ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে কালো পতাকা মিছিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় অভিমুখে যাত্রা কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে পুলিশ। এতে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় অভিমুখে যাত্রা পণ্ড হয়ে গেছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে ‘ধর্ষণের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ’ ব্যানারে বাম ছাত্রজোট শাহবাগে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। বিক্ষোভ শেষে কালো পতাকা মিছিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের দিকে যাত্রা করলে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে পুলিশ বাধা দেয়।
পুলিশি বাধার প্রতিবাদে ঘটনাস্থলে বসে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। তাৎক্ষণিক বক্তব্যে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় বলেন, পুলিশ পারে সাধারণ মানুষের সঙ্গে, সাধারণ ছাত্রদের সঙ্গে, কিন্তু পুলিশ যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাদের গ্রেফতার করতে পারে না। তখন তাদের লাঠির জোর কমে যায়। কারণ অধিকাংশই চাকরি পেয়েছে আওয়ামী লীগের বদৌলতে।
সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন প্রিন্স বলেন, আমাদের মিছিল থেকে কোনো উসকানি দেয়া হয়নি। সারাদেশে যে অব্যাহত ধর্ষণ চলছে আমরা তার প্রতিবাদ করছিলাম। পেটুয়া পুলিশ বাহিনী আমাদের নির্মমভাবে আটকে দিয়েছে।
তিনি বলেন, পুলিশ ভাইদের বলতে চাই, তাদের মা-বোনরাও নিরাপদ নেই। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের কথা বলা হচ্ছে, সেটি ধর্ষণ ও বিচারহীনতার রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। আজকের ছাত্র-জনতার মিছিল থেকে ব্যর্থ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করছি।
মিছিলে ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি লিটন নন্দী, বর্তমান সভাপতি মেহেদী হাসান নোবেল, ছাত্র ইউনিয়নের ঢাবি সাধারণ সম্পাদক রাগিব নাইম ও ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক জওহরলাল রায় উপস্থিত ছিলেন।
-
৪০০০ কিমি দূরের মার্কিন ঘাঁটি নিশানা: ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ে নতুন হিসাব
-
এক বছর পর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পেলেন বাংলাদেশের হাই কমিশনার
-
আল-আকসায় ঈদের নামাজ হয়নি—ছয় দশকের মধ্যে এক নজিরবিহীন পরিস্থিতি
-
ইরানের গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলি হামলার জবাবে চার দেশের ৭ জ্বালানি স্থাপনায় পাল্টা হামলা : ঝুঁকিতে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান
-
দেড় বছর পর বাসায় ফিরতেই আওয়ামী লীগ নেতা হাসু গ্রেপ্তার
আরও পড়ুন: