সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২ পৌষ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
মালয়েশিয়াস্থ বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের অর্থ সম্পাদকের বিদায়ী সংবর্ধনা  » «   জকিগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউকে’র সাধারণ সভা ও নির্বাচন  সম্পন্ন  » «   যুক্তরাজ্যে চার ব্রিটিশ-বাংলাদেশী পার্লামেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী  » «   লেবারের ধ্বস, ব্রেক্সিটেই ব্রিটেনের যাত্রা  » «   ব্যারিস্টার ইমনকে আওয়ামী সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক করার দাবি  » «   টানা চতুর্থ বার বিজয়ী হলেন ব্রিটিশ-বাংলাদেশী রুশনারা আলী  » «   পপলার এন্ড লাইমহাউজ আসনে লেবার পার্টির আপসানা বেগম বিজয়ী  » «   বাংলাদেশ এবং আমিরাতের জন্মগত মিল আছে  » «   বিয়ানীবাজার প্রগতি এডুকেশন ট্রাস্টের বিশেষ সাধারণ সভা সম্পন্ন  » «   ১৯টি স্বর্ণের মধ্যে ৯টি’ই মেয়েদের  » «   ব্রিটেন নির্বাচনে ব্রেক্সিট না মানবিকতা?  » «   ব্রিটিশ-বাংলাদেশী রুশনারা আলী আবারও এমপি হচ্ছেন!  » «   মিয়ানমারকে বয়কটের ঘোষণা ৩০ মানবাধিকার সংস্থার  » «   ভয়েস অব বার্সেলোনার সান্তা কলমা শাখা কমিটি ঘোষনা  » «   ৫২ বাংলা টিভির মধ্যপ্রাচ্য টকশো ‘প্রবাসি সংযোগ’  » «  

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার



রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার।  বুধবার (২১আগষ্ট) বিকেলে পরররাষ্ট্র মন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন গণমাধ্যমকে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বিষয়ে সম্মত হয় বাংলাদেশ ও মিয়ানমার। বাংলাদেশের দেওয়া ২২ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা থেকে তিন হাজার ৫৪০ জনকে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় মিয়ানমার।

দুই দেশের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে গত ১৫ আগস্ট বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়।

সেনাবাহিনীর নিপীড়ন ও হত্যাযজ্ঞের কারণে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ রয়েছে।

২০১৮ সালে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের সঙ্গে আলাদা চুক্তি করে মিয়ানমার। চুক্তি অনুযায়ী গত বছরের ১৫ নভেম্বর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের তারিখ থাকলেও রোহিঙ্গারা যেতে অস্বীকৃতি জানায়। কারণ হিসেবে সেখানে আবারও হামলার আশঙ্কা প্রকাশ করে তারা।

প্রায় এক বছর আগে নেওয়া উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ার পর নতুন করে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের কর্মকর্তারা।

মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মিয়ান্ট থো তখন জানান, ‘২২ আগস্ট ৩ হাজার ৫৪০ জন রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছি আমরা’।

গত মাসে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র সচিব মিন্ট থোয়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল। তারা দুই দিন ধরে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে আলোচনা ও বৈঠক করে। এসব বৈঠকে রোহিঙ্গাদের পক্ষ থেকে ফিরে যাওয়ার ক্ষেত্রে মিয়ানমারের নাগরিকত্ব ও চলাফেরায় স্বাধীনতার দাবি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।