রবিবার, ৩ জুলাই ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
বিলেতে কারী শিল্পে ঈদের ছুটি সময়ের দাবি  » «   ঈদের ছুটি  » «   ইউরোপে জ্বালানি সংকট চরমে, বিকল্প ভাবতে হচ্ছে ইউরোপকে  » «   হাইডে প্রবীণদের স্মরণে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল  » «   ঈদের দিন হোক সবার উৎসবের দিন  » «   ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হসপিটাল সিলেটের সার্টিফিকেট বিতরণী অনুষ্ঠিত  » «   নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশী সমিতি’ ইউকে’র যাত্রা শুরু  » «   ব্রিটেন প্রবাসে ঈদ ছুটি নিয়ে ভাবনা ও আমাদের করণীয়  » «   ঈদে ছুটি নাই  » «   কমিউনিটি ও পরিবারের স্বার্থকে প্রাধান্য দিলে ঈদের ছুটি নিয়ে দ্বি-মত থাকবে না- শায়খ আব্দুল কাইয়ুম  » «   ব্রিটেনে ঈদ হলিডে : আকাঙ্ক্ষা ও বাস্তবতা  » «   দয়া নয়, ঈদের ছুটি শ্রমজীবি মুসলমানদের অধিকার  » «   ব্রিটেনে ঈদের ছুটি নিয়ে কমিউনিটি ও মানবাধিকার নেতারা যা বলেন  » «   বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃক বন্যা দুর্গতদের চিকিৎসার্থে বিনামূল্যে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «   যুক্তরাজ্যে ঈদের ছুটির দাবীতে  আলতাব আলী পার্কে সমাবেশ অনুষ্ঠিত  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


”দিল্লি, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, এবং আসামেও বিজেপি’র দিন শেষ ”



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ঝাড়খণ্ড মুক্তি মঞ্চ(জেএমএম) প্রার্থী সংগ্রেস জোটের হেমন্ত সরেন আজ রবিবার রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে ভারতে বিজেপি যুগের পতনের সূচনা শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করে বিরোধী জোটের নেতারা।

কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধিঁ, আম অদমি পার্টির সনজয় সিং, পশ্চিম বঙ্গের মমতা ব্যনার্জী সহ সকল বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের এক মঞ্চে দেখা যায় শপথ অনুষ্ঠানে। গত ২০ ডিসেম্বর ৮১ আসনের নির্বাচনে কংগ্রেস জোট ৪৭ আসনে নির্বাচিত হয় যেখানে ক্ষমতাসীন বিজেপি পেয়েছিল মাত্র ২৫ টি আসন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন প্রথমবারের মতো কোন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ অনুষ্ঠানে এতো সংখ্যক বিরোধী নেতারা এক মঞ্চে একত্রিত হয়েছেন। একসাথে তাদের এমন উপস্থিতি নাগরিকত্ব আইন নিয়ে চলমান আন্দোলনের জন্য একটি বার্তা বহন করে যে বিরোধী দলগুলো এ আইন রুখে দিতে জোটবদ্ধ।

‘ভারত রক্ষা ও সংবিধান রক্ষা’ নামে প্রচারণার মাধ্যদিয়ে রাজ্যটিতে এমন পরিবর্তন আসে। কংগ্রেস নেতা উদিত রাজ বলেন, “এটা বিজেপি যুগের পতনের সূচনা। গণনা শুরু হয়েছে, সকল রাজ্যে বিজেপি হারতে শুরু করেছে। তাদের হাতে কোন রাজ্য থাকবে না। দিল্লি, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, এবং আসামেও তাদের দিন শেষ।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বিরোধী দলগুলো জোটবদ্ধ হওয়াকে শুধু বিক্ষোভ প্রদর্শন কিংবা নাকরিকত্ব আইনের বিরোধিতা নয় বরং ভবিষ্যতে আসন্ন বেশ কয়েকটি রাজ্য নির্বাচনে তাদের জোটবদ্ধ অবস্থানকে জানান দিচ্ছে বলে বলছেন।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন