সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা এখন আর স্বপ্ন নয় : ড.ম.খা. আলমগীর  » «   করোনা ভাইরাস বর্ণবাদ এবং মানবিক বিপর্যয়  » «   গ্রেটার সিলেট কাউন্সিলের আনন্দ সভা  » «   কবি মেহবুবা হক রুমা‘র কাব্যগ্রন্থ: অষ্টাদশীর অষ্টপ্রহর  » «   কবি ঝিঁনুক জোবায়দা‘র কাব্যগ্রন্থ : কিছু তার আমি হই কিছু তার আমি নই  » «   অসমে সরকারি মাদ্রাসা বন্ধ হচ্ছে : ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর  » «   বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ৫০ বিষয়ে ৫০ বই  » «   বই মেলায় কবি ইসলাম সাইফুল এর কাব্যগ্রন্থ  কপোতাক্ষীর সাথে আধেক প্রেম  » «   একুশে মেলায় কবি জোহরা রুবী‘র কাব্যগ্রন্থ: অসীমতা ছোঁবই আমি  » «   গোলাপগঞ্জে হাজী আতাউর রহমান মেধা বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন  » «   লন্ডনে প্রয়াত স্বজনদের জন্য আলীনগর ইউনিয়নবাসির দোয়া মাহফিল  » «   সিলেট এক্সপ্রেস ক্লাবের এন্যুয়েল এওয়ার্ড ইভিনিং এবং চ্যারিটি ডিনার সম্পন্ন  » «   করনো ভাইরাসে লন্ডনে ইজলিংটন সার্জারি বন্ধ  » «   বিয়ানীবাজার পৌর কল্যাণ সমিতি ইউকে’র বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান  » «   ইতালী আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল ২৯শে মার্চ  » «  

দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ই-পাসপোর্ট উদ্বোধন



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির জনকের মুজিববর্ষের প্রথম উপহার ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট)। অতীতের মতো আর গলাকাটা পাসপোর্ট হবে না। ফলে মানুষ আর ধোঁকায় পড়বে না। দক্ষিণ এশিয়ায় আমরাই প্রথম ই-পাসপোর্ট শুরু করলাম। বাংলাদেশ আরও একধাপ এগিয়ে গেল।

বুধবার বেলা ১১টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ই-পাসপোর্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরাও পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন সেবাকে যুগোপযোগী করতে ই-পাসপোর্ট প্রদান শুরু করলাম।ই-পাসপোর্টের সঙ্গে ই-গেটও সংযোজিত হচ্ছে। ই-পাসপোর্ট ও ই-গেট সংযোজিত হলে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট সেবা সহজ, স্বাচ্ছন্দ্যময় ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হবে।তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণের হাতে ই-পাসপোর্ট পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমে জাতির পিতার সোনার বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে আরও একটি মাইলফলক স্পর্শ করা হলো।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের সব উদ্যোগকে ডিজিটাল কার্যক্রমে রূপান্তরিত করেছে। দেশের অভ্যন্তরে ৬৪টি জেলায় ৬৯টি পাসপোর্ট অফিস, ৩৩টি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট, বিদেশস্থ ৭৫টি বাংলাদেশ মিশনের পাসপোর্ট ও ভিসা উইংয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট, ভিসা ও ইমিগ্রেশন সেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের সরকার রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এ দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন সুখে এবং শান্তিতে বসবাস করতে পারে সে জন্য আমরা ডেল্টাপ্লান ২১০০ ঘোষণা করেছি। ১০০ বছর পর এ দেশের মানুষ কেমন দেশ পাবে সে পরিকল্পনাও আমরা প্রণয়ন করেছি। দেশের মানুষের কল্যাণেই এসব পরিকল্পনা।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রধানমন্ত্রীকে ই-পাসপোর্ট হস্তান্তর করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শহীদুজ্জামান ও জার্মান দূতাবাস ঢাকার রাষ্ট্রদূত পিটার।

ই-পাসপোর্টের প্রকল্প পরিচালক ব্রি গ্রেডিয়ার জেনারেল সাইদুর রহমান খান অনুষ্ঠানে একটি তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন।ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

প্রধানমন্ত্রী ই-পাসপোর্ট ভবনের শুভ উদ্বোধন করেন। অধিদফতর ও জার্মান দূতাবাসের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা স্মারক উপহার দেয়া হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী পাসপোর্ট অফিসের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।