সব ভেসে যাচ্ছে; এক্ষেত্রে অযথা মুসলিমদের উপর কল্পিত দোষারোপ করে প্রলয় থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে না। যার যার ইচ্ছা, স্রোতে গা ভাসাতেই পারেন। অন্যায়কে অন্যায় বলার মতো সৎসাহস দরকার। সেই উচ্চারণ সংখ্যাগুরু জনগোষ্ঠীর পক্ষ থেকেই উত্থাপিত হওয়া চাই। সেই সৎসাহস যখন নেই, তখন মুসলিমদের দোষারোপ করে পরিস্থিতিকে ব্যালেন্স করা অমানবিক। হ্যাঁ, রীতিমতো অমানবিক।

রামমন্দির নির্মাণে কোনও ইসলামি সংগঠন বা মুসলিম ব্যক্তিবর্গ বাধা দেননি। তাই, আবালদের মতো কথা যারা বলেন, তাদের প্রতি তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। রামমন্দির স্থাপনের মাধ্যমে দেশে শান্তি, সমৃদ্ধি, প্রগতি প্রতিষ্ঠিত হলে দেশের কোনও মুসলমানের পক্ষেই রামমন্দিরের বিরোধিতা করার কথা নয়। অদূর ভবিষ্যতেও কোনও আবাল মার্কা বুদ্ধিজীবী যদি বিষয়টিকে একাকার করার অপচেষ্টা করেন, ইতিহাস তাকে ক্ষমা করবে না। ভারতীয় মুসলিমদের হাজার বছর এ-উপমহাদেশকে শাসন করার গৌরবময় ঐতিহ্য আছে। সেই ঐতিহ্যকে লালন করবে যে-কোনও মূল্যে। রামমন্দির স্থাপনে বিরোধ বা সমর্থনের প্রশ্ন-ই আসে না।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 23
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    23
    Shares