শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
কেসি সলিসিটর্সের দশক পূর্তি উদযাপন  » «   বঙ্গবন্ধু স্কলারশিপ আন্তর্জাতিক অঙ্গণে বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রতিচ্ছবি  » «   লীলা নাগের স্মৃতি রক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উদ্যোগ নেবে  » «   ফুসফুস-ক্যান্সার পরীক্ষার জন্য মাইল এন্ড লেজার সেন্টারে স্থাপন করা হচ্ছে বিশেষ ‘স্ক্রিনিং মেশিন’  » «   অলি-মিঠু-টিপু প্যানেলের পরিচিতি ও ইশতেহার ঘোষণা  » «   ২০ নভেম্বর লন্ডনের রয়েল রিজেন্সিতে ৫ম বেঙ্গলী ওয়েডিং ফেয়ার  » «   একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির যুক্তরাজ্য শাখা গঠিত  » «   টি আলী স্যার ফাউন্ডেশন সম্মাননা পেলেন সিলেটের ২৪গুণী শিক্ষক  » «   নওয়াগ্রাম প্রগতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফুল, ফল ও ঔষধি বৃক্ষরোপণ  » «   আলোকিত মানুষ শিক্ষক মো. সমছুল ইসলাম এর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী  » «   সিলেটের বিয়ানীবাজারে একটি পরিত্যক্ত কূপে তাজা গ্যাসের মজুদ আবিষ্কৃত  » «   বাংলাদেশী কারী  ব্রিটেনের প্রবৃত্তি ও খাবার সংস্কৃতিতে অনন্য  অবদান রাখছে  » «   পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীবাদের প্রতিবন্ধকতা  » «   রিষি সুনাক এশিয়ান বংশদ্ভোত, কনজারভেটিভ এবং ধনীদের বন্ধু  » «   গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাব নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহবান  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


ভালবাসাই হোক আমাদের সম্প্রীতির উৎস



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

 

হিংস্রতার মাধ্যমে ক্ষণস্থায়ী বিজয় অর্জন হয়তো সম্ভব। কিন্তু হিংস্রতা কখনও সমাজে স্থায়ীভাবে শান্তি আনতে পারে না।

ড. মার্টিন লুথার বলেছিলেন ‘অসহিংসতা হচ্ছে একটি শক্তিশালী অস্ত্র, যা সমাজে শান্তি নিয়ে আসতে পারে। তাই এটাই হচ্ছে একমাত্র শান্তির পথ।’
আমরা যদি একটু চোখ,কান খোলা রেখে- কোন ঘৃণা ছড়িয়ে নয় , আবেগতাড়িত হয়ে নয় , যুক্তি , বুদ্ধি আর শাণিত কথার বাক্যবাণ দিয়ে , গঠনমূলক সমালোচনা করে , সামাজিক সমস্যা আর অসংগতিকে উন্মোচন করতে পারি।  আমরা এই মহামারী করোনা থেকে বিশ্বের সাদা , কালো , শ্রমজীবি , পেশাজিবী , ধর্ম ,বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণীর মানুষের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা আর অকুন্ঠ ভালবাসা অর্জনের শিক্ষা নেওয়ার।

এই বহুজাতিক , বহুভাষী , বহু ধর্মের সমন্বয়ে গঠিত অসাম্প্রদায়িক সমাজে আমরা , আমাদের সন্তানেরা একসাথে সম্প্রিতীর বন্ধনে আবদ্ধ । এই সময়ে আমাদের কোন চিন্তা , কর্ম বা শব্দ দিয়ে কারও অনুভুতিকে আঘাত করা উচিত না । পরিবর্তনশীল প্রযুক্তিময় এই প্রগতিশীল সমাজে , কোন বিশেষ ধর্ম , ছোট জাত , বড় জাত বিষয়ে কারণে অকারণে বেশী কথা বলার দরকার নেই ।

এই মহাবিশ্বের মহামারী পরবর্তী অনেক সম্ভাবনার স্বপ্ন আমরা দেখছি । আমরা প্রতিবাদ করব , প্রতিরোধ করব সকল অসংগতি , অনৈতিকতার বিরুদ্ধে , কিন্তু তা হতে পারে, কাউকে বা কোন ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী, এলাকা  বা  সম্প্রদায়কে অপমান করে নয়, ভালবাসার মাধ্যমে ।

আমরা বর্তমানে যে শিক্ষা নিলাম,তা যদি একটু মনোযোগ সহকারে বিবেচনা করি তাহলে খুবই সহজে অনুমেয় যে,
বেঁচে থাকার জন্য আসলে তেমন বেশি কিছু দরকার নাই!
*দোকানে আড্ডা না দিয়েও সময় কাটানো যায়!
*নিজের পরিবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ!
*আমাদের বেশিরভাগ পরিশ্রম বিনা কারণে!
*মানুষের সামর্থ খুবই সিমীত!
*প্রকৃতির সামনে মানুষ কিছুই নয়, প্রকৃতি মানুষকে আশ্রয় দিয়েছে মাত্র!
*মরণঘাতী রোগ হলে অনেক সম্পদ আর ক্ষমতা কোন কাজে আসে না!
কিসের এতো বাহাদুরি ??
গানের একটি লাইন দিয়ে শেষ করি ” এক বিন্দু ভালবাসা দাও, এক সিন্দু হ্নদয় দেব”
ঘৃণা দিয়ে নয় ভালবাসা ই হোক আমাদের সম্প্রিতীর উৎস।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

"এই বিভাগে প্রকাশিত মতামত ও লেখার দায় লেখকের একান্তই নিজস্ব " -সম্পাদক