বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
গীতাঞ্জলি সম্মাননা পদক-২০১৯ পাচ্ছেন দেশের তিন বরণ্য গুণীজন  » «   ফ্রান্সে পররাষ্ট্রমন্ত্রী  ড.এ কে আব্দুল মোমেন সংবর্ধিত  » «   শাবির বেগম সিরাজুন্নেসা হলের নতুন প্রভোস্ট জাফরিন আহমেদ  » «   বিয়ানীবাজার আদর্শ মহিলা কলেজে কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  » «   হাইড বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ারের বার্ষিক সাধারন সভা  » «   যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের দুঃখপ্রকাশ  » «   ফেসবুকে মহানবীকে (সা.) কটূক্তির অভিযোগ’র ঘটনা  » «   সাকিবের নেতৃত্বে ক্রিকেটারদের ধর্মঘটের ডাক  » «   সিলেটে ক্রিয়েটর ল্যাব অত্যাধুনিক আইটি শিক্ষা দিচ্ছে  » «   বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতাল-এ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা  » «   স্পেনে ‘হাসিনা: এ ডটার্স টেল’ প্রদর্শিত  » «   দুবাইয়ে বাংলাদেশি মালিকানাধিন তৈয়ুর আল জান্নাহ স্টেশনারির যাত্রা শুরু  » «   কাতালানদের আন্দোলনে বার্সেলোনা কার্যত অচল  » «   স্পেনে এশিয়ান চলচ্চিত্র প্রদর্শনী উৎসবে ‘হাসিনা:এ ডটার্স টেল ‘ প্রদর্শিত  » «   বিজিবি-বিএসএফ গুলাগুলি:বিএসএফ সদস্য নিহত  » «  

কাশ্মীরে প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞায় দ্রুত হস্তক্ষেপ নয় : সুপ্রিম কোর্ট



জম্মু-কাশ্মীরে প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞায় হস্তক্ষেপ করতে রাজি হল না ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। উপত্যকায় অবিলম্বে কার্ফু তুলে নিতে, টেলিফোন সংযোগ ফিরিয়ে আনতে এবং ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করতে আদালতে আবেদন জমা দিয়েছিলেন সমাজকর্মী তেহসিন পুনাওয়ালা। আজ সোমবার আবেদনটির শুনানি শুরু হলে বিচারপতি অরুণ মিশ্রর নেতৃত্বাধীন বিচারপতি এমআর শাহ এবং বিচারপতি অজয় রাস্তোগির ডিভিশন বেঞ্চে আবেদনটির শুনানি শেষে এ বিষয়ে তাড়াতাড়ি রায় দিতে রাজি হয়নি শীর্ষ আদালত। বরং জানিয়ে দেয়, এখন যা পারিস্থিতি, তাতে তাড়াতাড়ি কিছু করা ঠিক হবে না। বরং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সময় দিতে হবে কেন্দ্রীয় সরকারকেও। একই সাথে দু’সপ্তাহ পর পুনরায় আবেদনটির শুনানির দিন ধার্য্য করে আদালত।

সেইসময় বিচারপতিরা বলেন, ‘‘আমরাও চাই উপত্যকা ফের স্বাভাবিক হয়ে যাক। কিন্তু রাতারাতি কিছু হওয়া সম্ভব নয়। এই মুহূর্তে ওখানে কী হচ্ছে কেউ তা জানে না। তাই সরকারের উপর ভরসা করা ছাড়া উপায় নেই। এটা অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়।’’

আদালত আরও জানায়, ‘‘এই মুহূর্তে পরিস্থিতিটা বোঝা উচিত। সরকারকে সময় দিতেই হবে। উপত্যকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে আমাদের। তার পরেও ছবিটা যদি কিছু না বদলায়, তখন ফের আদালতে আসতে পারেন আবেদনকারী।’

শুনানি চলাকালীন এ দিন আদালতে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপাল। তিনি বলেন, ‘‘২০১৬-র জুলাই মাসে হিজবুল মুজাহিদিন কমান্ডার বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পরও একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। সেইসময়ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সে বার ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এ বার এখনও পর্যন্ত কোনও প্রাণহানি ঘটেনি। খুব শীঘ্র পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশা আমাদের। আর তা হলেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।’’ উপত্যকার পরিস্থিতির দিকে কেন্দ্রীয় সরকার সারা ক্ষণ নজর রেখেছে বলেও আদালতে জানান তিনি।