সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
 পরিচ্ছন্ন সিলেটের স্বপ্ন দেখছে প্রজেক্ট ‘ক্লীন সুরমা, গ্রীন সিলেট’  » «   বাংলাদেশের মুক্ত অর্থণেতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ করবে আরব আমিরাত  » «   আজমানে স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যবসায়িদের সাথে কনসাল জেনারেলের মতবিনিময়  » «   ডাকসুর কোষাধ্যক্ষ অপসারন ও ৩৪ জনের ছাত্রত্ব বাতিলের দাবীতে ভিপি’র চিঠি  » «   কাতালোনীয়ার স্বাধীনতার ডাকে লক্ষ লক্ষ জনতার সমাবেশ  » «   সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদককে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে: জয়  » «   সিলেটে বাম গণতান্ত্রিক জোটের জনসভা  » «   শীঘ্রই আমিরাতের আজমানে বাংলাদেশ স্কুল প্রতিষ্ঠা হচ্ছে  » «   সংহতি আমিরাতের শাহ আব্দুল করিম উৎসব  » «   লন্ডনে বিয়ানীবাজারের প্রবীন ব্যক্তিত্ব আবদুস সাত্তার স্মরণ সভা  » «   কৃুয়েত দূতাবাসের বিতর্কিত কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা  » «   মাদকেরও অভিযোগ : প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শোভন-রাব্বানীর দেখা করার অনুমতি স্থগিত  » «   নেপাল-চীনেও ডেঙ্গু : বিভিন্ন দেশ ভ্রমণে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র  » «   বিসিএ রেষ্টুরেন্ট অফ দ্যা ইয়ার ও বিসিএ শেফ অফ দ্যা ইয়ার এর প্রতিযোগিতা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু  » «   রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বসবাসের কোনো চিহ্নই নেই  » «  

দেশে ফিরে অসহায় মানুষের সেবা করতে চায় কুয়েত প্রবাসি ডা. সামিরা আফরিন



দেশে ফিরে দুস্থ ও অসহায় মানুষদের সেবা করতে চান  চীনের সুজো মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিবিএস ও ইর্ন্টানি কোর্স শেষ করে আসা কুয়েত প্রবাসী কন্যা ডাক্তার সামিরা আফরিন।

তার দেশের বাড়ী ঢাকার গোপিবাগে। বাবা মোহাম্মদ ইলিয়াস ১৯৮৮ সালে জীবিকার তাগিদে কুয়েতে আসেন বর্তমানে  একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে কর্মরত আছেন। মা রওশন আক্তার ১৯৯৩ সালে কুয়েতে আসেন । বড় মেয়ে সামিরা আফরিন, ছোট মেয়ে জেরিন আনজুম দুই কন্যা সন্তান তাদের জন্ম হয় কুয়েতে।

স্বামী ও সংসারের দেখাশোনার পাশাপাশি রওশন আক্তার ইন্টিগ্রেটেড ইন্ডিয়ান একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। কুয়েতের ইন্ডিয়ান স্কুলে পড়াশোনা করে দুই মেয়ে সামিরা ও জেরিন । জেরিন ইন্টিগ্রেটেড ইন্ডিয়ান স্কুলে টুুয়ালেব(ইন্টার) ক্লাসে পড়ছেন ।

২০১২ সালে কুয়েতের আব্বাসিয়া ইন্ডিয়ান সেন্টাল স্কুল থেকে সামিরা আফরিন উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করার পর মেডিকেলে পড়াশোনা করতে ২০১৩ সালে চলে যান চীনে। সেখানে সামিরা ভর্তি হন চীনে  সুজো মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে। চলতি বছরে সামিরা এমবিবিএস ও ইর্ন্টানি কোর্স শেষ করে গত ১২ জুলাই কুয়েতে আসেন।

সামিরা আফরিন বলেন, প্রথমে আমি কৃতজ্ঞ আমার  বাবা, মায়ের প্রতি, তারা আর্শিবাদ ও পরিশ্রম করে যাচ্ছেন আমাদের দুই বোনের জন্য। ডাক্তারি লাইসেন্স পরীক্ষা সহ কিছু পরীক্ষা রয়েছে সেটা শেষ করার পর আমি বাংলাদেশে ফিরে যাব।  দেশের দুস্থ ও অসহায় মানুষদের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই । চেষ্টা করবো নিজের মেধা ও পরিশ্রমে  তাদের জন্য কিছু করার।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে সামিরা আরো বলেন, ইনশাআল্লাহ  আমার ইচ্ছা আছে ইউকে তে নিউরোলজি এর উপর পড়াশোনা করার।  সামিরা সকলের কাছে  দোয়া কামনা করে বলেছেন, আমি যেন নিদৃষ্ট লক্ষ্যে  পৌছে মাবন সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে পারি।

সামিরার মা শিক্ষিকা রওশন আক্তার  বলেন, বিদেশের মাটিতে পরিবার পরিজন নিয়ে বাসকরে  সন্তানদের দেখাশোনা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়া খুবই কষ্ট কর। বেশিরভাগ প্রবাসী ব্যস্ত থাকেন সম্পদ বৃ্দ্ধি করতে। একজন বাবা মায়ের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো তার সন্তান। তাদের কে  সঠিক পথে ও  সুশিক্ষায় শিক্ষিত করা প্রধান লক্ষ হওয়া উচিত। অন্য সম্পত্তির দিকে ছুটতে ছুটতে আমরা অনেক সময় আসল সম্পত্তির দিকে খেয়ালই রাখি না।