ঢাকা ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ব্রিটিশ-বাংলাদেশিদের সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বান  

৫২ বাংলা
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৬:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০২৩
  • / 1007
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের অমর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ হাই কমিশনলন্ডন বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল স্বাধীনতার ৫২তম বার্ষিকী ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য র্মযাদা ও ভাব-গাম্ভীর্যের সাথে উদযাপন করেছে।

এ উপলক্ষে লন্ডনের কেনজিংটন টাউন হলে এক বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতি এবং লন্ডন বিষয়ক মন্ত্রী পল স্কালি এমপি এবং ডিপার্টমেন্ট অব লেবেলিং-আপ, হাউজিং ও কমিউনিটি বিষয়ক মন্ত্রী ফেলিসিটি বুকান এমপি সম্মানিত অতিথি হিসেবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বক্তব্যে রাখেন।

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে জাতির পিতার  ও মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বলেন, “বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ ২৪ বছরের নির্ভীক, বিচক্ষণ ও ঐন্দ্রিজালিক নেতৃত্ব ছাড়া বাঙ্গালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে বিশ্বে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতো না।”

হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, “৭১এর মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জাতির পিতার আদর্শই অনুসরণ করে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।” এপ্রসঙ্গে তিনি বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ব্রিটিশ-বাংলাদেশিদের সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বান।  

হাইকমশিনার ৮ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে যুক্তরাজ্যে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক সফর এবং ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথ-এর সাথে তাঁর আনুষ্ঠানিক বৈঠকই বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের  বিগত ৫০ বছরের কূটনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তি তৈরি করেছে বলে উল্লেখ করে আগামিতে এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জলবায়ূ, প্রতিরক্ষা-নিরাপত্তা ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সহযোগিতার বিষয়ে আরো গভীর হবে বলে দৃঢ় আশা ব্যক্ত করেন।

রাষ্ট্রদূত ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে এবং পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের উন্নয়নে যুক্তরাজ্য সরকার ও জনগণ এবং যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ডে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের অসাধারণ অবদানের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

ব্রিটিশ মন্ত্রী পল স্কালি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫২তম বার্ষিকী ও জাতীয় দিবসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বাংলাদেশের জনগণ ও ব্রিটিশবাংলাদেশিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং মায়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও নিরাপত্তা দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ন্য মানবিকতার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জনগণ শরণার্থী হিসেবে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলেন, সেই অভিজ্ঞতা, মমতা ও মানবিকতাই আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশের জনগণ রোহিঙ্গাদের প্রতি প্রদর্শন করছেন।” পল স্কালি রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে  বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের ঐতিহাসিক সহযোগিতার সম্পর্ক ভবিষ্যতে দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর হবে আশা প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের ৫০ বছরের সূদীর্ঘ কূটনৈতিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী ফেলিসিটি বুকান এমপি বলেন, “গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতার বিষয়ে দুইদেশের মধ্যে গভীর আদর্শিক মিল রয়েছে। বিনিয়োগ, ব্যবসাবাণিজ্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলার ক্ষেত্রেও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।”  তিনি যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ আরো বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি তাঁর বক্তব্যে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও নিরাপত্তা দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিকতার প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে হামদ ও নাথ পরিবেশন করেন বিশিষ্ট শিল্পী রাশিদা খান বানু এবং ব্রিটিশ-বাংলাদেশি শিশু-কিশোর শিল্পী শরিফ আহমেদ, মোহনা ও আয়ান মোহাম্মেদ। এতে টাওয়ার হ্যামলেটসের স্পীকার, লন্ডনের বিভিন্ন এলাকার কাউন্সিলর ও ব্রিটিশ-বাংলাদেশি  কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

সকালে হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম দূতাবাসে কর্মকর্তাদের নিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের র্কমসূচির উদ্বোধন করেন। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতিপ্রধানমন্ত্রীপররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। পরে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের শহিদ সদস্যদের ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে জীবন উৎসর্গকারী শহিদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের শান্তি ও অব্যাহত অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ব্রিটিশ-বাংলাদেশিদের সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বান  

