রবিবার, ৩ জুলাই ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
বিলেতে কারী শিল্পে ঈদের ছুটি সময়ের দাবি  » «   ঈদের ছুটি  » «   ইউরোপে জ্বালানি সংকট চরমে, বিকল্প ভাবতে হচ্ছে ইউরোপকে  » «   হাইডে প্রবীণদের স্মরণে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল  » «   ঈদের দিন হোক সবার উৎসবের দিন  » «   ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হসপিটাল সিলেটের সার্টিফিকেট বিতরণী অনুষ্ঠিত  » «   নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশী সমিতি’ ইউকে’র যাত্রা শুরু  » «   ব্রিটেন প্রবাসে ঈদ ছুটি নিয়ে ভাবনা ও আমাদের করণীয়  » «   ঈদে ছুটি নাই  » «   কমিউনিটি ও পরিবারের স্বার্থকে প্রাধান্য দিলে ঈদের ছুটি নিয়ে দ্বি-মত থাকবে না- শায়খ আব্দুল কাইয়ুম  » «   ব্রিটেনে ঈদ হলিডে : আকাঙ্ক্ষা ও বাস্তবতা  » «   দয়া নয়, ঈদের ছুটি শ্রমজীবি মুসলমানদের অধিকার  » «   ব্রিটেনে ঈদের ছুটি নিয়ে কমিউনিটি ও মানবাধিকার নেতারা যা বলেন  » «   বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃক বন্যা দুর্গতদের চিকিৎসার্থে বিনামূল্যে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «   যুক্তরাজ্যে ঈদের ছুটির দাবীতে  আলতাব আলী পার্কে সমাবেশ অনুষ্ঠিত  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


বৃহস্পতিবার প্রত্যাবাসনের জন্য কোন রোহিঙ্গা পাওয়া যায় নি



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, প্রত্যাবাসনের জন্য কাউকে না পাওয়াটা দুঃখজনক, তবে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়নি, আগামীতেও চলবে। কাউকে পাওয়া গেলে পাঠানো হবে।

তিনি বলেন, আমরা আশা করেছিলাম আজ থেকে স্বল্প আকারে হলেও প্রত্যাবাসন শুরু হবে। তবে এখন পর্যন্ত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হয়নি। কিন্তু আমরা আশা ছাড়িনি। আমরা এখনো প্রত্যাবাসন ইস্যুতে আশায় বুক বেঁধে আছি। আজকের বিষয়টি দুঃখজনক। পরবর্তী সময়ে কী করব, আমরা বসে সিদ্ধান্ত নিয়ে জানাব।

বৃহস্পতিবার (২২ আগষ্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা প্রত্যাবাসন ঠেকাতে প্রচার চালিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রোহিঙ্গাদের আরামের জীবন থেকে আরাম কমানো হবে, যাতে তারা ফিরতে রাজি হয়।

রোহিঙ্গা সমস্যা মিয়ানমারের সৃষ্টি এবং এ সংকটের সমাধান তাদের কাছেই উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমরা জোর করে কাউকে পাঠাব না। আমরা স্বেচ্ছায় নিরাপদ প্রত্যাবাসন চাই। রোহিঙ্গা সংকটের মূলে আস্থার অভাব রয়েছে। এজন্য আমরা সবশেষ চতুর্থ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে প্রস্তাব করেছিলাম, আস্থা তৈরির জন্য কক্সবাজারের একাধিক শিবিরে যেসব রোহিঙ্গা মাঝি বা নেতা রয়েছেন তাদের রাখাইন নিয়ে ঘুরিয়ে দেখানো হোক, যেন রোহিঙ্গাদের মধ্যে আস্থার যে অভাব আছে তা দূর হয়।

তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরে না যাওয়ার জন্য শিবিরগুলোতে অনেক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রচারণা চালাচ্ছে। চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ঢাকার পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা এখন চিন্তা করেছি, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের জন্য একটি কমিশন গঠন করব, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা থাকবেন।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন