বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ খ্রীষ্টাব্দ | ২০ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   তরুণদের উচ্চশিক্ষায় সহায়তা: মেয়র লুৎফুর রহমান এবার চালু করলেন ইউনির্ভাসিটি বার্সারি স্কিম  » «   ‘টি আলী স্যার’কে নিয়ে হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে গানের চিত্রায়ণ  » «   বিবিসিজিএইচ এর বিয়ানীবাজারের মোল্লাপুর-এ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান  » «   কবিকণ্ঠের সুবর্ণরেখায় শিক্ষাব্রতী শীর্ষক সুহৃদ আড্ডায় বক্তারা- অগণন প্রাণে আলো জ্বেলেছেন মো. শওকত আলী  » «   স্পেন-বাংলাদেশ প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্কের পরিধি বিস্তৃত হচ্ছে  » «   টি আলী স্যারকে নিয়ে লেখা আব্দুল গাফফার চৌধুরী’র গানে সুর দিলেন মকসুদ জামিল মিন্টু  » «   লন্ডনে প্রকাশক ও গবেষক মোহাম্মদ নওয়াব আলীর সাথে মতবিনিময় ও ‘বাসিয়ার বই আলোচনা‘র  মোড়ক উন্মোচন  » «   ঢাকা এন আর বি ক্লাবে – ‘বাঙালীর বিয়েতে বাংলাদেশের পোশাক’ ক্যাম্পেইনের নেটওয়ার্কিং মিটিং  » «   প্রধানমন্ত্রীর সাথে ঢাবি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকে’র সভাপতির সাক্ষাৎ  » «   লন্ডনে গোলাপগঞ্জের কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের সাথে সরওয়ার হোসেনের মতবিনিময়  » «   বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জের মানুষের সেবায় আজীবন পাশে থাকবো -সরওয়ার হোসেন  » «   লন্ডনে  EXPLORE BEANIBAZAR প্রদর্শিত হবে ২২ জানুয়ারি  » «   বড়লেখা ফাউন্ডেশন ইউকে এর কমিটি গঠন  » «   লন্ডনে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় অজয় পালের শেষ বিদায়  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন

মনসা পূজোর জন্যে আবার প্রস্তুত সিকদার বাড়ি



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

মনসা হলেন একজন লৌকিক হিন্দু দেবী। তিনি সর্পদেবী। প্রধানত বাংলা অঞ্চল এবং উত্তর ও উত্তরপূর্ব ভারতের অন্যান্য অঞ্চলে তাঁর পূজা প্রচলিত আছে। সর্পদংশনের হাত থেকে রক্ষা পেতে, সর্পদংশনের প্রতিকার পেতে, প্রজনন ও ঐশ্বর্যলাভের উদ্দেশ্যে তাঁর পূজা করা হয়। মানুষের মনের পশু দমনে এ দেবীর উদ্দেশ্যে পাঁঠা, কচ্ছপ, ভেড়া ফল ফলাদি বলি করা হয়। অনেক হিন্দু মনসা পূজায় পাঁঠা বলি করেন না। তারা দুধ কলা ও ফলমূল দিয়ে দেবীর পূজা করেন, এই পূজাকে ‘সাদা পূজা’ বলা হয়। যারা পাঁঠা বলি দেন তাদের পূজা লাল পূজা।

  • প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরো শিকদার বাড়িতে ২ দিন ব্যাপী ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী মনসাদেবীর পূজা করা হবে আগামিকাল (১৮ আগস্ট ২০১৯) l পূর্বপুরুষের আমল থেকেই অনেক খ্যাত ছিল চট্টগ্রাম জেলার রাউজান থানার খৈয়াখালী গ্রামের শিকদার বাড়ির মনসা পূজা l দূর্গাপূজার মতোই জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে আয়োজন করা হয় এই পূজার l দুই দিন ব্যাপী চলে নানা ধরণের আয়োজন l পূর্বপুরুষের রীতি অনুযায়ী প্রতিবছর প্রথম দিন অনুষ্ঠিত হয় বলি ও মনসা পুঁথি পাঠ l আর দ্বিতীয় দিন থাকে দেবীর আরতি ও বন্দনা। এসবকিছুর আয়োজনের পিছনে রয়েছে, শিকদার বাড়ির উত্তরসূরিরা l তাছাড়া এভাবে প্রতিমা ও মঞ্চ করে দুই দিন ব্যাপী মনসা পূজা, চট্টগ্রামে কোথাও করা হয় না।

এই বছর সিকদার বাড়ির মনসা দেবীর প্রতিমা তৈরি করেছেন ফরিদপুর থেকে আগত মৃৎশিল্পী প্রহ্লাদ কুমার পাল।

পূর্বপুরুষের এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে যারা অক্লান্ত শ্রম ও সহযোগিতা করেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলো বাদল সিকদার, বিমল সিকদার, মন্টু সিকদার, পরিমল সিকদার, কৃষ্ণ সিকদার, বিশু সিকদার ও বাসু সিকদার।

পুজোর সকল কাজ ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে নিয়োজিত রয়েছেন সিকদার বাড়ির বর্তমান প্রজন্ম চন্দন সিকদার, নারায়ণ সিকদার, সুমন সিকদার, নির্জর সিকদার, ছোটন সিকদার, জিতু সিকদার, কাঞ্চন সিকদার, মিঠুন সিকদার ও রাসেল সিকদার।

এ পুজোর বিষয়ে, পরিমল সিকদার জানান, প্রায় একশ বছর ধরে চলে আসছে, সিকদার বাড়ির এই ঐতিহ্যবাহী মনসা পূজা। সিকদার বাড়ির পুজো তে শুধু সিকদার বাড়ির লোকেরাই নয়, গোটা গ্রাম থেকেই লোক আসেন পূজা দেখতে । সমস্ত বিধি বিধান মেনে, দুই দিন ব্যাপী এই পূজাটি করা হয়, আর পূজা শেষে, মনসা দেবী, লক্ষিন্দর ও বেহুলার মূর্তি বিসর্জন ও দেয়া হয়। এই দুই দিন গোটা সিকদার বাড়ি একটি ছোট মিলনমেলায় পরিণত হয়, আর সাজানো বাড়িতে থাকে, সকল জাতি-ধর্মের লোকদের আশা যাওয়া । সব ধর্মের উর্ধে যে মানব ধর্ম, সেটাকেই বাঁচিয়ে রাখতে, প্রতিবছর এমন করেই পূজার অপেক্ষায় থাকেন গোটা সিকদার বাড়ি ।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন