রবিবার, ৩ জুলাই ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
বিলেতে কারী শিল্পে ঈদের ছুটি সময়ের দাবি  » «   ঈদের ছুটি  » «   ইউরোপে জ্বালানি সংকট চরমে, বিকল্প ভাবতে হচ্ছে ইউরোপকে  » «   হাইডে প্রবীণদের স্মরণে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল  » «   ঈদের দিন হোক সবার উৎসবের দিন  » «   ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হসপিটাল সিলেটের সার্টিফিকেট বিতরণী অনুষ্ঠিত  » «   নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশী সমিতি’ ইউকে’র যাত্রা শুরু  » «   ব্রিটেন প্রবাসে ঈদ ছুটি নিয়ে ভাবনা ও আমাদের করণীয়  » «   ঈদে ছুটি নাই  » «   কমিউনিটি ও পরিবারের স্বার্থকে প্রাধান্য দিলে ঈদের ছুটি নিয়ে দ্বি-মত থাকবে না- শায়খ আব্দুল কাইয়ুম  » «   ব্রিটেনে ঈদ হলিডে : আকাঙ্ক্ষা ও বাস্তবতা  » «   দয়া নয়, ঈদের ছুটি শ্রমজীবি মুসলমানদের অধিকার  » «   ব্রিটেনে ঈদের ছুটি নিয়ে কমিউনিটি ও মানবাধিকার নেতারা যা বলেন  » «   বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃক বন্যা দুর্গতদের চিকিৎসার্থে বিনামূল্যে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «   যুক্তরাজ্যে ঈদের ছুটির দাবীতে  আলতাব আলী পার্কে সমাবেশ অনুষ্ঠিত  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


কাশ্মীরে প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞায় দ্রুত হস্তক্ষেপ নয় : সুপ্রিম কোর্ট



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

জম্মু-কাশ্মীরে প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞায় হস্তক্ষেপ করতে রাজি হল না ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। উপত্যকায় অবিলম্বে কার্ফু তুলে নিতে, টেলিফোন সংযোগ ফিরিয়ে আনতে এবং ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করতে আদালতে আবেদন জমা দিয়েছিলেন সমাজকর্মী তেহসিন পুনাওয়ালা। আজ সোমবার আবেদনটির শুনানি শুরু হলে বিচারপতি অরুণ মিশ্রর নেতৃত্বাধীন বিচারপতি এমআর শাহ এবং বিচারপতি অজয় রাস্তোগির ডিভিশন বেঞ্চে আবেদনটির শুনানি শেষে এ বিষয়ে তাড়াতাড়ি রায় দিতে রাজি হয়নি শীর্ষ আদালত। বরং জানিয়ে দেয়, এখন যা পারিস্থিতি, তাতে তাড়াতাড়ি কিছু করা ঠিক হবে না। বরং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সময় দিতে হবে কেন্দ্রীয় সরকারকেও। একই সাথে দু’সপ্তাহ পর পুনরায় আবেদনটির শুনানির দিন ধার্য্য করে আদালত।

সেইসময় বিচারপতিরা বলেন, ‘‘আমরাও চাই উপত্যকা ফের স্বাভাবিক হয়ে যাক। কিন্তু রাতারাতি কিছু হওয়া সম্ভব নয়। এই মুহূর্তে ওখানে কী হচ্ছে কেউ তা জানে না। তাই সরকারের উপর ভরসা করা ছাড়া উপায় নেই। এটা অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়।’’

আদালত আরও জানায়, ‘‘এই মুহূর্তে পরিস্থিতিটা বোঝা উচিত। সরকারকে সময় দিতেই হবে। উপত্যকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে আমাদের। তার পরেও ছবিটা যদি কিছু না বদলায়, তখন ফের আদালতে আসতে পারেন আবেদনকারী।’

শুনানি চলাকালীন এ দিন আদালতে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপাল। তিনি বলেন, ‘‘২০১৬-র জুলাই মাসে হিজবুল মুজাহিদিন কমান্ডার বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পরও একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। সেইসময়ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সে বার ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এ বার এখনও পর্যন্ত কোনও প্রাণহানি ঘটেনি। খুব শীঘ্র পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশা আমাদের। আর তা হলেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।’’ উপত্যকার পরিস্থিতির দিকে কেন্দ্রীয় সরকার সারা ক্ষণ নজর রেখেছে বলেও আদালতে জানান তিনি।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন