ঢাকা ০৭:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢাকায় ফুটপাত দখল নিয়ে সংঘর্ষ, প্রাণ গেল চা বিক্রেতার

৫২ বাংলা
  • আপডেট সময় : ১২:১৬:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 155

হত্যা। প্রতীকী ছবি

অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের আগারগাঁও তালতলা এলাকায় ফুটপাতে দোকান বসানো নিয়ে সংঘর্ষে মো. বাবলু (৪০) নামে এক চা বিক্রেতা নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত বাবলু তালতলা এলাকার মো. সেলিম মিয়ার ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে জনতা হাউজিং গেটের সামনে ফুটপাতে টং দোকানে চা বিক্রি করতেন তিনি। বাবলুর এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

নিহতের বেয়াই আব্দুর রউফ জানান, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে প্রতিপক্ষ কয়েকজন বাবলুর দোকান উচ্ছেদ করে দখলের চেষ্টা করে। এ সময় প্রতিপক্ষের রবিউল নামের এক ব্যক্তি লোহার পাইপ দিয়ে বাবলুর মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেকে আনা হলে তাঁর মৃত্যু হয়।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে এবং ঘটনাটি শেরেবাংলা নগর থানায় জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাকায় ফুটপাত দখল নিয়ে সংঘর্ষ, প্রাণ গেল চা বিক্রেতার

আপডেট সময় : ১২:১৬:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের আগারগাঁও তালতলা এলাকায় ফুটপাতে দোকান বসানো নিয়ে সংঘর্ষে মো. বাবলু (৪০) নামে এক চা বিক্রেতা নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত বাবলু তালতলা এলাকার মো. সেলিম মিয়ার ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে জনতা হাউজিং গেটের সামনে ফুটপাতে টং দোকানে চা বিক্রি করতেন তিনি। বাবলুর এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

নিহতের বেয়াই আব্দুর রউফ জানান, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে প্রতিপক্ষ কয়েকজন বাবলুর দোকান উচ্ছেদ করে দখলের চেষ্টা করে। এ সময় প্রতিপক্ষের রবিউল নামের এক ব্যক্তি লোহার পাইপ দিয়ে বাবলুর মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেকে আনা হলে তাঁর মৃত্যু হয়।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে এবং ঘটনাটি শেরেবাংলা নগর থানায় জানানো হয়েছে।