মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চন্দরপুর ফ্রি সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্বনির্ভরতার পথ দেখাবে  » «   বার্মিংহামে কসবা-খাসা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে’র প্রীতি সমাবেশ  » «   কাতালোনীয়া সান্তা কলমা আওয়ামী লীগের জাতীয় শোক দিবস পালন  » «   পর্তুগাল আওয়ামী লীগের জাতীয় শোক দিবস  » «   মদিনায় বাস দূর্ঘটনায় নিখোঁজ ১ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে  » «   স্পেন ছাত্রলীগ জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে  » «   খায়রুল আনামের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  » «   মনসা পূজোর জন্যে আবার প্রস্তুত সিকদার বাড়ি  » «   স্পেনে জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস  » «   মিলান কনস্যুলেটে জাতীয় শোক দিবস পালন  » «   লন্ডনে মুক্তিযুদ্ধ গবেষক তাজুল মোহাম্মদের সাথে অন্তরঙ্গ আড্ডা  » «   সৌদি আরবে জাতীয় শোক দিবস পালিত  » «   সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজি নিহত  » «   সৌদির তেল স্থাপনায় ভয়াবহ হামলা  » «   বাংলাদেশ কনসুলেট জেদ্দার শোকদিবস পালন  » «  

ব্রেক্সিটের সময় বাড়ল, ইইউ নির্বাচনে অংশ নিতে হবে ব্রিটেনকে



আবার সময় বাড়ল বিচ্ছেদের। আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে আলাদা হচ্ছে না যুক্তরাজ্য। গতকাল বুধবার এই সময়সীমার বিষয়ে দুই পক্ষ সম্মত হয়েছে বলে জানান ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাস্ক। বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

গতকাল বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট ভবনে ব্রেক্সিটের সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়ে বৈঠক হয়। পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী ওই বৈঠক শেষে সিদ্ধান্ত জানান ডোনাল্ড টাস্ক। তিনি বলেন, ‘ব্রিটিশ বন্ধুদের জন্য আমাদের বার্তা হলো, দয়া করে এই সময়টা নষ্ট করবেন না।’ তিনি যোগ করেন, কর্মসূচি অবশ্যই সম্পূর্ণভাবে যুক্তরাজ্যের হাতে থাকবে। তারা এখনো ব্রেক্সিট চুক্তি অনুমোদন করতে পারে, সে ক্ষেত্রে এই বাড়ানো সময় বাতিল করা যাবে।

এর আগে ডোনাল্ড টাস্ক ব্রেক্সিটের জন্য ইইউয়ের কাছে যুক্তরাজ্যকে ‘১২ মাসের নমনীয়’ সময় দেওয়ার প্রস্তাব করেছিলেন।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, যত দ্রুত সম্ভব ইইউ ছেড়ে যাওয়া যুক্তরাজ্যের লক্ষ্য।আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী লিও ভারাদকার বলেন, ইউরোপের নির্বাচনে এখন যুক্তরাজ্যকে থাকতে হবে। তা না হলে আগামী ১ জুন কোনো চুক্তি ছাড়া বিচ্ছেদ ঘটাতে হবে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে ১২ এপ্রিল থেকে ৩০ জুনের মধ্যে যুক্তরাজ্যের প্রস্থানের সম্ভাব্য তারিখ ঠিক করতে চেয়েছিলেন। তবে তারিখ আবার পেছানোর সুযোগটা রাখতে চেয়েছিলেন মে। কারণ, পার্লামেন্টে যদি ব্রেক্সিট চুক্তি অনুমোদন না দেওয়া হয়, তখন আবার সময় বাড়াতে হতে পারে—এমনটা ভাবছিলেন মে।

গত ২৯ মার্চ বিচ্ছেদ কার্যকরের কথা ছিল। ব্রিটিশ রাজনীতিকদের অনৈক্যের কারণে তা হয়নি। দিনটি পিছিয়ে ১২ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়। তবে এখনো কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি ব্রিটিশ পার্লামেন্ট। আবারও সময় চায় তারা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ৩১ অক্টোবর পছন্দ বাড়ল সময়।