ঢাকা ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আরেক ধর্ষক নিহত

৫২ বাংলা
  • আপডেট সময় : ০৬:১৯:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০১৯
  • / 1658
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজ সোমবার (২৯ এপ্রিল) ভোর ৫টার দিকে চট্টগ্রামের লোহাগড়া উপজেলার উত্তর আমিরাবাদ এলাকায় র‍্যাবের সাথে এক বন্দুক যুদ্ধের ঘটনায় ধর্ষণ মামলার আসামী সাইফুল ইসলাম মারা গেছে।

উল্লেখ্য সাইফুল একই এলাকার পূর্ব মূহুরিপাড়ার আব্দুস সোবহানের ছেলে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে হাত পা বেঁধে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ ছিল।

র‍্যাবের চট্টগ্রাম জোনের সহকারি পরিচালক এএসপি মোহাম্মাদ মাশকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে গেলে তার সঙ্গে র‍্যাবের টহল দলের গুলাগুলি বিনিময় হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে ধর্ষকের গুলিবিদ্ধ লাশ, ২টি অস্ত্র এবং ২৪রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ১২এপ্রিল লোহাগড়া উপজেলার উত্তর আমিরাবাদ এলাকায় কোচিং সেন্টারের এই শিক্ষক কর্তৃক হাত পা বেঁধে নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে।

পরবর্তীতে প্রশাসন কোচিং সেন্টারটি অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ করে দেয়। উক্ত ঘটনার ৩দিন পরে স্কুল ছাত্রীর মা লোহাগড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আরেক ধর্ষক নিহত

আপডেট সময় : ০৬:১৯:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০১৯

আজ সোমবার (২৯ এপ্রিল) ভোর ৫টার দিকে চট্টগ্রামের লোহাগড়া উপজেলার উত্তর আমিরাবাদ এলাকায় র‍্যাবের সাথে এক বন্দুক যুদ্ধের ঘটনায় ধর্ষণ মামলার আসামী সাইফুল ইসলাম মারা গেছে।

উল্লেখ্য সাইফুল একই এলাকার পূর্ব মূহুরিপাড়ার আব্দুস সোবহানের ছেলে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে হাত পা বেঁধে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ ছিল।

র‍্যাবের চট্টগ্রাম জোনের সহকারি পরিচালক এএসপি মোহাম্মাদ মাশকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে গেলে তার সঙ্গে র‍্যাবের টহল দলের গুলাগুলি বিনিময় হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে ধর্ষকের গুলিবিদ্ধ লাশ, ২টি অস্ত্র এবং ২৪রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ১২এপ্রিল লোহাগড়া উপজেলার উত্তর আমিরাবাদ এলাকায় কোচিং সেন্টারের এই শিক্ষক কর্তৃক হাত পা বেঁধে নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে।

পরবর্তীতে প্রশাসন কোচিং সেন্টারটি অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ করে দেয়। উক্ত ঘটনার ৩দিন পরে স্কুল ছাত্রীর মা লোহাগড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।