রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২২ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
Sex Cams
সর্বশেষ সংবাদ
বিভীষিকার মাঝেও মানবিক যাত্রা নিরন্তর  » «   ”পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, সুন্দর দিনগুলো আবার ফিরে আসবে”  » «   সিলেটের ফার্মিস আক্তার কোয়ারেন্টাইনে দুস্থ্যদের পাশে  » «   বার্সেলোনায় করোনা আক্রান্তদের পাশে দাড়িয়েছে স্বেচ্ছাসেবী বাংলাদেশিরা  » «   করোনার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ৭২ হাজার ৭৫০ কোটির আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা  » «   বিয়ানীবাজারে সিপিবি’র ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত  » «   নভেল করোনা ও বিশ্বজনীন সমস্যা  » «   দুবাইয়ে আজ থেকে ২ সপ্তাহের জন্য ২৪ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা  » «   ক্লাপ ফর কেয়ারার্স মানবিক ব্রিটেনের প্রতিচ্ছবি  » «   পর্তুগালে পাঁচ বাংলাদেশি সহ মোট ৯৮৮৬ জন করোনা আক্রান্ত  » «   ফেইসবুকে এক লাখ ৫২বাংলাপরিবার  » «   বিয়ানীবাজারে বাড়ীতে গিয়ে করোনার নমুনা সংগ্রহ  » «    কানাডা প্রবাসি বড়লেখার সৈয়দ মাছুম আহমদ টুনুর ইন্তেকাল  » «   আমিরাতে করোনা আক্রান্ত প্রথম বাংলাদেশির মৃত্যু  » «   গত ২৪ ঘণ্টায় সৌদি আরবে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৫৪জন  » «  

কাশ্মীরে প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞায় দ্রুত হস্তক্ষেপ নয় : সুপ্রিম কোর্ট



জম্মু-কাশ্মীরে প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞায় হস্তক্ষেপ করতে রাজি হল না ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। উপত্যকায় অবিলম্বে কার্ফু তুলে নিতে, টেলিফোন সংযোগ ফিরিয়ে আনতে এবং ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করতে আদালতে আবেদন জমা দিয়েছিলেন সমাজকর্মী তেহসিন পুনাওয়ালা। আজ সোমবার আবেদনটির শুনানি শুরু হলে বিচারপতি অরুণ মিশ্রর নেতৃত্বাধীন বিচারপতি এমআর শাহ এবং বিচারপতি অজয় রাস্তোগির ডিভিশন বেঞ্চে আবেদনটির শুনানি শেষে এ বিষয়ে তাড়াতাড়ি রায় দিতে রাজি হয়নি শীর্ষ আদালত। বরং জানিয়ে দেয়, এখন যা পারিস্থিতি, তাতে তাড়াতাড়ি কিছু করা ঠিক হবে না। বরং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সময় দিতে হবে কেন্দ্রীয় সরকারকেও। একই সাথে দু’সপ্তাহ পর পুনরায় আবেদনটির শুনানির দিন ধার্য্য করে আদালত।

সেইসময় বিচারপতিরা বলেন, ‘‘আমরাও চাই উপত্যকা ফের স্বাভাবিক হয়ে যাক। কিন্তু রাতারাতি কিছু হওয়া সম্ভব নয়। এই মুহূর্তে ওখানে কী হচ্ছে কেউ তা জানে না। তাই সরকারের উপর ভরসা করা ছাড়া উপায় নেই। এটা অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়।’’

আদালত আরও জানায়, ‘‘এই মুহূর্তে পরিস্থিতিটা বোঝা উচিত। সরকারকে সময় দিতেই হবে। উপত্যকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে আমাদের। তার পরেও ছবিটা যদি কিছু না বদলায়, তখন ফের আদালতে আসতে পারেন আবেদনকারী।’

শুনানি চলাকালীন এ দিন আদালতে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপাল। তিনি বলেন, ‘‘২০১৬-র জুলাই মাসে হিজবুল মুজাহিদিন কমান্ডার বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পরও একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। সেইসময়ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সে বার ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এ বার এখনও পর্যন্ত কোনও প্রাণহানি ঘটেনি। খুব শীঘ্র পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশা আমাদের। আর তা হলেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।’’ উপত্যকার পরিস্থিতির দিকে কেন্দ্রীয় সরকার সারা ক্ষণ নজর রেখেছে বলেও আদালতে জানান তিনি।