শনিবার, ৩০ মে ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
করোনায় শামসুদ্দিন হাসপাতালের নার্সিং কর্মকর্তার মৃত্যু  » «   দুঃসহ সময়, তবুও ব্রিটেন যেন বেরিয়ে আসতে চায়  » «   ইউরোপের পর দুবাইও স্বাভাবিক হচ্ছে  » «   লিবিয়ায় নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় পাওয়া গেছে  » «   সৌদি আরবে মসজিদ খোলার বিষয়ে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ও বিধিনিষেধ  » «   লিবিয়ায় মানবপাচারকারীর হাতে ২৬বাংলাদেশি সহ ৩০ জনকে গুলি করে হত্যা  » «   পূর্ব লন্ডনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিরাপদ আছেন বাসিন্দারা  » «   বাংলাদেশে সীমিত আকারে গণপরিবহনও চলবে  » «   বৈরুত বাংলাদেশ দূতাবাসের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ  » «   বেলজিয়ামে জনজীবন স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে  » «   লন্ডনে একইদিনে বিয়ানীবাজারের দুই প্রবীণ ব্যক্তি মারা গেছেন  » «   অবৈধদের বৈধতার দাবিতে স্পেনে মানববন্ধন  » «    বিসিএ‘র প্রসংশায় হাউস অফ লর্ডস  » «   নাদেল ও আজাদের রোগমুক্তি কামনায়  পর্তুগাল ছাত্রলীগের দোয়া মাহফিল  » «   স্পেনে ১০ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা  » «  

বইমলোয় বিজ্ঞানী ড. ফয়জুর রহমান আল সিদ্দিকীর ছুটে চলা



অবসরপ্রাপ্ত বিজ্ঞানী ড. ফয়জুর রহমান আল সিদ্দিকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়ন শাস্ত্রে অনার্স পরবর্তীতে ইংল্যান্ডের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী প্রয়াত ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার সহকর্মীও। লিখেছেন ‘বাঙালির জয়, বাঙালির ব্যর্থতা’ নামের একটি বই।

বইটি বিক্রির জন্য নিজেই ছুটে চলছেন বইমেলার এক স্টল থেকে আরেক স্টলে। উদ্দেশ্য নিজের বইটি বিক্রি করা। একে একে জীবনের ৮৬ বছর পার করেও বয়সের ভারে ক্লান্ত হননি। ওনার হাতে ব্যাগভর্তি বইয়ের ভারে ক্ষয়ে যাওয়া জুতা ও নিজের লালিত স্বপ্ন নিয়েই দ্রুত হেঁটে নিজের লেখা বই ‘বাঙালির জয়,বাঙালির ব্যর্থতা’ ফেরি করছিলেন।

সম্প্রতি একজন অমর একুশে বইমেলায় এই মানুষটাকে দেখে বইয়ের কথা এবং ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করলে অনেকের নজরে আসেন।

বইমেলায় ফেরি করার সুফলও তিনি পেয়েছেন। প্রবীণ এ স্কলারকে মানুষের কাছে তুলে ধরতে এগিয়ে এলো ‘স্বপ্ন’। ড. ফয়জুর রহমান আল সিদ্দিকীর লেখা বইটি এখন থেকে স্বপ্নের আউটলেটে পাওয়া যাবে।

১৯৩৪ সালে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানার চরমধুচারিয়া গ্রামে ফয়জুর রহমানের জন্ম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়ন শাস্ত্রে অনার্স করেন। ইংল্যান্ডের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করে ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধীনে সহকারী পরীক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে নিউক্লিয় শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের ওপর দীর্ঘদিন গবেষণা করেন।

১৯৯২ সালে ওই সংস্থার নিউক্লিয় বিজ্ঞান ও গবেষণা ইস্টিটিউটের পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। তিনি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির রসায়ন শাস্ত্রের শিক্ষক ছিলেন। রিজিওনাল কো-অপারেটিভ এগ্রিমেন্ট নামক একটি দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক ফোরামে দীর্ঘ সাত বছর বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। তার নিজস্ব গবেষণার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন জার্নালে লেখা প্রকাশিত হয়েছে।
সূত্র: জাগো নিউজ