ঢাকা ০১:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

টেট সেন্টার নিয়ে সরকারের মুসলিম-বিদ্বেষী সিদ্ধান্ত

৫২ বাংলা
  • আপডেট সময় : ১২:১৪:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১
  • / 1170
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আগামী ৩১ অক্টোবর, রবিবার সকাল সাড়ে আটটা থেকে সমগ্র রাজ্যে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট সংক্ষেপে TET. নিম্নপ্রাথমিক ও উচ্চপ্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার যোগ্যতা বাছাই পরীক্ষার কেন্দ্র অসমের প্রত্যেকটি জেলায় বরাদ্দ করা হলেও রাজ্যের সাতটি মুসলিম অধ্যুষিত জেলা যথাক্রমে করিমগঞ্জ, হাইলাকান্দি, বরপেটা, ধুবড়ি, গোয়ালপাড়া, দক্ষিণ শালমারা ও মানকাছাড় জেলায় বরাদ্দ করা হয়নি।

সরকারের নিকট অনেক আবেদন-নিবেদন করা হলেও সরকার এ-ক্ষেত্রে কঠোর মুসলিম-বিদ্বেষী অবস্থান নিয়েছে। ফলে উক্ত সাতটি জেলার টেট প্রার্থীগণ ব্যাপক অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছেন। উপরোল্লিখিত সাতটি জেলার প্রার্থীদের ভিন্ন জেলাসমূহে গিয়ে পরীক্ষায় বসতে হবে।

গত দু দিন ধরে পরীক্ষার এডমিট কার্ড হাতে পেয়ে পরীক্ষার্থীদের চক্ষু চড়ক গাছ! কার সেন্টার কোথায় পড়েছে, সে-সব স্কুলের ঠিকানা জোগাড় করতে গিয়ে পরীক্ষার্থীরা হয়রাণ হয়ে যাচ্ছেন। অনেকের সেন্টার বাড়ি থেকে একশ দেড়শ কিলোমিটার দূরে হওয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক এলাকায় পড়ার দরুন যাতায়াতের ক্ষেত্রেও প্রচণ্ড প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হবে বলে অনেকে ক্ষোভ ব্যক্ত করেছেন।

প্রার্থীদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকসংখ্যক হচ্ছেন মহিলা। অনেকের বাড়িতে দুধের শিশুকে রেখে গিয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে পরীক্ষায় বসতে হবে! ফলে, অনেকেই অসম সরকারের এমন জনবিরোধী সিদ্ধান্তের প্রতি তীব্র নিন্দা জানিয়ে সরকারের মুসলিম-বিদ্বেষী অবস্থানের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, উক্ত মুসলিম অধ্যুষিত সাতটি জেলার মুসলিম প্রার্থীদের পাশাপাশি হিন্দু তথা অমুসলিম প্রার্থীরাও ভুগান্তির শিকার হচ্ছেন! তাঁদেরকেও অন্য জেলায় গিয়ে পরীক্ষায় বসতে হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

টেট সেন্টার নিয়ে সরকারের মুসলিম-বিদ্বেষী সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ১২:১৪:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১

আগামী ৩১ অক্টোবর, রবিবার সকাল সাড়ে আটটা থেকে সমগ্র রাজ্যে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট সংক্ষেপে TET. নিম্নপ্রাথমিক ও উচ্চপ্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার যোগ্যতা বাছাই পরীক্ষার কেন্দ্র অসমের প্রত্যেকটি জেলায় বরাদ্দ করা হলেও রাজ্যের সাতটি মুসলিম অধ্যুষিত জেলা যথাক্রমে করিমগঞ্জ, হাইলাকান্দি, বরপেটা, ধুবড়ি, গোয়ালপাড়া, দক্ষিণ শালমারা ও মানকাছাড় জেলায় বরাদ্দ করা হয়নি।

সরকারের নিকট অনেক আবেদন-নিবেদন করা হলেও সরকার এ-ক্ষেত্রে কঠোর মুসলিম-বিদ্বেষী অবস্থান নিয়েছে। ফলে উক্ত সাতটি জেলার টেট প্রার্থীগণ ব্যাপক অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছেন। উপরোল্লিখিত সাতটি জেলার প্রার্থীদের ভিন্ন জেলাসমূহে গিয়ে পরীক্ষায় বসতে হবে।

গত দু দিন ধরে পরীক্ষার এডমিট কার্ড হাতে পেয়ে পরীক্ষার্থীদের চক্ষু চড়ক গাছ! কার সেন্টার কোথায় পড়েছে, সে-সব স্কুলের ঠিকানা জোগাড় করতে গিয়ে পরীক্ষার্থীরা হয়রাণ হয়ে যাচ্ছেন। অনেকের সেন্টার বাড়ি থেকে একশ দেড়শ কিলোমিটার দূরে হওয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক এলাকায় পড়ার দরুন যাতায়াতের ক্ষেত্রেও প্রচণ্ড প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হবে বলে অনেকে ক্ষোভ ব্যক্ত করেছেন।

প্রার্থীদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকসংখ্যক হচ্ছেন মহিলা। অনেকের বাড়িতে দুধের শিশুকে রেখে গিয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে পরীক্ষায় বসতে হবে! ফলে, অনেকেই অসম সরকারের এমন জনবিরোধী সিদ্ধান্তের প্রতি তীব্র নিন্দা জানিয়ে সরকারের মুসলিম-বিদ্বেষী অবস্থানের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, উক্ত মুসলিম অধ্যুষিত সাতটি জেলার মুসলিম প্রার্থীদের পাশাপাশি হিন্দু তথা অমুসলিম প্রার্থীরাও ভুগান্তির শিকার হচ্ছেন! তাঁদেরকেও অন্য জেলায় গিয়ে পরীক্ষায় বসতে হচ্ছে।