আপডেট সময় : ০৯:৫৬:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০২৩

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের অমর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ হাই কমিশনলন্ডন বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল স্বাধীনতার ৫২তম বার্ষিকী ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য র্মযাদা ও ভাব-গাম্ভীর্যের সাথে উদযাপন করেছে।

এ উপলক্ষে লন্ডনের কেনজিংটন টাউন হলে এক বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতি এবং লন্ডন বিষয়ক মন্ত্রী পল স্কালি এমপি এবং ডিপার্টমেন্ট অব লেবেলিং-আপ, হাউজিং ও কমিউনিটি বিষয়ক মন্ত্রী ফেলিসিটি বুকান এমপি সম্মানিত অতিথি হিসেবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বক্তব্যে রাখেন।

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে জাতির পিতার  ও মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বলেন, “বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ ২৪ বছরের নির্ভীক, বিচক্ষণ ও ঐন্দ্রিজালিক নেতৃত্ব ছাড়া বাঙ্গালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে বিশ্বে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতো না।”

হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, “৭১এর মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জাতির পিতার আদর্শই অনুসরণ করে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।” এপ্রসঙ্গে তিনি বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ব্রিটিশ-বাংলাদেশিদের সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বান।  

হাইকমশিনার ৮ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে যুক্তরাজ্যে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক সফর এবং ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথ-এর সাথে তাঁর আনুষ্ঠানিক বৈঠকই বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের  বিগত ৫০ বছরের কূটনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তি তৈরি করেছে বলে উল্লেখ করে আগামিতে এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জলবায়ূ, প্রতিরক্ষা-নিরাপত্তা ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সহযোগিতার বিষয়ে আরো গভীর হবে বলে দৃঢ় আশা ব্যক্ত করেন।

রাষ্ট্রদূত ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে এবং পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের উন্নয়নে যুক্তরাজ্য সরকার ও জনগণ এবং যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ডে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের অসাধারণ অবদানের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

ব্রিটিশ মন্ত্রী পল স্কালি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫২তম বার্ষিকী ও জাতীয় দিবসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বাংলাদেশের জনগণ ও ব্রিটিশবাংলাদেশিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং মায়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও নিরাপত্তা দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ন্য মানবিকতার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জনগণ শরণার্থী হিসেবে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলেন, সেই অভিজ্ঞতা, মমতা ও মানবিকতাই আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশের জনগণ রোহিঙ্গাদের প্রতি প্রদর্শন করছেন।” পল স্কালি রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে  বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের ঐতিহাসিক সহযোগিতার সম্পর্ক ভবিষ্যতে দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর হবে আশা প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের ৫০ বছরের সূদীর্ঘ কূটনৈতিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী ফেলিসিটি বুকান এমপি বলেন, “গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতার বিষয়ে দুইদেশের মধ্যে গভীর আদর্শিক মিল রয়েছে। বিনিয়োগ, ব্যবসাবাণিজ্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলার ক্ষেত্রেও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।”  তিনি যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ আরো বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি তাঁর বক্তব্যে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও নিরাপত্তা দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিকতার প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে হামদ ও নাথ পরিবেশন করেন বিশিষ্ট শিল্পী রাশিদা খান বানু এবং ব্রিটিশ-বাংলাদেশি শিশু-কিশোর শিল্পী শরিফ আহমেদ, মোহনা ও আয়ান মোহাম্মেদ। এতে টাওয়ার হ্যামলেটসের স্পীকার, লন্ডনের বিভিন্ন এলাকার কাউন্সিলর ও ব্রিটিশ-বাংলাদেশি  কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

সকালে হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম দূতাবাসে কর্মকর্তাদের নিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের র্কমসূচির উদ্বোধন করেন। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতিপ্রধানমন্ত্রীপররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। পরে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের শহিদ সদস্যদের ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে জীবন উৎসর্গকারী শহিদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের শান্তি ও অব্যাহত অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হয়।